আজ বৃহস্পতিবার , ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বিচারপতি টি.এইচ.খান আর নেই হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে দুই গারো তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৫ বাউফলে নৌকার মাঝি হলেন বর্তমান মেয়র জুয়েল কেন্দুয়ায় মৃত ব্যক্তি ভেঙ্গেছে নৌকা প্রার্থীর বাড়ীঘর ওসি শাহিনুজ্জামান’র শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হালুয়াঘাটে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে শশুরকে জবাই জামাতার! রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হালুয়াঘাটে ঐতিহাসিক তেলিখালী যুদ্ধ দিবস উদযাপন বাউফলে যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পলিত নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাউফলে ভূমি কর্মকর্তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি কার্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৪৬৮ বার

তোফাজ্জেল হোসেন, বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার ভাই মো. ইদ্রিস মোল্লার নামে ভূমি কার্যালয়ের সম্মুখ ভাগের জমি বন্দোবস্তোর নামে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই জমিতে সরকারিভাবে নির্মাণাধীন সীমানা দেয়াল নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছেন তিনি। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভূমি কার্যালয়ের সামনে দরপত্রের মাধ্যমে ভবন ও সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তখন ভবনের সীমানা দেয়ালের নির্মাণ কাজে বাধা দেয় ইদ্রিস মোল্লা ও তাঁর লোকজন।পরবর্তীতে একদিন রাতের বেলা ওই সীমানা দেয়ালের পাঁচটি পিলার (খুটি) ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে,তৎকালীন উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তার সাক্ষর জাল করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিজের ভাইয়ের নামে ভূমি কার্যালয়ের জমি বন্দোবন্তো নেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন আবদুল কাদের মোল্লা। এছাড়াও এর আগে তাঁর বাবার নামে ভূমি কার্যালয়-সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি বন্দোবস্তো পাইয়ে দেন। ওই জমিতে তিনটি ঘর নির্মাণ করে তাঁর দুইভাইসহ তাঁদের স্বজনেরা বসবাস করছেন।
আবদুল কাদের মোল্লা বলেন,‘উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা মহোদয়ের সাক্ষর জাল করা হয়নি। আড়াই শতাংশ জমি তাঁর ভাইয়ের নামে ও ১৫ শতাংশ জমি তাঁর বাবার নামে নিয়ম মেনেই বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। সেলামি নেওয়া হলেও নিবন্ধন করে দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে বলেন,‘মামলা সংক্রান্ত কোনো কাগজ তিনি পাননি । খুব শিগগির সীমানা দেয়ালের কাজ শেষ করা হবে।’

Shares