আজ বৃহস্পতিবার , ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮ ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করোনাঃ হালুয়াঘাটে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু, ১৩৬ জনের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হালুয়াঘাটে করোনার প্রথম টিকা নিলেন ইউ.এন.ও রেজাউল করিম বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

বাউফলে ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ, জনদুর্ভোগ

প্রকাশিতঃ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১০, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৯৪ বার

বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল ও নওমালা সড়কের ভিডিসি বাজার সংলগ্ন খালের উপর একটি গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে । এর ফলে সাধারন মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। মেসার্স সম্পা কনকট্রাকশনের নামে পটুয়াখালীর জনৈক এনায়েত হোসেন এই গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণ কাজ করছেন।
জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ইং অর্থ বছরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় ওই সড়কের ভিডিসি সংলগ্ন খালের উপর ২ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৮০ টাকা ব্যয়ে ২৫ মিটার দৈর্ঘ, ৭ পয়েন্ট ৩ মিটার প্রস্থর এবং ৪ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য গত বছর অক্টোবর মাসে দরপত্র আহবান করা হয়। কার্যদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়া কথা থাকালে তা করা হয়নি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চলতি বছর জানুয়ারি মাস থেকে ব্রিজটির নির্মাণ শুরু করেন। ব্রিজটির ৬০ ভাগ কাজ শেষ হলেও মে মাস থেকে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। বিকল্প পথে যাতায়তের জন্য ওই নির্মাণাধিন ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দেয়া হলেও বর্তমানে সেটি বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সেতুটি দেবে গেছে। বর্ষার পানিতে ওই কাঠের সেতুর দুই পাশ ডুবে যাওয়ায় । এ ছাড়াও সেতুটির সংযোগ সড়ক খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ পটুয়াখালী জেলা শহরেরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়ত করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জানাতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাব-কন্ট্রাকটর এনায়েত হোসেনের মুঠো ফোনে কল দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন। পরে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর লাইন কেটে দেন। এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

Shares