আজ রবিবার , ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাচনে মোশারফ, ফরিদ, আশুরা বিজয়ী গরীবের আশার বাতিঘর হাজী মোশারফ হালুয়াঘাটে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি পুঁততে গিয়ে মৃত্যু-১, আহত-১ জাতীয় ভাবে”স্বপ্নজয়ী মা” নির্বাচিত হলেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের অবিরণ নেছা ৬১০৮ ভোটের ব্যবধানে হামিদ বিজয়ী। শেখ রাসেল ও মনোয়ারা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ প্রবীণে প্রবীণে লড়াই এম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারকালে ২৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ একজন আটক এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার

হেলিকপ্টারে চড়ে বউ আসলো নয়া শশুরবাড়িতে। তা দেখতে গ্রামবাসীর ভিড়

প্রকাশিতঃ ১০:২০ অপরাহ্ণ | জুন ২২, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৫৯৩ বার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসভার সৈয়দগাঁও গ্রামের ছেলে মোস্তফা হাসান উজ্জ্বল। শিক্ষা শেষে দেখাশোনা করছেন বাবার ইটখলার ব্যবসা। পাশাপাশি নিজেরও পাকুন্দিয়া পৌরসদরে নিজস্ব জায়গায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার বাবা হাজি শাফি উদ্দিন মেম্বার। পুরনো ব্যবসায়ী। পরিশ্রম করে তিল তিল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে উন্নত করেছেন। নিজের পড়াশোনা না থাকা স্বত্ত্বেও ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। চার ছেলের মধ্যে তৃতীয় ছেলে মোস্তফা হাসান উজ্জ্বলকে  বিয়ে করিয়েছেন।

পাত্রী ফারজানা আক্তার তৃপ্তি। কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবদুল আজিজের একমাত্র মেয়ে তিনি। পাত্রীর পিতার ইচ্ছে তার মেয়েকে হেলিকপ্টারে করে বরের বাড়িতে নিতে হবে। এমন আবদারে না করলেন না বর ও তার পিতা।

অবশেষে বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার মেঘনা এভিয়েশনের একটি হেলিকপ্টারে করে বউ আনার উদ্দেশ্যে নিয়ামতপুরে যান বর। স্থলেপথে যায় বিশাল মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসের বহর। নিয়ামতপুর গ্রামে হেলিকপ্টার অবতরণ করলে লোকজনের ভিড় জমে যায়। হেলিকপ্টারে বর এসেছে জানতে পেরে আশপাশের গ্রামের শত শত লোক এক নজর দেখার জন্য। যা নিয়ামতপুর গ্রামের জন্য একটা স্মৃতি হয়ে থাকবে বলেও জানা গেছে।

হেলিকপ্টার থেকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা দিয়ে স্পিডবোটে কনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বরকে।

পরে বিকাল পাঁচটার দিকে বউ নিয়ে বাড়ি ফেরেন উজ্জ্বল। এখানেও ভিড় করে উৎসুক লোকজন। লোকজনের মুখে মুখে উজ্জ্বলের হেলিকপ্টারে করে বউ আনার খবর শোনা যাচ্ছে।

শুক্রবার বরের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন এবং নবদম্পত্তির জন্য শুভ কামনা করেন।

যদিও এর আগে প্রথমবার পাকুন্দিয়ায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনুর মেয়ের বিয়েতে হেলিকপ্টারে করে বর এসেছিলেন। যা ব্যাপক আলোচিতও হয়েছিল। এরপরে আরও একজন বিয়েতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছিল বলে জানা গেছে। ক্রমেই মানুষ শখের বশে বিয়ের অনুষ্ঠানে হেলিকপ্টারের ব্যবহার বাড়াচ্ছেন।

Shares