আজ শুক্রবার , ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮ ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করোনাঃ হালুয়াঘাটে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু, ১৩৬ জনের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হালুয়াঘাটে করোনার প্রথম টিকা নিলেন ইউ.এন.ও রেজাউল করিম বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

হালুয়াঘাটে ভাতার টাকা পেয়ে নুরজাহান বিবির মুখে হাসি

প্রকাশিতঃ ১:৫০ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ১১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২২৪ বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ বহু প্রতীক্ষার পর ৯২ বছর বয়সে এসে বয়স্ক ভাতার টাকা পেয়ে মুখে হাসি ফুটলো নুরজাহান বিবির। মঙ্গলবার একসাথে তিনি ভাতা হিসেবে ৭৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক হালুয়াঘাট শাখা থেকে উত্তোলন করেন। তার মেয়ে সুরবানুকে সাথে নিয়ে টাকা উত্তোলনের পর টাকা হাতে নিয়ে বলেন, আমি অনেক খুশি। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তার ভাতার ব্যবস্থা হয়েছে তাদের জন্যে দু’হাত তুলে দোয়া করেন তিনি। এখন একটু অতীতের দিকে যায়। প্রায় বছরখানেক পূর্বে যুবলীগ নেতা মোর্শেদ আলমের মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়েছিলাম নুরজাহানের বাসায়।গিয়ে দেখি অসুস্থ্য অবস্থায় বারান্দায় শুইয়ে আছেন তিনি। তার বিধবা মেয়ে সুরবানু তাকে দেখাশোনা করছেন।এ অবস্থায় প্রথম কথা বলতে চেষ্টা করি নুরজাহান বিবির সাথে।তার মুখের কথাগুলো ছিলো এইরকম।—–
হোন্ডার নিচে পইরা একটা পা ভাইংগা গেছে।উঠবার পায়না বাবা!আডাচাড়া(নড়াচঁড়া) করবার পায়না! মাইনসে টাইন্যা (টেনে) নিয়া গেলে যাইবার পাই! এক পোলা অসুখে মইরা গেছে! আরেক পুলা আছে সেও কঠিন অসুগে ঘরে পইরা আছে! মাইয়া একটা তার স্বামীও ফালাইয়া রাইখা গেছে।ঐ মাইয়াডাই আমারে দেহে। মাইয়াই তো খাইবার পায়না। আমারে কেমনে দেখবো। আমারে একটা কার্ড দিলাইননা। আইন্যেরা না দিলে দেখবো কেডা! বয়স অইছে। মইরা যামুগা।আজ সেহরির সময় হুডা করলা ভাঁজা দিয়া ভাত খাইছি।রোযা ভাংবার মন চাইনা। ভালাতো কিছু পাইনা! পুতেরইতো চলেনা, নইলেতো খাওন দিতই। হেই ঘরে পইরা আছে। চেয়ারম্যানের কাছে কয়বার গেলাম! দেয়না একপর্যায়ে ভাঙ্গা পা’টা দেখিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়ে।

Shares