আজ বুধবার , ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭

বাউফলে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত এক অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ২

প্রকাশিতঃ ১:২২ অপরাহ্ণ | মার্চ ৩১, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৭৭ বার

বাউফল(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় কয়েক মাদক ব্যবসায়ী হামলা চালিয়ে মোসা. নিলু বেগম (২৭) নামে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। এছাড়াও ওই মাদক ব্যবসায়ীরা ওই নারীর দেবর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন খানকেও (৩০) মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ওই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের হোলাবুনিয়া বাজার এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে।
আহত ওই নারীর স্বামীর নাম মো. আবুল কালাম খান (৩২)। তিনি নওমালা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহত ব্যক্তির স্বামী আবুল কালামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,স্থানীয় মো. কবির হোসেন মৃধা (৩০) কয়েক মাস আগে ২০০ পিচ ইয়াবাবড়িসহ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হন। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সম্প্রতি বের হন। কবির গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনার জন্য আবুল কালামকে দায়ী করে আসছিলেন কবির ও তাঁর লোকজন।
গতকাল সকালে কবিরসহ আরও ছয়-সাতজন হোলাবুনিয়া বাজারের উত্তর পাশে জুয়া খেলছিলেন। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে অপরিচিত এক যুবক মোটরসাইকেলে করে এসে তাঁদের (কবির) সামনে থামে। তখন অদূরে থাকা আবুল কালামের ছোট ভাই স্বাস্থ্য পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন তাঁদের (কবির) উদ্দেশ্য করে বলেন, করোনাভাইরাসের সময় কোনো প্রকার জুয়া কিংবা মাদক কেনা-বেচা চলবে না। সবাই সাবধান হয়ে যাও। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে কবির ও তাঁর লোকজন হেলালকে মারধর করে। হেলাল বাড়ি চলে যান। খবর পেয়ে তাঁর (হেলাল) ভাবি নিলু বেগম ঘর থেকে বের হয়ে এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তখন কবির ও তাঁর ছোট ভাই কামরুল (২৮) এবং সাবেক ইউপি সদস্য মো. হারুন মৃধার (৩২) নেতৃত্বে ছয়-সাতজন হামলা চালিয়ে নিলু বেগমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে চলে যায়।
এ বিষয়ে কবির হোসেনের মুঠোফোনে এশাধিকবার কল করলে তিনি ধরেননি। ক্ষুদেবার্তা দিলেও তিনি ধরেননি। মো. হারুন মৃধা বলেন,‘তাঁরা জুয়া না, তাস খেলছিলেন। এ নিয়ে হেলালের সঙ্গে কবিরের কথা-কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তবে তিনি মারামারি করেননি এবং হেলালের ভাবিকেও কেউ মারেননি।’ তিনি আরও বলেন,কবির নেশা করে তা এলাকার সবাই জানে। নেশা না করলে তাঁর মাথা ঠিক থাকে না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে গ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Shares