আজ রবিবার , ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বরিশাল বিভাগের সেরা সম্পাদক হিসেবে সম্মাননা পেলেন দৈনিক দ্বীপাঞ্চল সম্পাদক ইউটিউবে ঝড় তুললেন ৭ বছরের “জারা” ৯ বৎসর পেরিয়েও হচ্ছেনা হালুয়াঘাটের দুই ইউপি’র নির্বাচন ত্রিশালে এটিএম সিআরএম বুথ এর শুভ উদ্বোধন – উপ নির্বাচন. ইউপি সদস্যসহ আটক ৪ হালুয়াঘাটে পৃথক স্থানে ট্রাক চাপায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুইজনের মৃত্যু গৌরিপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক-২ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে মানববন্ধন বগুড়ার শেরপুরে গ্রাম্য শালিশ বৈঠক নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন চেয়ারম্যান ইরাদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বরগুনায় শিশু অপহরণকারী আজিমের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বরগুনার তালতলীতে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক সোবহান গ্রেফতার অনিয়ম দূর্নীতির আখড়া রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল বিভাগীয় পে এন্ড ক‍্যাশ অফিস পর্ব-১

ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিতঃ ২:২৪ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৮, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৪ বার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার বেগম বলেন, ১লা অক্টোবর তার ৭ বছরের শিশু সাজ্জাদের এপেন্ডিসাইডের ব্যথা উঠলে নগরীর চরপাড়ার ব্রাহ্মপল্লী এলাকার রেজিয়া ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান তার ক্লিনিকে দ্রæত ভর্তি হওয়ার কথা বলেন।
ভর্তি হওয়ার পর ওই রাতেই অপারেশন করতে হবে বলেন ক্লিনিক মালিক হাসানুজ্জামান ও তার স্ত্রী পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন। পরে অপারেশন করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জন ডিসি বর্মণ ও অজ্ঞানের ডাক্তার টিকে সাহা এবং ডাক্তার প্রীতি রঞ্জন রায়।তাড়াহুড়া করে অপারেশন করে ডাক্তাররা চলে গেলে ছেলের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তখন ক্লিনিকের লোকজনের সহযোগিতা চাইলে কেউ তাদের সহযোগিতা করেনি। ছেলের খারাপ অবস্থার জন্য তারা কোন দায়ভার নিবেনা বলে ভোর রাতে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্লিনিক থেকে বের করে দেয়। পরে ছেলেকে কোলে করে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। ছেলে মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি করলে মামলাসহ বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকী দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। দুই ছেলে নিয়েই মানুষের বাড়িতে কাজ করে তার সংসার চলতো। অপারেশনের টাকাও ঋণ করে দিয়ে ছিলেন। ছেলে মারা গেলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের সহযোগিতা বা শান্তনা দেয়নি। চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করলে ছেলের লাশ কাটা ছেড়া করতে হবে বলে, তাই তাড়াতাড়ি দাফন করার কথা বলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন আনোয়ারা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ছাড়াও নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

Shares