আজ সোমবার , ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ইকোপার্কে বেড়াতে গিয়ে খালু কর্তৃক ভাগ্নী ধর্ষণের শিকার শ্রীবর্দীতে পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু মেয়ের খুনের বিচার চাইলেন বাবা বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নালিতাবাড়ীতে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আজম, সম্পাদক মজিবর নালিতাবাড়ীর নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নিখোঁজ শিক্ষার্থী উদ্ধার নালিতাবাড়ীতে গণহত্যা দিবস পালিত দলিল প্রতি অতিরিক্ত ফি ১০ হাজার টাকা। প্রতিবাদে ধোবাউড়ায় সংবাদ সম্মেলন রামচন্দ্রকুড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা: সংঘর্ষ, গাড়ি ভাংচুর, আহত হালুয়াঘাটে গাছের সাথে শত্রুতা হালুয়াঘাটে আরও ২৯ জন ভূমিহীনকে জমিসহ ঘর প্রদান ময়মনসিংহে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক। প্রধান মন্ত্রীর উপহার চান ভাগ্য বিড়ম্বিত বিধবা রেনুবালা! ২৫ বৎসরেও হয়নি বিলকিছের প্রতিবন্ধী ভাতা

চট্টগ্রামে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশিতঃ ৮:২৪ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯০ বার

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার পুরাতন চান্দগাঁও এলাকার রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়িতে ভাড়া বাসায় মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সোমবার দিনগত রাত ১০টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহতদের নাম গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ছেলে রিফাত (৯) বলে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার।
তিনি জানান, নিহত মা ও ছেলের গলায় রক্তাক্ত ক্ষত আছে। তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে সেটা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তবে খুনের শিকার গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরী এই হত্যাকান্ডের জন্য তার মায়ের পাতানো ভাই জনৈক ফারুককে দায়ী করছেন।
ময়ূরী জানান, বহদ্দারহাটের সিরাজের ছেলে ফারুকের সাথে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ফারুকের সাথে গুলনাহার বেগমের পাতানো ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল।
পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ফারুক অবসর সময়ে গুলনাহারের বানানো নাস্তা বিক্রি করতো। লকডাউনের সময়েই একইভাবে বিরিয়ানি বিক্রি করছিল ফারুক। ফারুক বিভিন্ন সময়ে টাকার লেনদেন নিয়ে গুলনাহারকে হত্যার হুমকি দিতো।
স্থানীয়রা জানান, গুলনাহারের বাড়ি নোয়াখালীতে। তার স্বামী গৃহকর্মী হিসেবে অন্যত্র কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি তাদের সাথে থাকেন না। ভাড়া বাসায় এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন গুলনাহার বেগম। প্রতিদিনের মতো গোল নাহারের মেয়ে সকালে গার্মেন্টে চলে যান। বাসায় ছিলো মা ও ছেলে।
চাকরি শেষে ময়ুরী রাত ৯টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন দরজা খোলা। মেঝেতে মা ও ভাইয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। এসময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

Shares