আজ রবিবার , ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন

কামার পাড়ায় আগের মত নেই হাকডাক

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৩, ২০২১ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৭৮ বার

ওমর ফারুক সুমনঃ প্রখর আগুনের তাপে শরিরের ঘাম জড়িয়ে রাতদিন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে কর্মকাররা। কোরবানীর পশু জবাইসহ সংসারের নিত্যদিনের কাজ করার জন্যে দা, ছুড়ি, চাকু তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তারা। বিশেষ করে কোরবানীর ঈদ আসলে তাদের আয়টা বেড়ে যায়। সেই সাথে ব্যস্তটাও বেড়ে যায় কয়েকগুন। কিন্তু বরাবরের মত এইবার কামার পাড়ায় আগের মত নেই হাকডাক। ক্রেতার তেমন চাপও নেই। এইবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্নরকম। দু’একজন আসলেও পুরাতন ছুরি বা চাকুটা একটু মেরামত করতে আসছে। একেতো ক্রেতার তেমন চাপ নেই, অন্যদিকে সংসার চালাতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে কর্মকারদের। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কামার পাড়ায় কর্মকারদের সাথে কথা বললে মেলে এমন তথ্য। কর্মকাররা জানান, কোরবানীর ঈদ আসলেই দা, ছুড়ি, চাকু তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়তো ক্রেতারা। এইবারের চিত্র সম্পূর্ণ উলটো। কোরবানীর ঈদ ঘনিয়ে আসলেও ময়মনসিংহে কয়েক শতাধিক কর্মকার অলস সময় পার করছে। হালুয়াঘাটেও একই চিত্র। ক্রেতাদের তেমন কোনো চাপ না থাকায় সংসার চালাতেও কষ্ট হচ্ছে তাদের। উত্তর খয়রাকুড়ি গ্রামের শ্যামল কর্মকার (৫৫) বলেন, ঈদ ঘনিয়ে আসলেও ক্রেতা নেই। আগে প্রতিদিন ২/৩ হাজার টাকা বেচাকেনা করতে পারতাম। এখন মাত্র ১/২ শত টাকা বেঁচতে পারি। বাদল কর্মকার (৪৫) বলেন, সংসার চলেনা। খুবই বাজে অবস্থা। লকডাউনের কারনে লোকজন আসেনা। রঘুনাথপুর গ্রামের জীবন কর্মকার (৫০) ও বিপ্লব কর্মকার (৩৫) বলেন, লোহার দাম বেড়ে গেছে। দু’চারজন আসলেও পুরাতন কাজ নিয়ে আসে। নতুন করে কেউ দা, ছুড়ি, চাকু তৈরি করতে দেয়না। কর্মকারদের দাবী, ঈদকে সামনে রেখে রাত্রী পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান চালানোর সুযোগ চান সকলেই। তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবেন এমন দাবী তাদের। ঈদের সামনে অন্তত মানবিক দিক বিবেচনায় কর্মকারদের প্রতি সহানুভূতির দৃষ্টি দেয়ার দাবী সচেতন মহলের।

Shares