আজ শুক্রবার , ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা কায়েসের ঈদ উপহার সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন আজ শফিকুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ত্রিশাল ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ হালুয়াঘাটে কৃষকের ধান কাটলেন এমপি হালুয়াঘাটে কর্মহীন মানুষের মাঝে রুবেলে’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ! করোনাঃ মৃত্যুর মিছিলে ১৫৪ চিকিৎসক বাউফলে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মাঝে বিনামূল্যে স্যালাইন বিতরণ বাউফলে টাকা চুরি’র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে কুপিয়ে জখম মৃত্যুপুরী ভারত শ্মশানে জায়গা না থাকায় গণচিতা ভারতে লুকানো হচ্ছে কোভিডে মৃতের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে মৃত্যু ও শনাক্ত সংখ্যা বাউফলে ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ে ব্যাপক সাড়া করোনা ভাইরাস: দিল্লির হাসপাতালে অক্সিজেন বিপর্যয়ে বহু রোগীর মৃত্যু হালুয়াঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু! বিচ্ছিন্ন মালবাহী পণ্যের গাড়ী

নমুনা না দিয়েও করোনা পজিটিভ!

প্রকাশিতঃ ৯:৩২ অপরাহ্ণ | জুন ২০, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১০৬ বার

অনলাইন ডেস্কঃ মাদারীপুর শহরের পাকদী এলাকায় একব্যক্তি করোনা পরীক্ষার নমুনা না দিলেও তিনি পজিটিভ বলে দাবি করছে মাদারীপুর স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকার ইচাহাক হাওলাদারের ছেলে সিদ্দিক হাওলাদার (২২) করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করেননি। তবে মঙ্গলবার তার মোবাইলে এসএমএস আসে সিদ্দিক করোনা পজিটিভ। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনও তাকে খুঁজতে থাকে। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে সিদ্দিক। তবে স্থানীয়রা হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রকৃত আক্রান্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
সিদ্দিক হাওলাদার বলেন, আমি করোনা পরীক্ষার নমুনা দেইনি। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং আমার কোনো উপসর্গ নেই। কেউ হয়তো আমার মোবাইল নাম্বার দিয়ে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছে। এখন প্রশাসনের লোকজন আমাকে খুঁজছে।
সিদ্দিকের বাবা ইচাহাক হাওলাদার বলেন, আমার ছেলে সুস্থ, তার কোনো উপসর্গ নেই। সে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনাও দেয়নি। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন বলছে আমার ছেলের করোনা হয়েছে। আমি দাবি জানাই করোনা পরীক্ষার জন্য আইডি কার্ড বা জন্মনিবন্ধন যেন নেয়া হয়। এটা করা না হলে অনেকেই অন্যের ফোন নম্বর দিয়ে মানুষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. ইকরাম হোসেন বলেন, এমন হওয়ার সুযোগ নেই। যে পরীক্ষা করেছে তার রিপোর্টই এসেছে।

Shares