আজ রবিবার , ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯৯ বার

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

ওমর ফারুক সুমনঃ এক বেটা দুইটা ঢেঁড়ি দিছিলো সেইটা দিয়ায় পতর (ছেহরী) খাইছি। আরেকজনে দুইডা কলা দিছিলো। এভাবেই চাইয়া চুইয়া খাইয়া রোযা রাখি। বয়স অইছে, কহন যে মইরা যাই, কষ্ট অইলেও রোযা ভাঙ্গিনা। পুলা ভাত দেয়না আমারে, আল্লাহি খাওয়াই। ভিক্ষা করি, কেউ দেয় এক মুঠো চাল, কেউ আবার দুর দুর কইরা তাড়াইয়া দেয়।বাবা দেখো, আমার পড়নের কাপড়টা। কত জায়গায় ছিইরা গেছে। আমারে একটা কাপড় কিইনা দিবা বাজান। শনিবার দুপুরে এভাবেই মন্তব্য করেছেন ভিক্ষুক মাজেদা। ৭০ বছর বয়সে এসেও প্রখর রোদে হাতে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হালুয়াঘাট থানা রোডে ভিক্ষা করা অবস্থায় সাক্ষাত মিলে এই বৃদ্ধা নারীর।বয়সের ভারে নুঁইয়ে পড়েছেন তিনি। তথাপিও পেটের ক্ষুধা নামক রাক্ষসটা এমন প্রখর রৌদ্রের মাঝেও ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছে। সৃষ্টি জগতে কত বিচিত্র মানুষ সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন বিচিত্র রকমভাবে। কেউ খেতে না পেরে ফেলে দেয়, আবার কেউ খেতেই পারেনা। অদ্ভুত দুনিয়া! যখন পরিচয় জানতে চাইলাম। ঠিকানা বলেন হালুয়াঘাট প্রশ্চিম বাজারে।দুকাঠা মাটির ভিটে রয়েছে। ছেলে সন্তানরা থাকলেও দেখেনা এমন অভিযোগ এই নারীর।ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে, কিন্তু মায়ের খোঁজ কখনো রাখেনা। এছাড়া পুত্র বধূর উপর বিস্তর অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবী পুত্রবধূর কারনেই তার একটি মাত্র পুত্র সন্তান খাবার দেয়না তাকে। এই বয়সে এসেও একটি রোযাও ভাঙ্গেনি তিনি। নামাজ পড়েন পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু নিয়তি তাকে আজ ভিক্ষুক বানিয়েছে। স্বামী হরমুজ আলী বিশ বছর আগে মারা গেছেন। বিধবা ভাতার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিন চার মাস পর পর পনের শত করে টাকা দেয়, এ দিয়া কি আর চলে। ধার কইরা মাইগা আগেই খেয়ে শেষ হয়ে যায়। পড়নে নেই কাপড়! এই দেহেন ছিড়া কাপড়টা। আমাগর ভাগ্যে সুখ নেই। এই বলে অজোরে কাঁদতে শুরু করলেন তিনি——-

Shares