আজ মঙ্গলবার , ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে ১২শত মানুষের মাঝে ‘প্রিন্সে’র শীত বস্ত্র বিতরণ পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে নিহত ১ ময়মনসিংহের ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি ভর্তির লটারীর ড্র অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ত্রিশাল কুড়াগাছা রাস্তার বেহাল দশা ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার বাতিলকৃত নির্বাচন ১৪ই ফেব্রুয়ারী আর কলেজে ভর্তি হওয়া হলো না নুসরাতের দুইবারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নয়, হাইকোর্টের রায় স্টামফোর্ড সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি হলেন বাউফলের মাজহারুল তামিম বাউফল প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহন বাউফলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত যাত্রীবাহি বাসে অজ্ঞান পার্টির ৫ জন ধৃত বাউফলে গোদরোগ প্রতিরোধে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু এনাম ডেন্টাল কেয়ার পরিবার গভীর ভাবে শোকাহত বাবলুর মৃত্যুতে

বাউফল পল্লীবিদুৎ অফিসে জনবল সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

প্রকাশিতঃ ৯:১০ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৩, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯ বার

তোফাজ্জেল হোসেন,বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: জনবল কাঠামোর সংকটে ভোগান্তির শিকার হ”েছন পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের লক্ষাধিক গ্রাহকরা। এ উপজেলায় সরকার শতভাগ বিদুৎতায়ন করার কার্যক্রম হাতে নেয়ায় গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে। কিন্ত সেই অনুপাতে জনবল কাঠামো বাড়ানো হ”েছ না। পুরাতন জনবল কাঠামো দিয়েই চলছে অতিরিক্ত গ্রাহকদের সেবা কার্যক্রম । ফলে জনবল সংকটে ব্যহত হ”েছ বিদুৎ সেবা।
পল্লীবিদুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাউফল উপজেলায় বিদুতের গ্রাহক সংখ্যা এক লক্ষ ৫ হাজার। এই গ্রাহকদের বিদুৎ সেবা প্রদানে ৪৪ জন লাইন ম্যানের প্রয়োজন হলেও আছে ২৯ জন। অভিযোগ কেন্দ্রের প্রয়োজন ৭ হাজারে ১ জন করে মোট ১৫ টি । সেখানে রয়েছে মাত্র ৪ টি । এজিএম(কম) আছে ১ জন, প্রোকৌশলী আছে ৩ জন । বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা অনুসারে আরো এজিএম(কম) ও প্রোকৌশলী প্রয়োজন যা জনবল কাঠামোতে নেই। বিলিং ও মিটার রিডার প্রয়োজন ৫৭ জন, কিš‘ কাজ করছে ৩৬ জন। এই স্বল্প সংখ্যক জনবল দিয়ে গ্রাহক সেবা প্রদান করতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হ”েছ পল্লীবিদুৎ কর্তৃপক্ষকে।
পল্লীবিদুতের গ্রাহক বাউফল পৌরসভার হাসপাতাল রোড¯’ হেলথ কেয়ার ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের ব্যব¯’াপনা পরিচালক মোঃ জলিলুর রহমান বলেন, কারনে অকারনে প্রায়ই বিদুৎ চলে যায়। এরপর আবার ফিরে আসতে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পাড় হয়ে যায়। এ সময়ে জেনারেটার দিয়ে ডায়াগনষ্টিক ও ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। যা অনেক ব্যয়বহুল। ফলে ভোগান্তিসহ অর্থনৈতিক লোকসানে পড়তে হ”েছ আমাদের। অথচ এ ব্যাপারে পল্লীবিদুৎ কর্তৃপক্ষ কোন ভুমিকা নি”েছ না বলে মনে হ”েছ।
পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) এ.কে আজাদ বলেন, শতভাগ বিদুতায়নের ফলে যেভাবে গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে সেই হারে জনবলকাঠামো বাড়েনি। তাই জনবল সংকটে আমারা গ্রাহকদের কাঙ্খিত বিদুৎ সেবা দিতে পারছি না। কোন কারনে বিদুতের সমস্যা দেখা দিলে জনবলের অভাবে বিদুতের লাইন পুনরায় সচল করতে অনেক সময় লেগে যায়। কাঙ্খিত বিদুৎসেবা প্রদান করতে হলে অবশ্যই নতুন করে জনবলকাঠামো বাড়াতে হবে। বিদুতের এই ভোগান্তি নিরসনে জনবল কাঠামো বৃদ্ধি করার জন্য পল্লীবিদুতের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Shares