আজ বুধবার , ৩রা জুন, ২০২০ ইং | ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে গত ১ মাসে নতুন করে কেউ করোনা আক্রান্ত হয়নি বাউফলে হিন্দু, বৌদ্ধ,খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রিয় বাউল কবি সালাম সরকার কেন্দুয়ায় প্রবীণ সাংবাদিক সন্তোষ সরকারসহ পরিবারের ৫ সদস্য করোনায় আক্রান্ত বাস চালানোর সমালোচনা করায় ডিজিটাল আইনে সাংবাদিক আটক হালুয়াঘাটে বিদ্যুতের তারে জড়ানো অবস্থায় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হালুয়াঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নারীকে বাঁচাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হালুয়াঘাটে ৩২০ টি পরিবারকে বিজিবি’র ঈদ উপহার হালুয়াঘাটে কৌশলে চলছে বেচাকেনা! ৩০ দোকানীকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা বাউফলে শেষ মূহুর্তে কৌশলে চলছে বেচাকেনা শিল্পপতি হাবিবুর রহমান তোতা আর নেই হালুয়াঘাটে চার বীরাঙ্গনাকে ঈদ উপহার হালুয়াঘাটে লকডাউন উপেক্ষা করে বিপণী গুলোতে কেনাকাটার ধুম হালুয়াঘাটে লকডাউন উপেক্ষা করে বিপণী গুলোতে কেনাকাটার ধুম ময়মনসিংহে করোনায় মমেক হাসপাতালের স্টাফ নার্সের মৃত্যু

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৩ বার

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

ওমর ফারুক সুমনঃ এক বেটা দুইটা ঢেঁড়ি দিছিলো সেইটা দিয়ায় পতর (ছেহরী) খাইছি। আরেকজনে দুইডা কলা দিছিলো। এভাবেই চাইয়া চুইয়া খাইয়া রোযা রাখি। বয়স অইছে, কহন যে মইরা যাই, কষ্ট অইলেও রোযা ভাঙ্গিনা। পুলা ভাত দেয়না আমারে, আল্লাহি খাওয়াই। ভিক্ষা করি, কেউ দেয় এক মুঠো চাল, কেউ আবার দুর দুর কইরা তাড়াইয়া দেয়।বাবা দেখো, আমার পড়নের কাপড়টা। কত জায়গায় ছিইরা গেছে। আমারে একটা কাপড় কিইনা দিবা বাজান। শনিবার দুপুরে এভাবেই মন্তব্য করেছেন ভিক্ষুক মাজেদা। ৭০ বছর বয়সে এসেও প্রখর রোদে হাতে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হালুয়াঘাট থানা রোডে ভিক্ষা করা অবস্থায় সাক্ষাত মিলে এই বৃদ্ধা নারীর।বয়সের ভারে নুঁইয়ে পড়েছেন তিনি। তথাপিও পেটের ক্ষুধা নামক রাক্ষসটা এমন প্রখর রৌদ্রের মাঝেও ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছে। সৃষ্টি জগতে কত বিচিত্র মানুষ সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন বিচিত্র রকমভাবে। কেউ খেতে না পেরে ফেলে দেয়, আবার কেউ খেতেই পারেনা। অদ্ভুত দুনিয়া! যখন পরিচয় জানতে চাইলাম। ঠিকানা বলেন হালুয়াঘাট প্রশ্চিম বাজারে।দুকাঠা মাটির ভিটে রয়েছে। ছেলে সন্তানরা থাকলেও দেখেনা এমন অভিযোগ এই নারীর।ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে, কিন্তু মায়ের খোঁজ কখনো রাখেনা। এছাড়া পুত্র বধূর উপর বিস্তর অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবী পুত্রবধূর কারনেই তার একটি মাত্র পুত্র সন্তান খাবার দেয়না তাকে। এই বয়সে এসেও একটি রোযাও ভাঙ্গেনি তিনি। নামাজ পড়েন পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু নিয়তি তাকে আজ ভিক্ষুক বানিয়েছে। স্বামী হরমুজ আলী বিশ বছর আগে মারা গেছেন। বিধবা ভাতার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিন চার মাস পর পর পনের শত করে টাকা দেয়, এ দিয়া কি আর চলে। ধার কইরা মাইগা আগেই খেয়ে শেষ হয়ে যায়। পড়নে নেই কাপড়! এই দেহেন ছিড়া কাপড়টা। আমাগর ভাগ্যে সুখ নেই। এই বলে অজোরে কাঁদতে শুরু করলেন তিনি——-

Shares