আজ বুধবার , ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন ত্রিশালে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নমুনা না দিয়েও করোনা পজিটিভ!

প্রকাশিতঃ ৯:৩২ অপরাহ্ণ | জুন ২০, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৬৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ মাদারীপুর শহরের পাকদী এলাকায় একব্যক্তি করোনা পরীক্ষার নমুনা না দিলেও তিনি পজিটিভ বলে দাবি করছে মাদারীপুর স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকার ইচাহাক হাওলাদারের ছেলে সিদ্দিক হাওলাদার (২২) করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করেননি। তবে মঙ্গলবার তার মোবাইলে এসএমএস আসে সিদ্দিক করোনা পজিটিভ। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনও তাকে খুঁজতে থাকে। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে সিদ্দিক। তবে স্থানীয়রা হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রকৃত আক্রান্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি।
সিদ্দিক হাওলাদার বলেন, আমি করোনা পরীক্ষার নমুনা দেইনি। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং আমার কোনো উপসর্গ নেই। কেউ হয়তো আমার মোবাইল নাম্বার দিয়ে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছে। এখন প্রশাসনের লোকজন আমাকে খুঁজছে।
সিদ্দিকের বাবা ইচাহাক হাওলাদার বলেন, আমার ছেলে সুস্থ, তার কোনো উপসর্গ নেই। সে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনাও দেয়নি। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন বলছে আমার ছেলের করোনা হয়েছে। আমি দাবি জানাই করোনা পরীক্ষার জন্য আইডি কার্ড বা জন্মনিবন্ধন যেন নেয়া হয়। এটা করা না হলে অনেকেই অন্যের ফোন নম্বর দিয়ে মানুষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. ইকরাম হোসেন বলেন, এমন হওয়ার সুযোগ নেই। যে পরীক্ষা করেছে তার রিপোর্টই এসেছে।

Shares