আজ সোমবার , ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বিচারপতি টি.এইচ.খান আর নেই হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে দুই গারো তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৫ বাউফলে নৌকার মাঝি হলেন বর্তমান মেয়র জুয়েল কেন্দুয়ায় মৃত ব্যক্তি ভেঙ্গেছে নৌকা প্রার্থীর বাড়ীঘর ওসি শাহিনুজ্জামান’র শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হালুয়াঘাটে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে শশুরকে জবাই জামাতার! রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হালুয়াঘাটে ঐতিহাসিক তেলিখালী যুদ্ধ দিবস উদযাপন বাউফলে যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পলিত নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

দাপুনিয়া ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল

প্রকাশিতঃ ৮:৪৪ অপরাহ্ণ | জুন ০৩, ২০১৯ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩০৪ বার

মাসুদ রানা, ময়মনসিংহ ৩ জুন
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১০ নং দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আশরাফুল আলম সরকর জনগনের আস্থাভাজন ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের কাছে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। তিনি কোতুয়ালী থানা ছাত্রলীগের গন্থণা ও প্রকাশনা সম্পাদক ও ইউপি যুবলীগের সদস্য পদে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বাবা মৃত হায়দার আলী সরকার
একই ইউনিয়ন থেকে ১৯৯৫ সালে বিপুল ভোটে ইউপি চেয়াম্যান হিসেবে জয়ী হন। এরপর সারাদেশে তিনি মডেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

প্রতিদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাচ্ছেন আশরাফুল। সেই সঙ্গে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠকে প্রতিদিন শত শত নারী পুরুষদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই প্রার্থী।

জানা যায়, আসন্ন ১০ নং দাপুনিয়া ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নটি মডেল হিসাবে দেখতে চেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। এই ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডে নারী-পুরুষসহ প্রায় ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৩৬ হাজারেরও অধিক। তাছাড়াও প্রায় ৪৬ হাজার জনগনের বাসবাস। অন্যদিকে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষন করে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন পরিশ্রমী, উদ্যমী, তরুন সমাজ সেবক ও সাধারন অসহায় মানুষের আস্থাভাজন ব্যাক্তি আশরাফুল আলম সরকার।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এলাকার সাধারন অসহায় গরীব মানুষের পাশে থেকে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল বলেন, জনকল্যাণমূলক কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। কোন প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তয়ন করতে মাঠে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডকে আধুনিক পরিছন্ন ও ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় এনে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। এই ইউনিয়নের ওয়ার্ড গুলোকে প্রকৃত মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তুলতে যা করণীয় তাই তিনি করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রথমে কোন বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন জানতে চাইলে এই চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, এবার আমার একটাই কাজ হচ্ছে রাব্বুল আলামিনের রহমতে দাপুনিয়া ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডের ভোটাররা যদি আমাকে চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ দেয়, তাহলে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়নটিকে সাজিয়ে নান্দনিক মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তোলবো। আর জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে জোরগলায় তিনি বলেন, অবাস্তব, কল্পনাবিলাসী ও আকাশ-কুসুম কোনো বিষয় এটা নয়। সবাই সহযোগীতা করলে এটা বাস্তবায়ন করা অবশ্যই সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার দাপুনিয়া ইউনিয়নকে উন্নয়নের মূল স্রোতের সঙ্গে মেলাতে চাই। এই ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডের উন্নত ও অনুন্নত এলাকার মধ্যে বিদ্যমান যে বৈষম্য রয়েছে তা দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রতি ও সমন্বিত উন্নয়নের উদ্যোগ নেবো। আমার আবেগ-ভালোবাসার প্রতি মানুষ সম্মান জানিয়ে ইতিমধ্যে যে সাড়া দিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। দলমত-নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমি দোয়া চাই।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আসলে কোন কিছুই একা করা সম্ভব নয়। এখানেও আমি একা নই। আমার সাথে আছে আমার ইউনিয়নের জনগন। তাদের সহযোগীতা, সহমর্মিতা এবং আমার প্রতি তাদের বিশ্বাসের কারনে আমি এতদুর আসতে পেরেছি। তেমনি আমিও তাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এতে যদি তাদের সামান্য উপকারও হয় তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।

আধুনিক পরিকল্পিত ইউনিয়ন গঠনের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডবাসীর সাহায্য, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্যই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আল্লাহ্পাকের অশেষ কৃপায় ও সকলের সহযোগিতায় এই ইউনিয়নে সকলের সম্মান এবং ঐতিহ্য রক্ষায় নির্লোভ কাজ করে যেতে চাই। হিন্দু-মুসলমানসহ বিভিন্ন ধর্মপ্রাণ মানুষের সহ অবস্থান ও বসবাস রয়েছে এই ইউনিয়নে। তাই ঐতিহ্য রক্ষায় মিলে মিশে থাকার জন্য সুন্দর নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখতে পারবো ইনশাল্লাহ।

Shares