আজ বৃহস্পতিবার , ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে কাল্বের ১১তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে দুই মাদক কারবারী আটক- বাউফলে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ফ্রান্সে মহানবী(সঃ) এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বাউফলে মানববন্ধন ব্যারিস্টার রফিক উল হকের মৃত্যুতে ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় পুজা পরিদর্শনে এমরান সালেহ প্রিন্স বরিশাল বিভাগের সেরা সম্পাদক হিসেবে সম্মাননা পেলেন দৈনিক দ্বীপাঞ্চল সম্পাদক ইউটিউবে ঝড় তুললেন ৭ বছরের “জারা” ৯ বৎসর পেরিয়েও হচ্ছেনা হালুয়াঘাটের দুই ইউপি’র নির্বাচন ত্রিশালে এটিএম সিআরএম বুথ এর শুভ উদ্বোধন – উপ নির্বাচন. ইউপি সদস্যসহ আটক ৪ হালুয়াঘাটে পৃথক স্থানে ট্রাক চাপায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুইজনের মৃত্যু গৌরিপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক-২ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে মানববন্ধন

রাজশাহী কারাগারের ৫শ’ বন্দি মুক্তি পাচ্ছেন

প্রকাশিতঃ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৯, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৯৬ বার

৫শ' বন্দি মুক্তি

স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনা পরিস্থিতিতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ৫০০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কারা অধিদফতরে সুপারিশ করেছে রাজশাহী কারাগার কর্তৃপক্ষ। সব ঠিক থাকলে আসছে সপ্তাহের শুরুর দিকে মুক্তি পাবে এসব বন্দিরা।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন।
জেল সুপার জানান, তালিকার বেশিরভাগই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কারও কারও সাজার মেয়াদ শেষ। তালিকায় বিচারাধীন মামলার মাত্র ১৬ জন হাজতি রয়েছেন। তারা ৫১ ও ৫৪ ধারায় গ্রেফতার। পুলিশ অধ্যাদেশে গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনও রয়েছেন। লঘু অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই তারা বন্দি। তবে তালিকায় হত্যা, ধর্ষণ, এসিড মামলার সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি বা আসামিদের রাখা হয়নি।তিনি বলেন, ৩০ বছর কারাদণ্ডকে যাবজ্জীবন সাজা ধরা হয়।

কারাগারে কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়লে ২২ বছরের মতো বন্দি থাকলে যাবজ্জীবন সাজা খাটা শেষ হয়ে যায়। রাজশাহী কারাগারে ১২৮ জন বন্দি আছেন যাদের সাজার মেয়াদ শেষ অথবা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দি আছেন। মুক্তির জন্য তালিকায় রাখা হয়েছে তাদের নাম।জেল সুপার আরও বলেন, কারা অধিদফতর আমাদের কাছে তালিকা চেয়েছে। আমরা তালিকা দিয়েছি। সেটি মন্ত্রণালয়ে যাবে। সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের মুক্তির ব্যাপারে রাষ্ট্র যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু বিচারাধীন মামলার হাজতিদের মুক্তি কেবল আদালতেই হতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালত বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাদের জামিন দিতেও পারেন।
কারা সূত্র জানায়, বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৪০০। অথচ কারাগারে ধারণক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৪৫০ জন। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দিকে ঠাসাঠাসি করে কারাগারে রাখা হচ্ছে। কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুসারে কোনো বন্দি তার সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ খাটলে এবং সেই বন্দির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে তবে সরকার চাইলে বিশেষ সুবিধায় তাকে মুক্তি দিতে পারে। এজন্য রাষ্ট্রপতির কোনো অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। তবে তালিকা খতিয়ে দেখার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর তা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে বন্দিকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়।

Shares