আজ মঙ্গলবার , ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭ হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতা রুবেল’র অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান

নানান সমস্যায় জর্জরিত বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, মিলছে না চিকিৎসা সেবা

প্রকাশিতঃ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ | মে ০২, ২০১৯ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৬৮ বার

তোফাজ্জেল হোসেন,বাউফল(পটুয়াখালী)সংবাদদাতা: জনবল সংকটসহ নানান সমস্যায় জর্জরিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এতে মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। কাঙ্খিত সেবার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরেও জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট জনবল কাঠামো দিয়েই খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। জনবল কাঠামো সংকট ছাড়াও রয়েছে নানা সমস্যা। এ স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের এক্সরে মেশিনটি ২০০৫ সালে স্থাপন করার পর মাত্র ৪ বছর সচল ছিল। এরপর অদ্যবধি প্রায় ১০ বছর পর্যন্ত অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেটি। ফলে প্রাইভেট ক্লিনিকে এক্সরে করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে রোগীদের। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি জেনারেটর ৮ বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। সচল করার উদ্যোগ না নেয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্্রাট হলে গোটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অন্ধকারচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। প্রচন্ড গরমে এ সময়ে রোগীদের ভোগ করতে হয় অসহনীয় যন্ত্রনা। সরকার এ হাসপাতালে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে মাও ও শিশু বিভাগ চালু করলেও তা মুখ থুবরে পরে আছে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মচারী। নেই কোন গাইনী সার্জন। ফলে ৭ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান কার্যক্রম। তবে মাঝে মাঝে এখানে প্রসূতি মায়ের নরমাল ডেলিভারী করানো হয় বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সূত্রে জানা যায়, ১০ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট, ১০ জন সহকারী সার্জনসহ ২৪ জন ডাক্তার থাকার কথা । সেখানে আছে মাত্র ৪ জন। এ ছাড়াও একজন করে নাসিং সুপার ভাইজার ,মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ফিজিও) , প্যাথলোজিস্ট , প্রধান সহকারী , হিসাব রক্ষন , হেলথ এডুকেটর , কম্পাউন্ডার , কার্ডিওগ্রাফার , ল্যাব এটেনডেন্ট , টিকেট ক্লাক , ওটি বয়/ওটি এটেনডেন্ট , ইমারজেন্সি এটেনডেন্ট ও স্ট্রেচার বয়ের পদ শূণ্য রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, এ হাসপাতালের শূণ্য পদে পূরণের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক বার আবেদন করা হয়েছে। কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তিনি দ্রুত শূণ্য পদগুলো পূরণ করে উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

Shares