আজ শনিবার , ২৮শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ওজনে ধান বেশী নেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ নালিতাবাড়ীতে মাংস বিক্রেতাদের জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত নালিতাবাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বসতঘর পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি “মুক্তিযুদ্ধে হালুয়াঘাট” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রকল্পের পাওনা টাকা দাবী: ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে হামলার অভিযোগ “মুক্তিযুদ্ধে হালুয়াঘাট” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীর মাদক ব‍্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব হালুয়াঘাটে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত শেরপুরে স্বামী পরিত্যক্তা তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেফতার এক নালিতাবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে র‍্যাবের হাতে বিদেশী মদসহ যূবক গ্রেফতার তিনানী বাজার থেকে সয়াবিন তেল জব্ধ,লাখ টাকা জরিমানা নালিতাবাড়ী প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক নালিতাবাড়ীতে গতি রোধ করে গরু ব্যবসায়ীর উপর বিজিবি’র গুলি, আহত তিন

হালুয়াঘাটে একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়েও সে এখন রাস্তার টোকাই! স্বাধীনতার ৪৭ বৎসরেও মিলেনি ভাতা

প্রকাশিতঃ ৪:১৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৭, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৭৯ বার

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ), বাংলাদেশঃ

একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়ে রাস্তায় রাস্তায় রাস্তায় টোকাইগিরি করে নিজের পেটের খাবার জোগাচ্ছেন রমিজা খাতুন (৬২) নামে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। আট বৎসর পূর্বে রমিজার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী তারিখে মারা যান।বাতেন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও ভাতা পাননি কখনো।বাতেনের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৪ আগষ্ট। সুত্রে জানা যায়, বাতেন ৩নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেক্টর কমান্ডার আতাউল গণি ওসমানী নিজেই বাতেনকে সনদপত্র প্রদান করেছেন।বাতেনের বাড়ি ময়মনসিংহের  গফরগাঁও উপজেলার পড়শিপাড়া গ্রামে। পরে বাতেন হালুয়াঘাট চলে আসেন এবং হালুয়াঘাট অবস্থানকালেই তিনি মারা যান। মারা গেলে তার একমাত্র স্ত্রী রমিজা হালুয়াঘাটের মনিকুড়া গ্রামে তার মেয়ে শিউলির আশ্রয়ে থাকেন। পরে অভাবের তাড়নায় ঢাকা গিয়ে টোকাইগিরি করে নিজের পেটের খাবার জোগাড় করেন। গত বৃহঃপতিবার রাস্তায় বোতল টুকানোর সময় রমিজার সাক্ষাৎ মিলে। কথা বলে জানা যায় বিচিত্র রকমের তথ্য। রমিজা বলেন, আমি আমার স্বামীর বৈধ কাগজপত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও গিয়েছি। একজনে কাগজপত্র জমা রাইখা আমাকে পাঠাইয়া দেই। ভাতা অইবো কই।পরে ভাতা আর অইলনা।  এছাড়া আরও কত মুক্তিযোদ্ধা নেতাদের কাছে গিয়েছি। সকলে শুধু আশাই দেই। ভাতা আর অইনা। কি আর করমু। অবশেষে ঢাকার বিশ্বরোড চৌরাস্তায় বোতল টুকাইয়া খাই। পেটতো চালান লাগবো। স্বামী আমার আট বৎসর অসুখে পইরা আছিলো। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনাই। আমার ৫ ছেলে ২ মেয়ে। ৩ ছেলে আরও মারা গেছে। ১৫ জন নাতী পুতিও আছে। কেডা কারে দেহে। সবারই অভাব। জানা যায়, হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনের সাংসদ জনাব জুয়েল আরেং এমপি তিনি নিজেও গত ২ জুলাই তারিখে রমিজার ভাতার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত সুপারিশ করেছেন।

Shares