আজ রবিবার , ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাংবাদিক এনামুল ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মা দিবসের শুভেচ্ছা ময়মনসিংহের এিশালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় ইফতার হালুয়াঘাটে আরব আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ শত মানুষ পেল ঈদ উপহার হালুয়াঘাটে রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন মর্ডান স্পোটিং ক্লাবের দোয়া ও ইফতার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা কায়েসের ঈদ উপহার সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন আজ শফিকুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ত্রিশাল ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ হালুয়াঘাটে কৃষকের ধান কাটলেন এমপি হালুয়াঘাটে কর্মহীন মানুষের মাঝে রুবেলে’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ! করোনাঃ মৃত্যুর মিছিলে ১৫৪ চিকিৎসক বাউফলে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মাঝে বিনামূল্যে স্যালাইন বিতরণ বাউফলে টাকা চুরি’র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে কুপিয়ে জখম

চট্টগ্রামে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশিতঃ ৮:২৪ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৭২ বার

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার পুরাতন চান্দগাঁও এলাকার রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়িতে ভাড়া বাসায় মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সোমবার দিনগত রাত ১০টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহতদের নাম গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ছেলে রিফাত (৯) বলে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার।
তিনি জানান, নিহত মা ও ছেলের গলায় রক্তাক্ত ক্ষত আছে। তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে সেটা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তবে খুনের শিকার গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরী এই হত্যাকান্ডের জন্য তার মায়ের পাতানো ভাই জনৈক ফারুককে দায়ী করছেন।
ময়ূরী জানান, বহদ্দারহাটের সিরাজের ছেলে ফারুকের সাথে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ফারুকের সাথে গুলনাহার বেগমের পাতানো ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল।
পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ফারুক অবসর সময়ে গুলনাহারের বানানো নাস্তা বিক্রি করতো। লকডাউনের সময়েই একইভাবে বিরিয়ানি বিক্রি করছিল ফারুক। ফারুক বিভিন্ন সময়ে টাকার লেনদেন নিয়ে গুলনাহারকে হত্যার হুমকি দিতো।
স্থানীয়রা জানান, গুলনাহারের বাড়ি নোয়াখালীতে। তার স্বামী গৃহকর্মী হিসেবে অন্যত্র কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি তাদের সাথে থাকেন না। ভাড়া বাসায় এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন গুলনাহার বেগম। প্রতিদিনের মতো গোল নাহারের মেয়ে সকালে গার্মেন্টে চলে যান। বাসায় ছিলো মা ও ছেলে।
চাকরি শেষে ময়ুরী রাত ৯টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন দরজা খোলা। মেঝেতে মা ও ভাইয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। এসময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

Shares