আজ সোমবার , ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন ত্রিশালে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরার আকুতিতে বিক্ষোভ ও গণহত্যা দিবস পালন

প্রকাশিতঃ ৩:০০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৫, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২১৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ মিয়ানমারের আরকানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সেদেশের সেনা কর্তৃক হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের এক বছর পূর্ণ হওয়ায় মিয়ানমারের আরকানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সেদেশের সেনা কর্তৃক হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের এক বছর পূর্ণ হওয়ায় ২৫ আগস্টকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা। এ উপলক্ষে টেকনাফের নায়াপাড়া শালবন ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা ২৫ আগস্ট শনিবার সকাল ৯ টায় গণহত্যার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইনখালী হাকিম পাড়া, জামতলী সহ বিভিন্ন বিভিন্ন ক্যাম্পেও একই দাবিতে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিক্ষোভ মিছিলে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নরনারী অংশ গ্রহণ করেছেন। এসময় রোহিঙ্গা মৌলভীদের নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। মিছিলে রোহিঙ্গাদের হাতে প্লেকার্ডে ১০০ নারীকে ধর্ষণ, ৩০০ গ্রাম নিশ্চিহ্ন, ৩৪ হাজার শিশুকে এতিম, ৮ লাখের বেশী রোহিঙ্গা আরকান রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত ও ১০ হাজারের বেশী রোহিঙ্গাকে হত্যার বিবরণ তুলে ধরতে দেখা যায়। মিছিলের পূর্বে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শালবন মরকজে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে রোহিঙ্গা নেতা জকরিয়া বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতার নেত্রী সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানান এবং এদেশের সেনা, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও উখিয়া টেকনাফের মানুষের প্রতিও ধন্যবাদ জানান। বক্তব্যে তিনি মিয়ানমার সরকারের বিচার, স্বদেশে ফিরার পরিবেশ তৈরিসহ বিভিন্ন দাবী উত্থাপন করেন। এসময় নাগরিকত্ব ও দাবী দাওয়া আদায়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরতে চায় বলেও তিনি জানান। সমবেত রোহিঙ্গারা হাততুলে বিভিন্ন সেøাগানে পুরো ক্যাম্প মুখরিত করে তুলে। এছাড়া ক্যাম্পের অভ্যন্তরে বিশাল সমাবেশের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, অনুমতি সাপেক্ষে রোহিঙ্গারা প্রতিবাদ সমাবেশ ও শোক পালন করছে। তবুও অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, উখিয়া থেকে জানান, ২৫ আগষ্টকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইনখালী হাকিম পাড়া, জামতলী সহ বিভিন্ন বিভিন্ন ক্যাম্পে তারা এক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আজ সকাল থেকে রোহিঙ্গারা ক্যাম্প এলাকায় মিছিল, সমাবেশ শুরু করে। সকালে কুতুপালং এলাকায় সড়ক বন্ধ করে মিছিল করেছে রোহিঙ্গারা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাম্পের ভেতরে সমাবেশ করছে রোহিঙ্গারা।
উল্লেখ্য, আরসা নামক একটি সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যদের সেনা ছাউনিতে হামলার ঘটনার অজুহাতে গত বছর ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমার বাহিনী। দেশটির সেনা, বিজিপি ও উগ্রবাদী রাখাইন যুবকরা গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়ে রোহিঙ্গা নর-নারী, শিশুর ওপর বর্বরোচিত নৃশংসতা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে বানের পানির মতো বাংলাদেশের দিকে ছুটতে থাকে রোহিঙ্গারা। বর্তমানে নতুন-পুরনো মিলে উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ জন রোহিঙ্গা ৩০টি অস্থায়ী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। এসব শিবিরে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও এভাবে অনিশ্চিত ভাসমান অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকতে চান না। এ উপলক্ষে টেকনাফের নায়াপাড়া শালবন ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা ২৫ আগস্ট শনিবার সকাল ৯ টায় গণহত্যার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইনখালী হাকিম পাড়া, জামতলী সহ বিভিন্ন বিভিন্ন ক্যাম্পেও একই দাবিতে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিক্ষোভ মিছিলে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নরনারী অংশ গ্রহণ করেছেন। এসময় রোহিঙ্গা মৌলভীদের নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। মিছিলে রোহিঙ্গাদের হাতে প্লেকার্ডে ১০০ নারীকে ধর্ষণ, ৩০০ গ্রাম নিশ্চিহ্ন, ৩৪ হাজার শিশুকে এতিম, ৮ লাখের বেশী রোহিঙ্গা আরকান রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত ও ১০ হাজারের বেশী রোহিঙ্গাকে হত্যার বিবরণ তুলে ধরতে দেখা যায়। মিছিলের পূর্বে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শালবন মরকজে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে রোহিঙ্গা নেতা জকরিয়া বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতার নেত্রী সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানান এবং এদেশের সেনা, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও উখিয়া টেকনাফের মানুষের প্রতিও ধন্যবাদ জানান। বক্তব্যে তিনি মিয়ানমার সরকারের বিচার, স্বদেশে ফিরার পরিবেশ তৈরিসহ বিভিন্ন দাবী উত্থাপন করেন। এসময় নাগরিকত্ব ও দাবী দাওয়া আদায়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরতে চায় বলেও তিনি জানান। সমবেত রোহিঙ্গারা হাততুলে বিভিন্ন সেøাগানে পুরো ক্যাম্প মুখরিত করে তুলে। এছাড়া ক্যাম্পের অভ্যন্তরে বিশাল সমাবেশের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, অনুমতি সাপেক্ষে রোহিঙ্গারা প্রতিবাদ সমাবেশ ও শোক পালন করছে। তবুও অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, উখিয়া থেকে জানান, ২৫ আগষ্টকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইনখালী হাকিম পাড়া, জামতলী সহ বিভিন্ন বিভিন্ন ক্যাম্পে তারা এক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আজ সকাল থেকে রোহিঙ্গারা ক্যাম্প এলাকায় মিছিল, সমাবেশ শুরু করে। সকালে কুতুপালং এলাকায় সড়ক বন্ধ করে মিছিল করেছে রোহিঙ্গারা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাম্পের ভেতরে সমাবেশ করছে রোহিঙ্গারা।
উল্লেখ্য, আরসা নামক একটি সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যদের সেনা ছাউনিতে হামলার ঘটনার অজুহাতে গত বছর ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমার বাহিনী। দেশটির সেনা, বিজিপি ও উগ্রবাদী রাখাইন যুবকরা গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়ে রোহিঙ্গা নর-নারী, শিশুর ওপর বর্বরোচিত নৃশংসতা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে বানের পানির মতো বাংলাদেশের দিকে ছুটতে থাকে রোহিঙ্গারা। বর্তমানে নতুন-পুরনো মিলে উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ জন রোহিঙ্গা ৩০টি অস্থায়ী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। এসব শিবিরে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও এভাবে অনিশ্চিত ভাসমান অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকতে চান না।

Shares