আজ রবিবার , ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান

ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিতঃ ২:২৪ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৮, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৯৭ বার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার বেগম বলেন, ১লা অক্টোবর তার ৭ বছরের শিশু সাজ্জাদের এপেন্ডিসাইডের ব্যথা উঠলে নগরীর চরপাড়ার ব্রাহ্মপল্লী এলাকার রেজিয়া ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান তার ক্লিনিকে দ্রæত ভর্তি হওয়ার কথা বলেন।
ভর্তি হওয়ার পর ওই রাতেই অপারেশন করতে হবে বলেন ক্লিনিক মালিক হাসানুজ্জামান ও তার স্ত্রী পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন। পরে অপারেশন করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জন ডিসি বর্মণ ও অজ্ঞানের ডাক্তার টিকে সাহা এবং ডাক্তার প্রীতি রঞ্জন রায়।তাড়াহুড়া করে অপারেশন করে ডাক্তাররা চলে গেলে ছেলের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তখন ক্লিনিকের লোকজনের সহযোগিতা চাইলে কেউ তাদের সহযোগিতা করেনি। ছেলের খারাপ অবস্থার জন্য তারা কোন দায়ভার নিবেনা বলে ভোর রাতে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্লিনিক থেকে বের করে দেয়। পরে ছেলেকে কোলে করে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। ছেলে মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি করলে মামলাসহ বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকী দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। দুই ছেলে নিয়েই মানুষের বাড়িতে কাজ করে তার সংসার চলতো। অপারেশনের টাকাও ঋণ করে দিয়ে ছিলেন। ছেলে মারা গেলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের সহযোগিতা বা শান্তনা দেয়নি। চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করলে ছেলের লাশ কাটা ছেড়া করতে হবে বলে, তাই তাড়াতাড়ি দাফন করার কথা বলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন আনোয়ারা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ছাড়াও নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

Shares