আজ মঙ্গলবার , ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন ত্রিশালে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

২১ আগস্ট: ধরাছোঁয়ার বাইরে ১৮ আসামি

প্রকাশিতঃ ১:৩৭ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৫২ বার

ঢাকা: দীর্ঘ ১৪ বছরেও শেষ হয়নি, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার কার্যক্রম। বিচারের দীর্ঘসূত্রতার জন্য একে অপরকে দুষছে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ। দুই দফায় চার্জশিটে অভিযুক্ত ৫২ জন আসামির মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন এখনও পলাতক।

পলাতক আসামির বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলি রেজাউর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ১৮ জন আসামি পলাতক থাকায়, তাদের অনুপস্থিতেই বিচার কাজ চলছে। তাদের অনুপস্থিতেই রায়ের দিন তারিখ ঘোষণা করবেন বিচারক।

বিদেশে পালিয়ে থাকা আসামিদের কয়েকজনের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার গেলেও, তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মামলাটি মাহামান্য আদালতে কাছে আছে, আমরা পলাতক আসামিদের কিভাবে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে পারি সে জন্য চেষ্টা করছি। তবে কবে নাগাদ আনা সম্ভব হবে, সেটা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

এদিকে রোববার (১৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এই মামলার রায় হবে। মামলায় তারেক রহমানসহ অন্যান্য আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ।

একই কথা পুনর্ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার কাঙ্ক্ষিত রায়ের তারিখ আগামী মাসে ঘোষণা হতে পারে। আশা করি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তিই হবে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন বিরোধী দলীয় নেত্রী৷ ঐ দিন বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়৷ তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন৷ আহত হন প্রায় চার শতাধিক মানুষ৷

এ ঘটনায় প্রথম দফা চার্জশিট হয় ২০০৮ সালে। পরে ২০১২ সালে অধিকতর তদন্ত শেষে আরেক দফা চার্জশিট জমা দেয়া হয়। এ মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন ২২৫ জন। আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরের সর্বশেষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে ২৬, ২৭ ও ২৮ আগস্ট।

গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার রায় হতে ১৪ বছর সময় লাগছে কেন জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলি রেজাউর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, গ্রেনেড হামলার মোট দুটি মামলা হয়, একটি হত্যা মামলা, অন্যটি বিস্ফোরক আইনে মামলা। আসামিপক্ষ শুনানিতে সময়ক্ষেপণের কারণে মামলা শেষ হতে দেরি হচ্ছে।

অন্যদিকে মামলার এজাহারে ও চার্জশিটে স্পষ্ট বলা আছে, জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশসহ তিনটি জঙ্গি সংগঠন এই নারকীয় হামলা চালায়। যার পিছনে চারদলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের ইন্ধন ছিল। এক এগারোর তত্ত্বাবধারক সরকারের আমলে তদন্তের জানা যায়, চারদলীয় জোট সরকারের উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অধিকতর তদন্তে প্রকাশ পায় হাওয়া ভবনের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত জামিনে আছেন ৮ জন আসামি, তারা হলেন, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম, মামলার তিন তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান, এএসপি আবদুর রশীদ, সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক, খোদা বক্স চৌধুরী ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম।

তবে জল অনেক ঘোলা করা পর, আদালতের কাছে জবানবন্দি দিয়ে হামলার দায় স্বীকার করেছেন, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল, আরিফ হাসান সুমন ও রফিকুল ইসলাম সবুজ।

Shares