আজ বুধবার , ২২শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৯ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

আনন্দ টিভির চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে ময়মনসিংহে দোয়া মাহফিল বিশ্বাস- শিখা গুহ রায় হালুয়াঘাটে জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ আনন্দ টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আব্বাস উল্লাহ শিকদার আর নেই হালুয়াঘাটে মাকে খুন করা সেই বর্বর খুনী পুলিশের হাতে আটক! নালিতাবাড়ীতে মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতির নির্বাচনী প্রচারনা পুলিশের বিশেষ সেবা! জনতার দোরগোড়ায় হালুয়াঘাট থানার পুলিশ নামহীন- শিখা গুহ রায় কোন অজানা শহর–শিখা গুহ রায় খুব কাছে আবার দূরে- শিখা গুহ রায় মন- শিখা গুহ রায় কাল্পনিক- শিখা গুহ রায়। আকাশের দিকে চেয়ে দেখো-শিখা গুহ রায় নিঝুম রাতে- শিখা গুহ রায় ফেলে আসা অতীত- শিখা গুহ রায়

শুভ জন্মদিন- প্রকৃতির পালাবদল আফিফ জাহাঙ্গীর আলি’র কবিতায় ভাস্বর

প্রকাশিতঃ ১:০৮ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ০১, ২০২০ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৬ বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ কথাসাহিত্যিক, কবি ও সাংবাদিক আফিফ জাহাঙ্গীর আলি’র আজ জন্মদিন। ১৯৭৮ সালে ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পাহাড় বেয়ে নেমে আসা কংশ নদের পাড়ে তাঁর জন্ম। আর এ কারণেই হয়তো নৈসর্গ, পাহাড় ও নদী তাঁকে খুব টানে।

মূলত ১৯৯৫ সালে ছাত্রাবস্থায় সাংবাদিক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। তিনি বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাকের মফস্বল প্রতিনিধি। দেড়যুগ আগে ‘ফুলপুরে ফুলচাষ’ ও ‘চড়ুইয়ের ভালোবাসার শহর ফুলপুর’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে ব্যাপক আলোচিত। সংবাদপত্রে কলাম ও ভ্রমণ কাহিনি লিখে বেশ সাড়া পাওয়ায় একসময় তাঁর কবিতা লেখার অনুরাগ তৈরি হয়।

প্রকৃতির নিবিড় টান আর মূর্তমান বর্ণবাদ তাঁর কবিতা ও ভ্রমণ কাহিনিতে অনুপম শৈল্পিকতায় উঠে আসে। প্রকৃতির পালাবদল তাঁর কবিতায় ভাস্বর হয়ে ওঠে। ফলে মাত্র তিন বছর ধরে সাহিত্য সাধনা করে প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে নিজের প্রবল অধিকার তৈরি করে ফেলেছেন। তিনি তাঁর ‘লালচোখে’ কবিতায় লিখেছেন,

“বান ডাকে ভরা যৌবনা কংশ নদী
আকাশ আর জলে নিবিড় মিতালি।
স্ফীত প্রবাহে রূপা বর্ণের মাছ লাফায় জলের ওপর
জলতরঙ্গ উৎসবে দিগ্বিদিক ছুটে গন্তব্যহীন গন্তব্যের দিকে।
পাখি খাদ্যান্বেষণে জলের ওপর কমান্ডো প্রহরীর মহড়া দেয়
যেখানে জল নড়ে শালিক— ফিঙে সেখানেই আহার সন্ধান করে।
ক্ষুধার্ত মাছরাঙ্গা ডালে বসে শিকারের অপেক্ষায়
চঞ্চু বিদ্ধ করে আটকে দেয় বিকেল।
শেষ বিকেলের সোনামাখা রোদের ছানি আবারিত জলরাশিতে রাশি রাশি
সোনাখচিত ঝলমলে পর্দা দিগন্ত বিস্তৃত জল ছায়া
কবুতর ছানার মত কাঁপা তির তির নৈসর্গিক অপরূপ ঢেউ ছলছল।
মহাশোল মাছের লালচোখে থেমে যায় স্রোত;
কী অপরূপ— জলে সোনালি বিকেলের রূপ।
ক্রমশ বিকেলের সোনা রোদ পোড়ে জলে কফি রঙ,
অতঃপর একমুঠো বর্ণীয় সন্ধের আমেজ পকেটে নিয়ে ঘরে ফেরা।”

তিনি ‘নিজ আলয়ের পথে জীবন’ কবিতায় লিখেছেন,

“চোখ বন্ধ—ভাবনার চোখে
জীবন একটি মৃত্যুঞ্জয়ী রথ
চোখ মেলে নিশ্চিত হলাম, তা নয়?
জীবন এক টুকরো বরফখণ্ড
গলে যাওয়াই যার কর্ম
যাপিত জীবনের খাতায় ফিরিস্তি লেখা নেই
শূন্য খাতায় বেড়ে চলেছে পৃষ্ঠা নম্বর
‘ জন্মাবধি জীবন চলছে ফুসফুস কলে’,
যে কোন মুহূর্তে ডিপোর বরাদ্দ বাতাস ফুরিয়ে ‘কল’ বন্ধ হবে
নেই নির্দিষ্ট সীমা, তারিখ, সময় ও অবস্থানস্থল
হায় জীবন!
নশ্বর জীবন বিনে পয়সার মজুদ হাওয়ায়
ছুটে নিজ আলয়ের পথে—
জীবনের শেষ ঠিকানা যেখানে অবধারিত যাত্রা
কিন্তু অবিনশ্বর জীবনের সওদা করতে ভুলে গেছি!”

এদেশের সাহিত্যাকাশে যাঁরাই জ্বলজ্বলে তারার ন্যায় দেদীপ্যমান, তাঁদের অধিকাংশই পেশায় ছিলেন সাংবাদিক। আমার বিশ্বাস আফিফ জাহাঙ্গীর আলিও সে পথেই এগিয়ে

Shares
error: Content is protected !!