আজ রবিবার , ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটের মামুন বাফুফে’র ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮

নানান সমস্যায় জর্জরিত বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, মিলছে না চিকিৎসা সেবা

প্রকাশিতঃ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ | মে ০২, ২০১৯ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৩০ বার

তোফাজ্জেল হোসেন,বাউফল(পটুয়াখালী)সংবাদদাতা: জনবল সংকটসহ নানান সমস্যায় জর্জরিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এতে মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। কাঙ্খিত সেবার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরেও জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট জনবল কাঠামো দিয়েই খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। জনবল কাঠামো সংকট ছাড়াও রয়েছে নানা সমস্যা। এ স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের এক্সরে মেশিনটি ২০০৫ সালে স্থাপন করার পর মাত্র ৪ বছর সচল ছিল। এরপর অদ্যবধি প্রায় ১০ বছর পর্যন্ত অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেটি। ফলে প্রাইভেট ক্লিনিকে এক্সরে করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে রোগীদের। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি জেনারেটর ৮ বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। সচল করার উদ্যোগ না নেয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্্রাট হলে গোটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অন্ধকারচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। প্রচন্ড গরমে এ সময়ে রোগীদের ভোগ করতে হয় অসহনীয় যন্ত্রনা। সরকার এ হাসপাতালে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে মাও ও শিশু বিভাগ চালু করলেও তা মুখ থুবরে পরে আছে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মচারী। নেই কোন গাইনী সার্জন। ফলে ৭ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান কার্যক্রম। তবে মাঝে মাঝে এখানে প্রসূতি মায়ের নরমাল ডেলিভারী করানো হয় বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সূত্রে জানা যায়, ১০ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট, ১০ জন সহকারী সার্জনসহ ২৪ জন ডাক্তার থাকার কথা । সেখানে আছে মাত্র ৪ জন। এ ছাড়াও একজন করে নাসিং সুপার ভাইজার ,মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ফিজিও) , প্যাথলোজিস্ট , প্রধান সহকারী , হিসাব রক্ষন , হেলথ এডুকেটর , কম্পাউন্ডার , কার্ডিওগ্রাফার , ল্যাব এটেনডেন্ট , টিকেট ক্লাক , ওটি বয়/ওটি এটেনডেন্ট , ইমারজেন্সি এটেনডেন্ট ও স্ট্রেচার বয়ের পদ শূণ্য রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, এ হাসপাতালের শূণ্য পদে পূরণের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক বার আবেদন করা হয়েছে। কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তিনি দ্রুত শূণ্য পদগুলো পূরণ করে উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

Shares