আজ বৃহস্পতিবার , ৩০শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

সখিনা! স্বজনদের দাবীমতে উনিই পৃথিবীর বয়স্ক নারী। প্রধানমন্ত্রীর সামনে তরুণীর আর্তনাদ নিরন্ন মানুষের বোবা কান্নার প্রতিধ্বনি: এমরান সালেহ প্রিন্স বীরত্ব আর সাহসিকতার স্বীকৃতি পেলেন এসপি তারিক নালিতাবাড়ীতে বিদেশী মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নকলায় আমির হোসেন বিশ্ব’র টাকা তৈরির ফাঁদ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে হালুয়াঘাটে আনন্দ র‍্যালী নালিতাবাড়ীতে আগুনে পুড়ে তিন গরুর মৃত্যু নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের ১৬ দিন পর লাশ উদ্ধার স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর আত্মহত্যা। গ্রেফতার হয়নি স্বামী বাউফলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনশুমারী ও গৃহগণনার কাজ সম্পন্ন নকলায় সংবাদ কর্মীর উপর হামলা উৎসব বন্ধ করে দূর্দিনে জনগণের পাশে দড়ানঃএমরান সালেহ প্রিন্স কবরস্থানের টাকা আত্মসাৎ,কবরস্থানের উন্নয়নে বাধা প্রদান করায় প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলন পাহাড়ী ঢলে ভোগাই নদীর ভাঙ্গন! ভেঙ্গে গেছে ব্রীজ নালিতাবাড়ীতে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রান বিতরন

বাউফলে ভূমি কর্মকর্তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি কার্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৫২৪ বার

তোফাজ্জেল হোসেন, বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার ভাই মো. ইদ্রিস মোল্লার নামে ভূমি কার্যালয়ের সম্মুখ ভাগের জমি বন্দোবস্তোর নামে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই জমিতে সরকারিভাবে নির্মাণাধীন সীমানা দেয়াল নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছেন তিনি। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভূমি কার্যালয়ের সামনে দরপত্রের মাধ্যমে ভবন ও সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তখন ভবনের সীমানা দেয়ালের নির্মাণ কাজে বাধা দেয় ইদ্রিস মোল্লা ও তাঁর লোকজন।পরবর্তীতে একদিন রাতের বেলা ওই সীমানা দেয়ালের পাঁচটি পিলার (খুটি) ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে,তৎকালীন উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তার সাক্ষর জাল করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিজের ভাইয়ের নামে ভূমি কার্যালয়ের জমি বন্দোবন্তো নেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন আবদুল কাদের মোল্লা। এছাড়াও এর আগে তাঁর বাবার নামে ভূমি কার্যালয়-সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি বন্দোবস্তো পাইয়ে দেন। ওই জমিতে তিনটি ঘর নির্মাণ করে তাঁর দুইভাইসহ তাঁদের স্বজনেরা বসবাস করছেন।
আবদুল কাদের মোল্লা বলেন,‘উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা মহোদয়ের সাক্ষর জাল করা হয়নি। আড়াই শতাংশ জমি তাঁর ভাইয়ের নামে ও ১৫ শতাংশ জমি তাঁর বাবার নামে নিয়ম মেনেই বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। সেলামি নেওয়া হলেও নিবন্ধন করে দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে বলেন,‘মামলা সংক্রান্ত কোনো কাগজ তিনি পাননি । খুব শিগগির সীমানা দেয়ালের কাজ শেষ করা হবে।’

Shares