আজ রবিবার , ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান

মৃত্যু পথযাত্রী শিশুর পাশে হতবাক মা!

প্রকাশিতঃ ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৯০ বার

মাসুদ রানা, ময়মনসিংহ ৬ অক্টোবরঃ

শিশুটির নাম শরিফুল ইসলাম ওরফে মোস্তফা। বয়স সবেমাত্র ৬ বছর। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে মোস্তফা সবার ছোট। তাই মা বাবা আদর করে মোস্তফা নামেই তাকে ডাকে। সে ময়মনসিংহ শহরতলীর চরঈশ্বরদীয়া ইউনিয়নের চরকালিবাড়ী উজিরবাড়ী মসজিদ এলাকার বাসিন্দা চাঁন মিয়া ও সুরমা আক্তার দম্পতির তৃতীয় শিশুপুত্র সন্তান। বাবা পেশায় একজন মটরগাড়ীর শ্রমিক। শিশুটি এই বয়সে স্কুলে থাকার কথা! তবে ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। শিশুটির বয়স যখন দেড় বছর, তখন থেকেই শারীরিক অসুস্থ্যতা দেখা দেয় তার। পরে একাধিক বার মমেক হাসপতালের শিশু বিভাগে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। কিন্তু কোন রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়নি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

এরপর একপর্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বেশ কয়েক দফা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পর রোগ নির্ণয় করা হয়। অনেক গবেষনার পর চিকিৎসকরা পরিবারের স্বজনদের কাছে হার্ডছিদ্র ও শরীরের রক্তনালী (রগ) গুলো চিকন হয়ে গেছে বলে জানান। তবে ওই সময় রক্তনালীর অপারেশন করা হলেও টাকার জন্য ছিদ্র হওয়া হার্ডের কোন অপারেশন করতে পারেনি এই হতদরিদ্র অসহায় পরিবারটি। পরে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে না পেরে শিশুটিকে তার নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়।

অন্যদিকে মোস্তফাকে বাড়িতে আনার পর ক্রমসই তার শারীরিক অসুস্থতার অবনতি ঘটতে থাকে। বর্তমানে শিশুটি গত ৩ মাস যাবত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ( মমেক ) হাসপাতালের নতুন ভবনের ৬ তলায় ৩১ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে।

শনিবার (৬ অক্টোবর) রাতে মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩১ নং ওয়ার্ডের ৬০৮ নং রুমের ইউনিট ২ এর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখা মিলে শিশু মোস্তফার। সে ওই হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আইয়ুব আলীর তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের অন্য শিশু চিকিৎসক ডাঃ মানিক মজুমদার।

তিনি জানান, শিশুটি অনেক দিন যাবত ধরে এই হাসপাতালের শিশু বিভাগের ইউনিট ২ এ চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার হার্ডছিদ্র হওয়ায় দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। হার্ডের সমস্যা থেকে এখন সমস্ত শরীরসহ ব্রেনে ইনফেকশন হয়ে গেছে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা দেশের বাহিরে নিতে হবে। না হয় শিশুটিকে বাঁচানো যাবেনা। এখন শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।

এদিকে চিকিৎসকরা পরিবারকে জানিয়েছেন, হার্ডের উন্নত চিকিৎসা করতে না পরলে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাই জরুরী ভাবে দেশের বাহিরে নিয়ে অপারেশন করতে হবে। এতে প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ্য টাকা খরচ ব্যয় হবে। এতো টাকা এই হতদরিদ্র পরিবারটির পক্ষে যোগার করা সম্ভব না। তাই হার্ড ছিদ্র ৬ বছরের শিশুপুত্র মোস্তফাকে বাঁচাতে দেশের বিত্তভানদের কাছে অর্থ সাহায্যের জন্য এক অসহায় হতদরিদ্র মা বিশেষ আকুতি জানিয়েছেন। তবে বিত্তভানরা কি এগিয়ে আসবে? আপনার সাহায্যের কিছু অর্থ এই শিশুটির জীবন বাঁচাতে পারে। তাই আর্থিক সহযোগিতার হাত বারিয়ে সবাই এগিয়ে আসুন।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা, শিশু মোস্তফার মাতা, মোছাঃ সুরমা আক্তার, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ ছোট বাজার শাখা ময়মনসিংহ, একাউন্ট নং-৩৬৮৭৯, বিকাশ নং-০১৯৭১-০০৭৪৩৮। যোগাযোগ ০১৭২৩-৪০৮১২৫ অথবা মোস্তফার মায়ের ফোন নাম্বার ০১৯৯৭-৬৪১৯২০ / ০১৯৭১-০০৭৪৩৮।

Shares