আজ রবিবার , ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হালুয়াঘাটে হেফাজত নেতা মাওঃ মামুনুলকে নিয়ে তর্ক! শিক্ষকের চোখে ঘুষি হালুয়াঘাটে লকডাউনের প্রথম দিনে ৩ জনকে অর্থদন্ড বাউফলে ৭ জনের অর্থদন্ড বরগুনায় আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর উপর হামলা, আহত-১০ ট্রাকে চাপ দিয়ে ছেঁচড়িয়ে নিয়ে যায় ‘অনিক’কে! আরও এক মর্মান্তিক মৃত্যু বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত ইউপি নির্বাচন বাউফলে ২ চেয়ারম্যান ও ১ মেম্বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বাউফলে ২ দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হালুয়াঘাটে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি হালুয়াঘাটে স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি হালুয়াঘাটে বোনের বিয়ের পাত্র দেখতে এসে লাশ হলেন ‘আপেল’ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, নতুন শনাক্ত ৩৫৫৪ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় হালুয়াঘাট থানা পুলিশের মাস্ক ক্যাম্পেইন হালুয়াঘাটে ভাষা সৈনিক মাজহারুল হান্নানের স্মৃতিচারণ সভা

মাকে বেঁধে লোহার খুন্তি গরম করে সন্তানকে ছ্যাকা

প্রকাশিতঃ ৯:৪৫ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৯, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৬৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে মা’কে ডাব গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে দুই শিশু সন্তানকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে লোহার খুন্তি গরম করে শিশু সুমীর (৬) পায়ে ও হাতে এবং মারুফের (৮) হাতে ছ্যাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী মনি আক্তার। মামলার প্রধান আসামী মদনপুর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য খলিলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না বলে অসহায় মনি আক্তার নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।

সূত্রমতে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া সালাউদ্দিন রহমান জীবনের স্ত্রী মনি আক্তার বুধবার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান মেম্বারের বাড়িতে খাবার খেয়েছেন। খাবার খেয়ে মনি আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে চলে আসার সময় তাকে মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে মনি আক্তারকে ডাব গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তার দুই শিশু সন্তানকে লাঠি দিয়ে প্রহারের পর লোহার খুন্তি গরম করে শিশু সুমীর পায়ে ও হাতে এবং মারুফকে হাতে ছ্যাকা দেয়া হয়। ৪ ঘন্টা আটকে রাখার পর অবস্থা বেগতিক দেখে তাদের ছেড়ে দেয় খলিল মেম্বার। ওই দিন রাতেই নির্যাতিতা মনি আক্তার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। নির্যাতনের শিকার মনি আক্তার অভিযুক্ত মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে ৪ দিন যাবত প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়।

কিন্তু কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বিষয়টি জেলা পুলিশের উর্ধ্বতর মহলের দৃষ্টিগোচরে পড়লে কর্তৃপক্ষের চাপে থানা পুলিশ মনি আক্তারকে ডেকে এনে ইউপি সদস্য খলিল মেম্বারসহ ৩ সহযোগীর বিরুদ্বে মামলা গ্রহণ করেন।

মামলা করার পর থেকে অভিযুক্ত মেম্বার ও থানা পুলিশের হুমকিতে শিশু সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মনি আক্তার। মামলার তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর কুতুবে আলম বলেন, আসামী গ্রেপ্তারের জন্য খলিল মেম্বারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, খলিল মেম্বারকে এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখেছেন তারা। আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না।

Shares