আজ শনিবার , ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে-প্রিন্স ডামি নির্বাচন করে গণতন্ত্রকে আইসিইউতে পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ-প্রিন্স বাজারে পণ্যের অগ্নিমূল্যের তাপ তাদের গায়ে লাগেনা-প্রিন্স নালিতাবাড়ীতে প্রেসক্লাবের নির্বাচন, সভাপতি সোহেল সম্পাদক মনির গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে-বিএনপি নেতা প্রিন্স হালুয়াঘাটে বিএনপি নেতা প্রিন্স’র লিফলেট বিতরণ ৯৮ দিন কারাভোগের পর নিজ এলাকায় বিএনপি নেতা প্রিন্সকে সংবর্ধনা

মানবিক সাহায্যই বাঁচাতে পারে ক্যন্সারে আক্রান্ত আমেনাকে

প্রকাশিতঃ ৮:০১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০১, ২০২২ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯৮ বার

মোঃ দৌলত হোসেন নালিতাবাড়ী শেরপুর সংবাদ দাতা।
অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক ছেলে আর দুই মেয়ে নিয়ে জীবন-মৃত্যুর অনিশ্চয়তায় রাতে ঘুম আসে না তার, দিনেও চোখমুখে ভেসে থাকে দুঃশ্চিন্তার ছাপ। আত্মীয়-স্বজনের কাছে ঠাঁই নেই টাকা চেয়ে বসে, এ ভয়ে। ট্রাকচালক স্বামীও প্রতিনিয়ত মৃত্যু কামনা করে আপদ দূর হওয়ার। শরীর আর মন সব অঙ্গেই প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে বেদনাবিধূর এক সময় পাড় করছেন বত্রিশ বছর বয়সী তিন সন্তানের জননী আমেনা বেগম।
জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত আমেনার বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌর শহরতলী গ্রাম কালিনগর নয়াপাড়ায়। স্বামী হাশেম উদ্দিন পেশায় ট্রাকচালক। একসময় স্বামীর সামান্য আয় দিয়ে ভালোই চলছিল আমেনার সংসার। তিন সন্তান আর স্বামী নিয়ে অর্থের আভিজাত্য না থাকলেও ছিল ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। কিন্তু প্রায় বছরখানেক হলো তার শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসার একপর্যায়ে ৯ মাস আগে ধরা পড়ে জরায়ু ক্যান্সার। ৮ মাস আগে সামর্থটুকু শেষ করে জরায়ুর অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। তবে এ অপরেশনও তাকে সুস্থতার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। জরায়ু ক্যান্সার হওয়ার ফলে চিকিৎসক পরামর্শ দেন কেমোথেরাপি দিতে। সর্বস্ব ব্যয় করে প্রায় তিন লাখ টাকায় অপারেশনসহ ইতিমধ্যেই তিনটি থেরাপি দেওয়া হয়েছে। এখন আর তাদের টাকার রথ চলে না। নিজের পুঁজি শেষ করে আত্মীয়-স্বজনের কাছেও হাত পাতা শেষ। তাই স্বজনদের কাছে গেলেও ভয়ে কেউ পাত্তা দিতে চায় না, টাকা দিতে হবে বলে। স্বামীও এখন আর হাল ধরতে পারছেন না। নিরুপায় হয়ে স্ত্রীর মৃত্যুই কামনা করেন। মরে গেলেই বেঁচে যাবেন, এমন নিষ্ঠুর বাক্যও এখন স্পষ্ট উচ্চারিত হয় মুখে। ফলে বেঁচে থাকার আর কোন পথই যেন খুঁজে পাচ্ছেন না হতভাগা এ নারী।
গত কয়েকদিন আগে স্থানীয় প্রেসক্লাবে এসে দুঃশ্চিন্তায় মাথা ছেড়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে নিজের কষ্টের কথাগুলো এমনভাবেই ফুটিয়ে তুলেন আমেনা। আক্ষেপ করে বলেন, ‘এখন আত্মীয়-স্বজনও আমাকে ভালোবাসে না। তারা ভয় পায়, যদি আমাকে টাকা দিতে হয়। স্বামীও বলে, আমার আর সাধ্য নেই। মরে গেলেই বেঁচে যাই। আরেকটা বিয়ে করে নতুন করে শুরু করতে পারব।’
করুণ নিবেদনের স্বরে আমেনা বলেন, ‘সামর্থবানেরা যদি আমাকে একটু সাহায্য করতেন, আমার বাকী কেমোথেরাপিগুলো দিতে সহায়তা করতেন; তবে তিনটি শিশু নিয়ে বেঁচে থাকতে পরতাম। আমি মারা গেলে তো শিশু তিনটি এতিম হয়ে যাবে। কে ওদের দেখবে, ভালোবাসবে?’
তিনি জানান, আরও ২১টি থেরাপি দিতে হবে তাকে। এছাড়াও দৈনিক তিনশ টাকার ওষুধ লাগে তার। কিছুদিন হলো চতূর্থ থেরাপির সময় পার হয়ে গেছে। টাকার অভাবে দেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন তিনি। তার সাথে যোগাযোগ বা সাহায্য পাঠাতে উল্লেখিত ০১৮৬০-৬৩৬৫৭৬ বিকাশ নাম্বরটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Shares