আজ শুক্রবার , ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান বাউফলে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পেল ২৬২ দুস্থ পরিবার হালুয়াঘাটে ১০৮০ টাকায় এম্ভুলেন্স সেবা। উদ্ভোধন করলেন এমপি জুয়েল আরেং হালুয়াঘাট ডোবা থেকে বৃদ্ধা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতিকে হুমকি বাউফলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার হালুয়াঘাটে গত দুইদিনে তিন নারীর আত্মহত্যা! হালুয়াঘাটে পারিবারিক দ্বন্ধে দুই নারীর আত্মহত্যা! হালুয়াঘাটে পারিবারিক দ্বন্ধে দুই নারীর আত্মহত্যা করোনা সন্দেহে লাশ নেয়নি পরিবার, দাফন করল ছাত্রলীগ বাউফলে ইশা ছাত্র আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ভিক্ষুক সালেমুন নেছার বাড়িতে ইউ.এন.ও ভিক্ষুক সালেমুন নেছা’র আজও হয়নি পুনর্বাসন

উদ্ভোধনের বছর না পেরোতেই হালুয়াঘাটে ৩২ লক্ষাধিক টাকার সেতু ধ্বস

প্রকাশিতঃ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৬, ২০২১ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৮০ বার

ওমর ফারুক সুমন: উদ্ভোধনের এক বছর না পেরোতেই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ৩২ লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতু ধ্বসে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছে আশপাশের ৪/৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয়রা বলছে নিন্ম মানের কাজ করায় এ ধ্বসের মূল কারন। জানা যায়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে হালুয়াঘাটের ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের গোপীনগর ছোবান মেম্বারের বাড়ির পাশে খালের উপর ৩২ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় ৩৬ ফুট দীর্ঘ সেতু। যা ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করেন স্থানীয় সাংসদ জুয়েল আরেং। জানা যায়, ফুলপুর উপজেলার মেসার্স সেতু এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ব্রীজটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ব্রীজটির কাজ আরম্ভের শুরুতেই নিন্মমানের কাজ করায় স্থানীয়রা দাবী করেন। কিন্তু ঠিকাদার মারুফ হোসেন তার প্রভাব খাটিয়ে কোনমতে ব্রীজটি নির্মাণ করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে যান। গোপীনগর গ্রামের ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন ফকির (৬৫), আব্দুল খালেক (৫৫), আব্দুল মজিদ (৭০), আজিজুল (৪৫) বলেন, অত্যন্ত নিন্মমানের কাজ করেছে সেতু এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মারুফ হোসেন। তারা বলেন, যখন কাজটি শুরু করে তখন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন। পরে কিছু সময়ের জন্যে কাজ বন্ধ রাখলেও রাতের আধারে ঢালাই দিয়ে নিচের মূল ভিত্তি কোনমতে তুলে ফেলে। স্থানীয়দের দাবী, সেতুটির অর্থ বরাদ্ধ হয়েছে ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার, ৪৩৬টাকা। মোট বরাদ্ধের অর্ধেক টাকাও খরচ করেনি সেতু এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মারুফ হোসেন। এ বিষয়ে ঠিকাদার মারুফ হোসেনের কাছে সেতু ধ্বসের কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেতু নির্মাণের জায়গাটি সঠিক ছিলোনা। স্থানীয়দের বাধার মুখে অনুপযুক্ত স্থানে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় ধ্বসে গেছে। এদিকে বছর না যেতেই সম্পূর্ণরুপে ব্রীজটি ধ্বসে পড়াই দুর্ভোগে পড়েছে এই সেতুটির উপর নির্ভরশীল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ। পাশাপাশি ব্রীজটি ধ্বসে পড়ায় পানির স্রোত ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়ে বেশ কিছু বাড়ীও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায়। সেতুর বিষয়ে জানতে চাইলে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ইতিমধ্যে সেতুটি পুনঃমেরামত করতে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। আশাকরি সেতুটি পুনঃনির্মাণ করা হবে।

Shares