আজ রবিবার , ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে এক শত গৃহহীন পরিবারকে প্রধান মন্ত্রীর দেয়া ঘর হস্তান্তর হালুয়াঘাটে ১২শত মানুষের মাঝে ‘প্রিন্সে’র শীত বস্ত্র বিতরণ পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে নিহত ১ ময়মনসিংহের ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি ভর্তির লটারীর ড্র অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ত্রিশাল কুড়াগাছা রাস্তার বেহাল দশা ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার বাতিলকৃত নির্বাচন ১৪ই ফেব্রুয়ারী আর কলেজে ভর্তি হওয়া হলো না নুসরাতের দুইবারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নয়, হাইকোর্টের রায় স্টামফোর্ড সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি হলেন বাউফলের মাজহারুল তামিম বাউফল প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহন বাউফলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত যাত্রীবাহি বাসে অজ্ঞান পার্টির ৫ জন ধৃত বাউফলে গোদরোগ প্রতিরোধে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

বাউফলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ১ম মডেল টেষ্ট পরীক্ষার নামে অর্থ বানিজ্য

প্রকাশিতঃ ১০:১২ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৯, ২০১৯ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯৩ বার

তোফাজ্জেল হোসেন,বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী প্রথম মডেল টেষ্ট পরীক্ষার নামে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রিয়াজুল হকের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়মানুযায়ী অর্ধবার্ষিকী ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার নেয়ার বিধান রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী প্রথম মডেল টেষ্ট পরীক্ষার নামে ওই পরীক্ষা নেয়ার কোন নির্দেশনা নেই। তবুও শুধুমাত্র অর্থ হাতিয়ে নেয়ার উদ্যোশেই প্রথম মডেল টেষ্ট নামে ওই পরীক্ষা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন অধিকাংশ অভিভাবক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পাশ্ববর্তী উপজেলায়ও নেয়া হচ্ছে না প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী প্রথম মডেল টেষ্ট নামে কোন পরীক্ষা। নিয়মানুযায়ী সম্পূর্ন সিলেবাস শেষ হওয়ার পর চুড়ান্ত মডেল টেষ্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু প্রথম সাময়িক পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে গত ৬ জুলাই থেকে উপজেলাব্যাপী স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে প্রথম মডেল টেষ্ট পরীক্ষা। অথচ প্রাথম সাময়িক পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ৮ মে। একই সিলেবাসে পর পর দুটি পরীক্ষা নেয়ায় শিক্ষার্থীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সহকারি শিক্ষক জানান, উপজেলায় ২৩৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী প্রথম মডেল টেষ্ট পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ৬০ টাকা নির্ধারিত করা হলেও কোন কোন প্রতিষ্ঠানে ১০০ করে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। হিসেব অনুযায়ী এতে সাড়ে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে। খাতা ও প্রশ্ন পত্রের ব্যয় দেখিয়ে যার অধিকাংশই ওই শিক্ষা অফিসারের পকেটে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে গত শনি ও রবিবার উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়। ওই দুই দিন ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং পরীক্ষা দুটো এক সাথে চলায় শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। একজন অভিভাবক জানান, ফুটবল খেলা এবং পরীক্ষা দুটো এক সাথে চলে এমন ঘটনা আমি কোথাও দেখি নাই। ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করবে নাকি ফুটবল খেলবে এমন প্রশ্নও করেন তিনি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার রিয়াজুল হকের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী প্রথম মডেল টেষ্ট পরীক্ষার নামে পরীক্ষা নেয়ার কোন সরকারিভাবে বিধাণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, অবশ্যই বিধান আছে। ভাল ফলাফলের জন্য মডেল টেষ্ট পরীক্ষা নিতে হবে। তবে পরীক্ষার ফি বাবদ কত টাকা নেয়া হয়েছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি তা জানেন না বলে জানান।

Shares