আজ শনিবার , ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে এক শত গৃহহীন পরিবারকে প্রধান মন্ত্রীর দেয়া ঘর হস্তান্তর হালুয়াঘাটে ১২শত মানুষের মাঝে ‘প্রিন্সে’র শীত বস্ত্র বিতরণ পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে নিহত ১ ময়মনসিংহের ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি ভর্তির লটারীর ড্র অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ত্রিশাল কুড়াগাছা রাস্তার বেহাল দশা ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার বাতিলকৃত নির্বাচন ১৪ই ফেব্রুয়ারী আর কলেজে ভর্তি হওয়া হলো না নুসরাতের দুইবারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নয়, হাইকোর্টের রায় স্টামফোর্ড সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি হলেন বাউফলের মাজহারুল তামিম বাউফল প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহন বাউফলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত যাত্রীবাহি বাসে অজ্ঞান পার্টির ৫ জন ধৃত বাউফলে গোদরোগ প্রতিরোধে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৩৫ বার

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

ওমর ফারুক সুমনঃ এক বেটা দুইটা ঢেঁড়ি দিছিলো সেইটা দিয়ায় পতর (ছেহরী) খাইছি। আরেকজনে দুইডা কলা দিছিলো। এভাবেই চাইয়া চুইয়া খাইয়া রোযা রাখি। বয়স অইছে, কহন যে মইরা যাই, কষ্ট অইলেও রোযা ভাঙ্গিনা। পুলা ভাত দেয়না আমারে, আল্লাহি খাওয়াই। ভিক্ষা করি, কেউ দেয় এক মুঠো চাল, কেউ আবার দুর দুর কইরা তাড়াইয়া দেয়।বাবা দেখো, আমার পড়নের কাপড়টা। কত জায়গায় ছিইরা গেছে। আমারে একটা কাপড় কিইনা দিবা বাজান। শনিবার দুপুরে এভাবেই মন্তব্য করেছেন ভিক্ষুক মাজেদা। ৭০ বছর বয়সে এসেও প্রখর রোদে হাতে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হালুয়াঘাট থানা রোডে ভিক্ষা করা অবস্থায় সাক্ষাত মিলে এই বৃদ্ধা নারীর।বয়সের ভারে নুঁইয়ে পড়েছেন তিনি। তথাপিও পেটের ক্ষুধা নামক রাক্ষসটা এমন প্রখর রৌদ্রের মাঝেও ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছে। সৃষ্টি জগতে কত বিচিত্র মানুষ সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন বিচিত্র রকমভাবে। কেউ খেতে না পেরে ফেলে দেয়, আবার কেউ খেতেই পারেনা। অদ্ভুত দুনিয়া! যখন পরিচয় জানতে চাইলাম। ঠিকানা বলেন হালুয়াঘাট প্রশ্চিম বাজারে।দুকাঠা মাটির ভিটে রয়েছে। ছেলে সন্তানরা থাকলেও দেখেনা এমন অভিযোগ এই নারীর।ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে, কিন্তু মায়ের খোঁজ কখনো রাখেনা। এছাড়া পুত্র বধূর উপর বিস্তর অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবী পুত্রবধূর কারনেই তার একটি মাত্র পুত্র সন্তান খাবার দেয়না তাকে। এই বয়সে এসেও একটি রোযাও ভাঙ্গেনি তিনি। নামাজ পড়েন পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু নিয়তি তাকে আজ ভিক্ষুক বানিয়েছে। স্বামী হরমুজ আলী বিশ বছর আগে মারা গেছেন। বিধবা ভাতার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিন চার মাস পর পর পনের শত করে টাকা দেয়, এ দিয়া কি আর চলে। ধার কইরা মাইগা আগেই খেয়ে শেষ হয়ে যায়। পড়নে নেই কাপড়! এই দেহেন ছিড়া কাপড়টা। আমাগর ভাগ্যে সুখ নেই। এই বলে অজোরে কাঁদতে শুরু করলেন তিনি——-

Shares