আজ শুক্রবার , ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান বাউফলে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পেল ২৬২ দুস্থ পরিবার হালুয়াঘাটে ১০৮০ টাকায় এম্ভুলেন্স সেবা। উদ্ভোধন করলেন এমপি জুয়েল আরেং হালুয়াঘাট ডোবা থেকে বৃদ্ধা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতিকে হুমকি বাউফলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার হালুয়াঘাটে গত দুইদিনে তিন নারীর আত্মহত্যা! হালুয়াঘাটে পারিবারিক দ্বন্ধে দুই নারীর আত্মহত্যা! হালুয়াঘাটে পারিবারিক দ্বন্ধে দুই নারীর আত্মহত্যা করোনা সন্দেহে লাশ নেয়নি পরিবার, দাফন করল ছাত্রলীগ বাউফলে ইশা ছাত্র আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ভিক্ষুক সালেমুন নেছার বাড়িতে ইউ.এন.ও ভিক্ষুক সালেমুন নেছা’র আজও হয়নি পুনর্বাসন

বাউফল পল্লীবিদুৎ অফিসে জনবল সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

প্রকাশিতঃ ৯:১০ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৩, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৪৯ বার

তোফাজ্জেল হোসেন,বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: জনবল কাঠামোর সংকটে ভোগান্তির শিকার হ”েছন পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের লক্ষাধিক গ্রাহকরা। এ উপজেলায় সরকার শতভাগ বিদুৎতায়ন করার কার্যক্রম হাতে নেয়ায় গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে। কিন্ত সেই অনুপাতে জনবল কাঠামো বাড়ানো হ”েছ না। পুরাতন জনবল কাঠামো দিয়েই চলছে অতিরিক্ত গ্রাহকদের সেবা কার্যক্রম । ফলে জনবল সংকটে ব্যহত হ”েছ বিদুৎ সেবা।
পল্লীবিদুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাউফল উপজেলায় বিদুতের গ্রাহক সংখ্যা এক লক্ষ ৫ হাজার। এই গ্রাহকদের বিদুৎ সেবা প্রদানে ৪৪ জন লাইন ম্যানের প্রয়োজন হলেও আছে ২৯ জন। অভিযোগ কেন্দ্রের প্রয়োজন ৭ হাজারে ১ জন করে মোট ১৫ টি । সেখানে রয়েছে মাত্র ৪ টি । এজিএম(কম) আছে ১ জন, প্রোকৌশলী আছে ৩ জন । বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা অনুসারে আরো এজিএম(কম) ও প্রোকৌশলী প্রয়োজন যা জনবল কাঠামোতে নেই। বিলিং ও মিটার রিডার প্রয়োজন ৫৭ জন, কিš‘ কাজ করছে ৩৬ জন। এই স্বল্প সংখ্যক জনবল দিয়ে গ্রাহক সেবা প্রদান করতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হ”েছ পল্লীবিদুৎ কর্তৃপক্ষকে।
পল্লীবিদুতের গ্রাহক বাউফল পৌরসভার হাসপাতাল রোড¯’ হেলথ কেয়ার ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের ব্যব¯’াপনা পরিচালক মোঃ জলিলুর রহমান বলেন, কারনে অকারনে প্রায়ই বিদুৎ চলে যায়। এরপর আবার ফিরে আসতে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পাড় হয়ে যায়। এ সময়ে জেনারেটার দিয়ে ডায়াগনষ্টিক ও ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। যা অনেক ব্যয়বহুল। ফলে ভোগান্তিসহ অর্থনৈতিক লোকসানে পড়তে হ”েছ আমাদের। অথচ এ ব্যাপারে পল্লীবিদুৎ কর্তৃপক্ষ কোন ভুমিকা নি”েছ না বলে মনে হ”েছ।
পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) এ.কে আজাদ বলেন, শতভাগ বিদুতায়নের ফলে যেভাবে গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে সেই হারে জনবলকাঠামো বাড়েনি। তাই জনবল সংকটে আমারা গ্রাহকদের কাঙ্খিত বিদুৎ সেবা দিতে পারছি না। কোন কারনে বিদুতের সমস্যা দেখা দিলে জনবলের অভাবে বিদুতের লাইন পুনরায় সচল করতে অনেক সময় লেগে যায়। কাঙ্খিত বিদুৎসেবা প্রদান করতে হলে অবশ্যই নতুন করে জনবলকাঠামো বাড়াতে হবে। বিদুতের এই ভোগান্তি নিরসনে জনবল কাঠামো বৃদ্ধি করার জন্য পল্লীবিদুতের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Shares