আজ রবিবার , ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন

উদ্ভোধনের বছর না পেরোতেই হালুয়াঘাটে ৩২ লক্ষাধিক টাকার সেতু ধ্বস

প্রকাশিতঃ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৬, ২০২১ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৫৮ বার

ওমর ফারুক সুমন: উদ্ভোধনের এক বছর না পেরোতেই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ৩২ লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতু ধ্বসে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছে আশপাশের ৪/৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয়রা বলছে নিন্ম মানের কাজ করায় এ ধ্বসের মূল কারন। জানা যায়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে হালুয়াঘাটের ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের গোপীনগর ছোবান মেম্বারের বাড়ির পাশে খালের উপর ৩২ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় ৩৬ ফুট দীর্ঘ সেতু। যা ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করেন স্থানীয় সাংসদ জুয়েল আরেং। জানা যায়, ফুলপুর উপজেলার মেসার্স সেতু এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ব্রীজটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ব্রীজটির কাজ আরম্ভের শুরুতেই নিন্মমানের কাজ করায় স্থানীয়রা দাবী করেন। কিন্তু ঠিকাদার মারুফ হোসেন তার প্রভাব খাটিয়ে কোনমতে ব্রীজটি নির্মাণ করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে যান। গোপীনগর গ্রামের ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন ফকির (৬৫), আব্দুল খালেক (৫৫), আব্দুল মজিদ (৭০), আজিজুল (৪৫) বলেন, অত্যন্ত নিন্মমানের কাজ করেছে সেতু এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মারুফ হোসেন। তারা বলেন, যখন কাজটি শুরু করে তখন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন। পরে কিছু সময়ের জন্যে কাজ বন্ধ রাখলেও রাতের আধারে ঢালাই দিয়ে নিচের মূল ভিত্তি কোনমতে তুলে ফেলে। স্থানীয়দের দাবী, সেতুটির অর্থ বরাদ্ধ হয়েছে ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার, ৪৩৬টাকা। মোট বরাদ্ধের অর্ধেক টাকাও খরচ করেনি সেতু এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মারুফ হোসেন। এ বিষয়ে ঠিকাদার মারুফ হোসেনের কাছে সেতু ধ্বসের কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেতু নির্মাণের জায়গাটি সঠিক ছিলোনা। স্থানীয়দের বাধার মুখে অনুপযুক্ত স্থানে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় ধ্বসে গেছে। এদিকে বছর না যেতেই সম্পূর্ণরুপে ব্রীজটি ধ্বসে পড়াই দুর্ভোগে পড়েছে এই সেতুটির উপর নির্ভরশীল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ। পাশাপাশি ব্রীজটি ধ্বসে পড়ায় পানির স্রোত ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়ে বেশ কিছু বাড়ীও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায়। সেতুর বিষয়ে জানতে চাইলে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ইতিমধ্যে সেতুটি পুনঃমেরামত করতে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। আশাকরি সেতুটি পুনঃনির্মাণ করা হবে।

Shares