আজ সোমবার , ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ব্যারিস্টার রফিক উল হকের মৃত্যুতে ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় পুজা পরিদর্শনে এমরান সালেহ প্রিন্স বরিশাল বিভাগের সেরা সম্পাদক হিসেবে সম্মাননা পেলেন দৈনিক দ্বীপাঞ্চল সম্পাদক ইউটিউবে ঝড় তুললেন ৭ বছরের “জারা” ৯ বৎসর পেরিয়েও হচ্ছেনা হালুয়াঘাটের দুই ইউপি’র নির্বাচন ত্রিশালে এটিএম সিআরএম বুথ এর শুভ উদ্বোধন – উপ নির্বাচন. ইউপি সদস্যসহ আটক ৪ হালুয়াঘাটে পৃথক স্থানে ট্রাক চাপায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুইজনের মৃত্যু গৌরিপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক-২ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে মানববন্ধন বগুড়ার শেরপুরে গ্রাম্য শালিশ বৈঠক নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন চেয়ারম্যান ইরাদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বরগুনায় শিশু অপহরণকারী আজিমের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

বাউফলে ভূমি কর্মকর্তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি কার্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৭৮ বার

তোফাজ্জেল হোসেন, বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার ভাই মো. ইদ্রিস মোল্লার নামে ভূমি কার্যালয়ের সম্মুখ ভাগের জমি বন্দোবস্তোর নামে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই জমিতে সরকারিভাবে নির্মাণাধীন সীমানা দেয়াল নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছেন তিনি। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভূমি কার্যালয়ের সামনে দরপত্রের মাধ্যমে ভবন ও সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তখন ভবনের সীমানা দেয়ালের নির্মাণ কাজে বাধা দেয় ইদ্রিস মোল্লা ও তাঁর লোকজন।পরবর্তীতে একদিন রাতের বেলা ওই সীমানা দেয়ালের পাঁচটি পিলার (খুটি) ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে,তৎকালীন উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তার সাক্ষর জাল করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিজের ভাইয়ের নামে ভূমি কার্যালয়ের জমি বন্দোবন্তো নেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন আবদুল কাদের মোল্লা। এছাড়াও এর আগে তাঁর বাবার নামে ভূমি কার্যালয়-সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি বন্দোবস্তো পাইয়ে দেন। ওই জমিতে তিনটি ঘর নির্মাণ করে তাঁর দুইভাইসহ তাঁদের স্বজনেরা বসবাস করছেন।
আবদুল কাদের মোল্লা বলেন,‘উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা মহোদয়ের সাক্ষর জাল করা হয়নি। আড়াই শতাংশ জমি তাঁর ভাইয়ের নামে ও ১৫ শতাংশ জমি তাঁর বাবার নামে নিয়ম মেনেই বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। সেলামি নেওয়া হলেও নিবন্ধন করে দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে বলেন,‘মামলা সংক্রান্ত কোনো কাগজ তিনি পাননি । খুব শিগগির সীমানা দেয়ালের কাজ শেষ করা হবে।’

Shares