আজ সোমবার , ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ইকোপার্কে বেড়াতে গিয়ে খালু কর্তৃক ভাগ্নী ধর্ষণের শিকার শ্রীবর্দীতে পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু মেয়ের খুনের বিচার চাইলেন বাবা বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নালিতাবাড়ীতে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আজম, সম্পাদক মজিবর নালিতাবাড়ীর নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নিখোঁজ শিক্ষার্থী উদ্ধার নালিতাবাড়ীতে গণহত্যা দিবস পালিত দলিল প্রতি অতিরিক্ত ফি ১০ হাজার টাকা। প্রতিবাদে ধোবাউড়ায় সংবাদ সম্মেলন রামচন্দ্রকুড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা: সংঘর্ষ, গাড়ি ভাংচুর, আহত হালুয়াঘাটে গাছের সাথে শত্রুতা হালুয়াঘাটে আরও ২৯ জন ভূমিহীনকে জমিসহ ঘর প্রদান ময়মনসিংহে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক। প্রধান মন্ত্রীর উপহার চান ভাগ্য বিড়ম্বিত বিধবা রেনুবালা! ২৫ বৎসরেও হয়নি বিলকিছের প্রতিবন্ধী ভাতা

রাজশাহী কারাগারের ৫শ’ বন্দি মুক্তি পাচ্ছেন

প্রকাশিতঃ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৯, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯৬ বার

৫শ' বন্দি মুক্তি

স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনা পরিস্থিতিতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ৫০০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কারা অধিদফতরে সুপারিশ করেছে রাজশাহী কারাগার কর্তৃপক্ষ। সব ঠিক থাকলে আসছে সপ্তাহের শুরুর দিকে মুক্তি পাবে এসব বন্দিরা।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন।
জেল সুপার জানান, তালিকার বেশিরভাগই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কারও কারও সাজার মেয়াদ শেষ। তালিকায় বিচারাধীন মামলার মাত্র ১৬ জন হাজতি রয়েছেন। তারা ৫১ ও ৫৪ ধারায় গ্রেফতার। পুলিশ অধ্যাদেশে গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনও রয়েছেন। লঘু অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই তারা বন্দি। তবে তালিকায় হত্যা, ধর্ষণ, এসিড মামলার সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি বা আসামিদের রাখা হয়নি।তিনি বলেন, ৩০ বছর কারাদণ্ডকে যাবজ্জীবন সাজা ধরা হয়।

কারাগারে কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়লে ২২ বছরের মতো বন্দি থাকলে যাবজ্জীবন সাজা খাটা শেষ হয়ে যায়। রাজশাহী কারাগারে ১২৮ জন বন্দি আছেন যাদের সাজার মেয়াদ শেষ অথবা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দি আছেন। মুক্তির জন্য তালিকায় রাখা হয়েছে তাদের নাম।জেল সুপার আরও বলেন, কারা অধিদফতর আমাদের কাছে তালিকা চেয়েছে। আমরা তালিকা দিয়েছি। সেটি মন্ত্রণালয়ে যাবে। সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের মুক্তির ব্যাপারে রাষ্ট্র যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু বিচারাধীন মামলার হাজতিদের মুক্তি কেবল আদালতেই হতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালত বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাদের জামিন দিতেও পারেন।
কারা সূত্র জানায়, বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৪০০। অথচ কারাগারে ধারণক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৪৫০ জন। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দিকে ঠাসাঠাসি করে কারাগারে রাখা হচ্ছে। কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুসারে কোনো বন্দি তার সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ খাটলে এবং সেই বন্দির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে তবে সরকার চাইলে বিশেষ সুবিধায় তাকে মুক্তি দিতে পারে। এজন্য রাষ্ট্রপতির কোনো অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। তবে তালিকা খতিয়ে দেখার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর তা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে বন্দিকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়।

Shares