আজ শনিবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮ ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

নমুনা না দিয়েও করোনা পজিটিভ!

প্রকাশিতঃ ৯:৩২ অপরাহ্ণ | জুন ২০, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৮৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ মাদারীপুর শহরের পাকদী এলাকায় একব্যক্তি করোনা পরীক্ষার নমুনা না দিলেও তিনি পজিটিভ বলে দাবি করছে মাদারীপুর স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকার ইচাহাক হাওলাদারের ছেলে সিদ্দিক হাওলাদার (২২) করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করেননি। তবে মঙ্গলবার তার মোবাইলে এসএমএস আসে সিদ্দিক করোনা পজিটিভ। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনও তাকে খুঁজতে থাকে। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে সিদ্দিক। তবে স্থানীয়রা হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রকৃত আক্রান্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
সিদ্দিক হাওলাদার বলেন, আমি করোনা পরীক্ষার নমুনা দেইনি। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং আমার কোনো উপসর্গ নেই। কেউ হয়তো আমার মোবাইল নাম্বার দিয়ে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছে। এখন প্রশাসনের লোকজন আমাকে খুঁজছে।
সিদ্দিকের বাবা ইচাহাক হাওলাদার বলেন, আমার ছেলে সুস্থ, তার কোনো উপসর্গ নেই। সে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনাও দেয়নি। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন বলছে আমার ছেলের করোনা হয়েছে। আমি দাবি জানাই করোনা পরীক্ষার জন্য আইডি কার্ড বা জন্মনিবন্ধন যেন নেয়া হয়। এটা করা না হলে অনেকেই অন্যের ফোন নম্বর দিয়ে মানুষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. ইকরাম হোসেন বলেন, এমন হওয়ার সুযোগ নেই। যে পরীক্ষা করেছে তার রিপোর্টই এসেছে।

Shares