আজ শনিবার , ১লা আগস্ট, ২০২০ ইং | ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে ভারতীয় মদসহ আটক-৩! প্রাইভেটকার জব্ধ সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি! আনন্দ টিভি থেকে এনাম-সোহাগ-মিরাজ বহিস্কার বাউফলে চলাচলের পথে বাঁশের বেড়া, ভোগান্তি এটি সড়ক নাকি ফসলী জমিনের মাঠ হালুয়াঘাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ওসি’র মতবিনীময় হালুয়াঘাটে আজ আরও ২ জনের করোনা পজিটিভ হালুয়াঘাটে কুকুরের টানাহেচড়া থেকে নবজাতক উদ্ধার হালুয়াঘাটে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ আরও ৩ জনের করোনা পজিটিভ ফুলপুরে আক্রোশমূলে যুবককে দড়ি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ মতিয়া চৌধুরীকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার প্রস্তাব হালুয়াঘাটে গরু চোর আটক হালুয়াঘাট পৌর সভায় ২১ কোটি টাকা বাজেট পেশ ময়মনসিংহে নতুন ১২১ জনসহ আক্রান্ত বেড়ে ১৭৭৭ জন করোনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর স্ত্রীর মৃত্যু হালুয়াঘাটে ২৪ ঘন্টায় শিক্ষা অফিসারসহ ২০ জনের করোনা শনাক্ত

বাউফলে ভূমি কর্মকর্তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি কার্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৪৬ বার

তোফাজ্জেল হোসেন, বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার ভাই মো. ইদ্রিস মোল্লার নামে ভূমি কার্যালয়ের সম্মুখ ভাগের জমি বন্দোবস্তোর নামে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই জমিতে সরকারিভাবে নির্মাণাধীন সীমানা দেয়াল নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছেন তিনি। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভূমি কার্যালয়ের সামনে দরপত্রের মাধ্যমে ভবন ও সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তখন ভবনের সীমানা দেয়ালের নির্মাণ কাজে বাধা দেয় ইদ্রিস মোল্লা ও তাঁর লোকজন।পরবর্তীতে একদিন রাতের বেলা ওই সীমানা দেয়ালের পাঁচটি পিলার (খুটি) ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে,তৎকালীন উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তার সাক্ষর জাল করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিজের ভাইয়ের নামে ভূমি কার্যালয়ের জমি বন্দোবন্তো নেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন আবদুল কাদের মোল্লা। এছাড়াও এর আগে তাঁর বাবার নামে ভূমি কার্যালয়-সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি বন্দোবস্তো পাইয়ে দেন। ওই জমিতে তিনটি ঘর নির্মাণ করে তাঁর দুইভাইসহ তাঁদের স্বজনেরা বসবাস করছেন।
আবদুল কাদের মোল্লা বলেন,‘উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা মহোদয়ের সাক্ষর জাল করা হয়নি। আড়াই শতাংশ জমি তাঁর ভাইয়ের নামে ও ১৫ শতাংশ জমি তাঁর বাবার নামে নিয়ম মেনেই বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। সেলামি নেওয়া হলেও নিবন্ধন করে দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে বলেন,‘মামলা সংক্রান্ত কোনো কাগজ তিনি পাননি । খুব শিগগির সীমানা দেয়ালের কাজ শেষ করা হবে।’

Shares