আজ বৃহস্পতিবার , ১৩ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের প্রতিবাদে মানববন্ধন বাউফলে ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ, জনদুর্ভোগ হালুয়াঘাটে ব্যতিক্রমীভাবে আদিবাসী দিবস উদযাপন মুক্তাগাছায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৭ জনের মৃত্যু মুক্তাগাছায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৭ জনের মৃত্যু বাউফলে আড়াই মাসে ৩ খুন,আইন শৃংখলার চরম অবনতি শ্রুতিমধুর নয় এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ বাউফলে দুই সন্তানের জনকের লাশ উদ্ধার চোরাবালিতে প্রাণ গেলো দুই যুবকের সিনহা নিহতের ঘটনায় জড়িতদের কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২২ মাস পর টেকনাফ স্বাধীন হলো নিহত যুবলীগ নেতা রুমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস নিয়ে তোলপাড় যুবলীগনেতা ও সেচ্ছাসেবকলীগ কর্মীকে হত্যার ঘটনায় বাউফলে আ’লীগ নেতাকে বহিঃস্কার বাউফলে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি, অতিষ্ঠ জনজীবন হালুয়াঘাটে বর্নাকবলিত এলাকায় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতার ত্রাণ বিতরণ

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৭৭ বার

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

ওমর ফারুক সুমনঃ এক বেটা দুইটা ঢেঁড়ি দিছিলো সেইটা দিয়ায় পতর (ছেহরী) খাইছি। আরেকজনে দুইডা কলা দিছিলো। এভাবেই চাইয়া চুইয়া খাইয়া রোযা রাখি। বয়স অইছে, কহন যে মইরা যাই, কষ্ট অইলেও রোযা ভাঙ্গিনা। পুলা ভাত দেয়না আমারে, আল্লাহি খাওয়াই। ভিক্ষা করি, কেউ দেয় এক মুঠো চাল, কেউ আবার দুর দুর কইরা তাড়াইয়া দেয়।বাবা দেখো, আমার পড়নের কাপড়টা। কত জায়গায় ছিইরা গেছে। আমারে একটা কাপড় কিইনা দিবা বাজান। শনিবার দুপুরে এভাবেই মন্তব্য করেছেন ভিক্ষুক মাজেদা। ৭০ বছর বয়সে এসেও প্রখর রোদে হাতে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হালুয়াঘাট থানা রোডে ভিক্ষা করা অবস্থায় সাক্ষাত মিলে এই বৃদ্ধা নারীর।বয়সের ভারে নুঁইয়ে পড়েছেন তিনি। তথাপিও পেটের ক্ষুধা নামক রাক্ষসটা এমন প্রখর রৌদ্রের মাঝেও ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছে। সৃষ্টি জগতে কত বিচিত্র মানুষ সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন বিচিত্র রকমভাবে। কেউ খেতে না পেরে ফেলে দেয়, আবার কেউ খেতেই পারেনা। অদ্ভুত দুনিয়া! যখন পরিচয় জানতে চাইলাম। ঠিকানা বলেন হালুয়াঘাট প্রশ্চিম বাজারে।দুকাঠা মাটির ভিটে রয়েছে। ছেলে সন্তানরা থাকলেও দেখেনা এমন অভিযোগ এই নারীর।ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে, কিন্তু মায়ের খোঁজ কখনো রাখেনা। এছাড়া পুত্র বধূর উপর বিস্তর অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবী পুত্রবধূর কারনেই তার একটি মাত্র পুত্র সন্তান খাবার দেয়না তাকে। এই বয়সে এসেও একটি রোযাও ভাঙ্গেনি তিনি। নামাজ পড়েন পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু নিয়তি তাকে আজ ভিক্ষুক বানিয়েছে। স্বামী হরমুজ আলী বিশ বছর আগে মারা গেছেন। বিধবা ভাতার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিন চার মাস পর পর পনের শত করে টাকা দেয়, এ দিয়া কি আর চলে। ধার কইরা মাইগা আগেই খেয়ে শেষ হয়ে যায়। পড়নে নেই কাপড়! এই দেহেন ছিড়া কাপড়টা। আমাগর ভাগ্যে সুখ নেই। এই বলে অজোরে কাঁদতে শুরু করলেন তিনি——-

Shares