আজ রবিবার , ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটের মামুন বাফুফে’র ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮

মিরপুরে মেলেনি ‘গুপ্তধন’, অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত

প্রকাশিতঃ ৬:৫২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৯৪ বার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের সেই বাড়িতে গুপ্তধনের সন্ধান না পেয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২১ জুলাই (শনিবার) থেকে বাড়িটির মেঝেতে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

প্রসঙ্গে ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজওয়ার আকরাম বলেন, আমরা ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর ও বুয়েটের এক্সপার্ট এনে ওই বাড়ির ভেতরে জিপিআর স্ক্যানার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আমরা এই পরীক্ষাটি করি। কিন্তু সেখানে কোনও ধাতব বা গুপ্তধনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাই অভিযানটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হলো।’ পাশাপাশি ওই বাড়ি থেকে পুলিশের পাহারাও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আরিফুর রহমান সরদার বলেন, মিরপুরের ওই বাড়িতে কোনও গুপ্তধন পাওয়া যায়নি। রেজাল্ট জিরো। তাই প্রশাসনের নির্দেশে সেখান থেকে পুলিশি পাহারা তুলে নেওয়া হয়েছে।

মিরপুর-১০-এর সি ব্লকের ওই বাড়িতে সরেজমিন দেখা গেছে, বাড়ির সামনে স্তূপ করে রাখা মাটি শ্রমিকরা ভেতরে নিয়ে ফেলছেন। বাড়ির ভেতরের দুটি কক্ষ ভরাট করার কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই (শনিবার) রাজধানীর মিরপুর-১০-এর সি-ব্লকের ১৬ নম্বর রোডের ১৬ নম্বর বাড়িতে গুপ্তধনের খোঁজে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করে ঢাকা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। বাড়িটির মাটির নিচে কমপক্ষে দুই মণ স্বর্ণালঙ্কার থাকার দাবি ওঠায় ওই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে শুরু হয় এই অভিযান। ২০ জন শ্রমিকের সহায়তায় ছয় ঘণ্টা ধরে সাড়ে ৪ ফুট খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়। বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর দুর্বল হওয়ায় ওইদিন খোঁড়াখুঁড়ি স্থগিত করে দেওয়া হয়। এরপর পুনরায় ২২ জুলাই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

এর আগে, গত ১০ জুলাই মোহাম্মদ আবু তৈয়ব নামের এক ব্যক্তি মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর ১২ জুলাই রাতে কয়েকজন লোক বাড়ির ভেতরে গুপ্তধন আছে বলে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করেন। এই মর্মে ১৪ জুলাই বাড়ির মালিক মনিরুল ইসলাম থানায় একটি জিডি করেন। পরে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই বাড়িটিতে খননের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

মেঝে ভরাটের কাজ করছেন শ্রমিকরা

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে সেলিম রেজা নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে এই বাড়িটি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কেনেন মনিরুল ইসলাম। মিরপুরের পল্লবীতে থাকেন তিনি। আর এই বাড়ি দেখাশোনা করেন শফিকুল ইসলাম ও সুমন নামে দুজন। শফিকুল ইসলাম ছিলেন বাড়ির কেয়ারটেকার। বাড়ির ভেতরে রয়েছে সাতটি কক্ষ। একটিতে শফিকুল ও সুমন থাকতেন। বাকিগুলোতে ভাড়াটিয়া ছিলেন। তবে গত ৪/৫ মাস আগে ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরির কাজ শুরুর কথা বলেন সব ভাড়াটিয়াকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন বাড়ির মালিক।

Shares