আজ শুক্রবার , ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হালুয়াঘাটে ঐতিহাসিক তেলিখালী যুদ্ধ দিবস উদযাপন বাউফলে যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পলিত নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক

বাউফলে সড়কের বেহাল দশা , জনসাধারণের ভোগান্তি

প্রকাশিতঃ ২:৪১ অপরাহ্ণ | জুন ১৯, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৪২ বার

বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ভরিপাশা গ্রামের আলকি নদীর পাড় ঘেষে খেয়াঘাট থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা। সড়কেটি সংস্কারের অভাবে দীর্ঘবছর ধরে যানবহন ও জনসাধারণের চলাচলের অযোগ্য হয়ে ওঠেছে। সড়কটি দিয়ে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর, বাজেমহল ,তালতলী ও ভরিপাশা গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের নানান প্রয়োজনে প্রতিদিন নুরাইনপুর বন্দর ও উপজেলা সদরের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তিসহ প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় সব দুর্ঘটনা।ফলে রাস্তাটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। প্রতি বছর স্থানীয়রা টাকা পয়শা উঠিয়ে নিজেরা কিছু বালু সিমেন্টের বস্তা ফেলে সড়কটি কোন রকম টিকিয়ে রাখলেও এ বছর সড়কের অবস্থা আরো বেশী খারাব হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কোন জায়গায় মাত্র দেড় ফুট মাটি বিদ্যমান রয়েছে। যেখান দিয়ে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়াটাও কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা রাস্তাটি পুনঃনির্মান কিংবা সংস্কারের ব্যাপরে একেবারেই উদাসীন। জনগনের এ ভোগান্তি দেখার যেন কেই নেই। নিরুপায় হয়ে সড়কটি সংস্কারের জন্য অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভোগান্তির কথা তুলে ধরে ষ্ট্যাটাস দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্ট করছেন।
ভরিপাশা গ্রামের বাসিন্দ ডাক্তার বাড়ীর জাহাঙ্গীর হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, উন্নয়নের কথা শুনেছি। কিন্ত চোখে দেখিনি। ভরিপাশা গ্রামে উন্নয়নের কোন হাওয়া যে লাগেনি তা সড়কটির অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়। দীর্ঘ বছর ধরে আমারা এলাকাবাসী অনেক কষ্ট করে সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করছি। আমাদের এই কষ্ট কারো চোখে পড়ে না। অথচ নির্বাচন আসলে নানান প্রতিশ্রুতি দেন জনপ্রতিনিধিরা। ওই প্রতিশ্রতি পর্যন্তই শেষ। এরপর নির্বাচিত হয়ে গেলে আর জনগনের দুঃখ ও দুঃদর্শার কথা মনে থাকে না তাঁদের।
কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. মহিউদ্দিন আহম্মেদ লাভলু সাংবাদিককে বলেন, এলজিইডি’র অধীনে ক্ষুদ্র পনি সম্পদ প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি বাস্তবায়নের জন্য অনেক আগেই একটি তালিকা জমা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন খোঁজ খবর পাচ্ছি না।

Shares