আজ রবিবার , ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান

হালুয়াঘাটে নবান্নকে ঘিরে পিঠা পুলির উৎসব!

প্রকাশিতঃ ৬:০৩ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০১, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৮২ বার

ওমর ফারুক সুমন: ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমিতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে নবান্ন উৎসব। সোমবার উপজেলা কৃষি অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের বতিক্রমী এ আয়োজনে সীমান্ত এলাকায় খ্রীষ্ট সম্প্রদায়ের লোকদের মাঝে বিরাজ করে অন্য রকম আমেজ। পিঠা পুলি খেতে দর্শকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জন্যে নির্মিত কালচারাল একাডেমির পাঙ্গন। উৎসবের আয়োজক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম ও কৃষি অফিসার মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গারো সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে নবান্ন উৎসব। তাই দিনটি উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী ভাবে পালন করা হয়েছে দিনটিকে। নমূনা শস্য কর্টন ধান কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম ও কৃষি অফিসার মোঃ মাসুদুর রহমান। পরে পিঠা-পুলির আয়োজনে উৎসবটির মূল প্রাণ সঞ্চার করেন নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের একমাত্র সাংসদ মিষ্টার জুয়েল আরেং এমপি। নবান্ন উৎসব হচ্ছে সকল উৎসবের শিকড় এই ধারনা থেকেই মূলত আয়োজন করা হয় নবান্নের অনুষ্ঠানটি। ফলে গারো সম্প্রদায়ের লোকেরা নেচে-গেয়ে আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে পালন করে থাকে নবান্নের এ উৎসবটি, এমন মন্তব্য আয়োজকদের। নবান্নের উৎসব পালন করা ছাড়া উৎসবের পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনা। তাই নতুন ধান ঘরে তোলার সাথে সাথেই সৃষ্টি কর্তার স্বরণে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয় বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সাংসদ মিষ্টার জুয়েল আরেং এমপি। প্রতি বছর সীমান্ত অঞ্চলে বাঙ্গালীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি গারো সম্প্রদায়ের হাজারো নারী পুরুষের মিলন মেলায় পরিনত হয় এ উৎসব। এ উৎসব গারো সম্প্রদায়ের জীবন মানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এমটাই প্রত্যাশা তাদের। নবান্ন উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক সায়েম, হালুয়াঘাট ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড তানভির আহমেদ, ওসি মোঃ মাহমুদুল হাসান, কবি ও লেখক জেমস জর্ণেশ চিরাণ, ট্রাইব্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ভদ্র ম্রং, অধ্যক্ষ আব্দুল কাদির, কবি ও অধ্যাপক জালাল উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্যরা।

Shares