আজ শুক্রবার , ১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

খুলনায় বাঘের হামলায় ‘নিহত’ সিরাজুল ফিরলেন জীবিত হালুয়াঘাটে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড খালেদার রোগ মুক্তিতে হালুয়াঘাটে বিএনপি’র দোয়া অসুস্থ্য স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে আসার সময় ট্রাকচাপায় এক প্রকৌশলী নিহত খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় হালুয়াঘাটে বিএনপি’র দোয়া খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হালুয়াঘাটে হেফাজত নেতা মাওঃ মামুনুলকে নিয়ে তর্ক! শিক্ষকের চোখে ঘুষি হালুয়াঘাটে লকডাউনের প্রথম দিনে ৩ জনকে অর্থদন্ড বাউফলে ৭ জনের অর্থদন্ড বরগুনায় আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর উপর হামলা, আহত-১০ ট্রাকে চাপ দিয়ে ছেঁচড়িয়ে নিয়ে যায় ‘অনিক’কে! আরও এক মর্মান্তিক মৃত্যু বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত ইউপি নির্বাচন বাউফলে ২ চেয়ারম্যান ও ১ মেম্বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বাউফলে ২ দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হালুয়াঘাটে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

প্রকাশিতঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৫৭ বার

সেহরির সময় শুধু ঢেঁড়ি ভাঁজী দিয়া ভাত খাইয়া রোযা রাখছি

ওমর ফারুক সুমনঃ এক বেটা দুইটা ঢেঁড়ি দিছিলো সেইটা দিয়ায় পতর (ছেহরী) খাইছি। আরেকজনে দুইডা কলা দিছিলো। এভাবেই চাইয়া চুইয়া খাইয়া রোযা রাখি। বয়স অইছে, কহন যে মইরা যাই, কষ্ট অইলেও রোযা ভাঙ্গিনা। পুলা ভাত দেয়না আমারে, আল্লাহি খাওয়াই। ভিক্ষা করি, কেউ দেয় এক মুঠো চাল, কেউ আবার দুর দুর কইরা তাড়াইয়া দেয়।বাবা দেখো, আমার পড়নের কাপড়টা। কত জায়গায় ছিইরা গেছে। আমারে একটা কাপড় কিইনা দিবা বাজান। শনিবার দুপুরে এভাবেই মন্তব্য করেছেন ভিক্ষুক মাজেদা। ৭০ বছর বয়সে এসেও প্রখর রোদে হাতে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হালুয়াঘাট থানা রোডে ভিক্ষা করা অবস্থায় সাক্ষাত মিলে এই বৃদ্ধা নারীর।বয়সের ভারে নুঁইয়ে পড়েছেন তিনি। তথাপিও পেটের ক্ষুধা নামক রাক্ষসটা এমন প্রখর রৌদ্রের মাঝেও ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছে। সৃষ্টি জগতে কত বিচিত্র মানুষ সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন বিচিত্র রকমভাবে। কেউ খেতে না পেরে ফেলে দেয়, আবার কেউ খেতেই পারেনা। অদ্ভুত দুনিয়া! যখন পরিচয় জানতে চাইলাম। ঠিকানা বলেন হালুয়াঘাট প্রশ্চিম বাজারে।দুকাঠা মাটির ভিটে রয়েছে। ছেলে সন্তানরা থাকলেও দেখেনা এমন অভিযোগ এই নারীর।ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে, কিন্তু মায়ের খোঁজ কখনো রাখেনা। এছাড়া পুত্র বধূর উপর বিস্তর অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবী পুত্রবধূর কারনেই তার একটি মাত্র পুত্র সন্তান খাবার দেয়না তাকে। এই বয়সে এসেও একটি রোযাও ভাঙ্গেনি তিনি। নামাজ পড়েন পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু নিয়তি তাকে আজ ভিক্ষুক বানিয়েছে। স্বামী হরমুজ আলী বিশ বছর আগে মারা গেছেন। বিধবা ভাতার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিন চার মাস পর পর পনের শত করে টাকা দেয়, এ দিয়া কি আর চলে। ধার কইরা মাইগা আগেই খেয়ে শেষ হয়ে যায়। পড়নে নেই কাপড়! এই দেহেন ছিড়া কাপড়টা। আমাগর ভাগ্যে সুখ নেই। এই বলে অজোরে কাঁদতে শুরু করলেন তিনি——-

Shares