আজ শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

রিফাত হত্যা রায় ৩০ সেপ্টেম্বর ! মিন্নির সাজা হবে কি? টাংগাইল সদরের (বুরো এনজিও) কর্মকর্তা খুন। মতলব উত্তরে আধুনিক প্রযুক্তিতে বীজ উৎপাদন সংরক্ষনে মাঠ দিবস অনুষ্টিত টাংগাইলে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিটন কে কুপিয়ে হত্যা চেস্টা। টাংগাইলে চতুর্থ শ্রেণির (১০) এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা। রাঙ্গাবালীতে বিয়ের প্রতিশ্রæতিতে প্রতারণার অভিযোগ, চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হালুয়াঘাটে বিজিবি’র পিটুনিতে আহত-১ প্রশ্নবিদ্ধ টি.এইচ.ও ডা. সোহেলী শারমিন! কোটি টাকার দূর্ণীতির নেপথ্যে–? হালুয়াঘাটে নারী সোর্স সুমিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ বাউফলে এক ব্যক্তির চোখ উৎপাটন হালুয়াঘাটে সুমী’র অপকর্ম ফাঁস! প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮২৭ রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত সভাপতির হুমকিতে ৫ সাংবাদিক এলাকাছাড়া করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু মসজিদে এসি বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২৮

চট্টগ্রামে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশিতঃ ৮:২৪ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৬ বার

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার পুরাতন চান্দগাঁও এলাকার রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়িতে ভাড়া বাসায় মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সোমবার দিনগত রাত ১০টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহতদের নাম গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ছেলে রিফাত (৯) বলে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার।
তিনি জানান, নিহত মা ও ছেলের গলায় রক্তাক্ত ক্ষত আছে। তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে সেটা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তবে খুনের শিকার গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরী এই হত্যাকান্ডের জন্য তার মায়ের পাতানো ভাই জনৈক ফারুককে দায়ী করছেন।
ময়ূরী জানান, বহদ্দারহাটের সিরাজের ছেলে ফারুকের সাথে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ফারুকের সাথে গুলনাহার বেগমের পাতানো ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল।
পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ফারুক অবসর সময়ে গুলনাহারের বানানো নাস্তা বিক্রি করতো। লকডাউনের সময়েই একইভাবে বিরিয়ানি বিক্রি করছিল ফারুক। ফারুক বিভিন্ন সময়ে টাকার লেনদেন নিয়ে গুলনাহারকে হত্যার হুমকি দিতো।
স্থানীয়রা জানান, গুলনাহারের বাড়ি নোয়াখালীতে। তার স্বামী গৃহকর্মী হিসেবে অন্যত্র কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি তাদের সাথে থাকেন না। ভাড়া বাসায় এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন গুলনাহার বেগম। প্রতিদিনের মতো গোল নাহারের মেয়ে সকালে গার্মেন্টে চলে যান। বাসায় ছিলো মা ও ছেলে।
চাকরি শেষে ময়ুরী রাত ৯টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন দরজা খোলা। মেঝেতে মা ও ভাইয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। এসময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

Shares