আজ বৃহস্পতিবার , ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাচনে মোশারফ, ফরিদ, আশুরা বিজয়ী গরীবের আশার বাতিঘর হাজী মোশারফ হালুয়াঘাটে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি পুঁততে গিয়ে মৃত্যু-১, আহত-১ জাতীয় ভাবে”স্বপ্নজয়ী মা” নির্বাচিত হলেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের অবিরণ নেছা ৬১০৮ ভোটের ব্যবধানে হামিদ বিজয়ী। শেখ রাসেল ও মনোয়ারা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ প্রবীণে প্রবীণে লড়াই এম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারকালে ২৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ একজন আটক এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার

ভারতে এবার তন্দুরি চা !

প্রকাশিতঃ ৭:৫৪ অপরাহ্ণ | মে ৩১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৬৫২ বার

‘তন্দুরি নাইটস’-এর কথা শুনে থাকলেও তন্দুরি চায়ের কথা বোধ হয় কেউ কোনো দিন শোনেননি। চায়ের সঙ্গে তন্দুরি তরকা বিষয়টা পুরোপুরি নতুন- যা শুরু করেছে ভারতের পুনের দুই চা ওয়ালা। তন্দুরি চায়ের এ আইডিয়া ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

তন্দুরি চায়ের এ পরিকল্পনা যাদের হাত ধরে এসেছে সেই প্রমোদ বাংকার এবং অমোল রাজদেও জানান, তাদের ঠাকুমা গ্রামের বাড়িতে কয়লার ওপর দুধ দিয়ে তন্দুরি চা তৈরি করতেন। সেই একই পদ্ধতিতে চা তৈরি করছেন তারা।

কিভাবে বানানো হচ্ছে এ তন্দুরি চা? প্রমোদ বলেন, ‘প্রথমে আগে থেকে গরম হওয়া তন্দুরে মাটির ভাড়গুলোকে রাখা হচ্ছে। এরপর সেই জ্বলন্ত ভাড়ে আধা তৈরি হওয়া চা ঢালা হচ্ছে, ঢালার সময় বুদবুদ উঠার পরই চা তৈরি। গরম ভাড়ের এ চায়ে পাওয়া যাবে ধুম্র স্বাদ- যা আপনাকে বারবার আমাদের কাছে নিয়ে আসবে।

তন্দুরি চা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজস্থান- সবাই পুনের এ চা খেতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। চাপ্রেমিকরা অনেকেই টুইট করে এ নতুন ধরনের চা বানানোর পদ্ধতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তবে প্রতি নতুন জিনিসই সঙ্গে আনে বিরুদ্ধ মত। সোশ্যাল মিডিয়া দ্বিমত। কেউ কেউ তন্দুরি চা বলতে অজ্ঞান। আবার অনেকেই বলছেন সাবেক চা-ই ভালো। ফিউশনের যুগে সবই দোআঁশলা। চা-ই বা বাকি থাকে কেন? আগেও এসেছে গ্রিন টি’র হরেক বাহার। তন্দুরি বাকি ছিল। এবার সেটাও সম্পূর্ণ হল।

Shares