আজ শনিবার , ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীর মাদক সম্রাট পিচ্চি খোকন আটক শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত নালিতাবাড়ীতে কৃষি মেলার উদ্ভোধন ইকোপার্কে বেড়াতে গিয়ে খালু কর্তৃক ভাগ্নী ধর্ষণের শিকার শ্রীবর্দীতে পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু মেয়ের খুনের বিচার চাইলেন বাবা বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নালিতাবাড়ীতে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আজম, সম্পাদক মজিবর নালিতাবাড়ীর নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নিখোঁজ শিক্ষার্থী উদ্ধার নালিতাবাড়ীতে গণহত্যা দিবস পালিত দলিল প্রতি অতিরিক্ত ফি ১০ হাজার টাকা। প্রতিবাদে ধোবাউড়ায় সংবাদ সম্মেলন রামচন্দ্রকুড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা: সংঘর্ষ, গাড়ি ভাংচুর, আহত হালুয়াঘাটে গাছের সাথে শত্রুতা হালুয়াঘাটে আরও ২৯ জন ভূমিহীনকে জমিসহ ঘর প্রদান

শেরপুরে ‘জেএমবি’র ছয় সদস্যের কারাদণ্ড

প্রকাশিতঃ ৫:১৯ অপরাহ্ণ | জুন ২৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৯৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শেরপুরে সন্ত্রাস দমন আইনের এক চাঞ্চল্যকর মামলায় ছয় জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার বিকালে শেরপুরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এম এ নূর জনাকীর্ণ আদালতে ওই রায় দেন।

দণ্ডিতদের মধ্যে শহরের ঢাকলহাটী মহল্লার নাজমুস শাহাদাত রানাকে সাড়ে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া মামলার অপর পাঁচ আসামি শহরের পূর্বশেরীর মনিরুজ্জামান মানিক ওরফে কাওসার, নওহাটা মহল্লার মারুফ হোসেন রনি, বাগরাকসা মহল্লার আমির হামজা খলিল, নালিতাবাড়ীর নাকশী গ্রামের তানভীর ও জামালপুরের রানাগঞ্জ গ্রামের সোয়েবকে সাড়ে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

নাজমুস শাহাদাত রানাসহ পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষিত হলেও অপর আসামি আমির হামজা খলিল পলাতক রয়েছে।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি অ্যাডভোকেট অরুণ কুমার সিংহ রায় ওই রায়ের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ২০১০ সালের ২২ জানুয়ারি নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য শেরপুর শহরের ঢাকলহাটী মহল্লার নাজমুস শাহাদাত রানার বাসায় অভিযান চালিয়ে রানা ও তার সহযোগী মনিরুজ্জামান মানিক ওরফে কাওসারকে আটক করে পুলিশ। ওইসময় ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ১৭টি জিহাদি দাওয়াতপত্র ও বেশকিছু সিডি-ক্যাসেটসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের আলামত উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় শেরপুর সদর থানার তৎকালীন এএসআই সজীব খান বাদী হয়ে নাজমুস শাহাদাত রানা ও কাওসারসহ সাতজনকে স্বনামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। একই থানার তৎকালীন এসআই নজরুল ইসলাম একই বছরের ১৪ মার্চ এজাহারনামীয় সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে আবুল কালাম আজাদ নামে এক আসামি মৃত্যুবরণ করেন। চলতি বছরের ২৩ মে ওই মামলায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ১৮ জুন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে উপস্থিত পাঁচ আসামির জামিন বাতিল এবং অপর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেয়া হয়। মামলায় বাদী, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এদিকে চাঞ্চল্যকর ওই মামলার রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই আদালত অঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আসামিদের বিশেষ নিরাপত্তায় জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনাসহ সাজার পর একইভাবে পাঠানো হয় কারাগারে।

Shares