আজ শুক্রবার , ২৭শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ওজনে ধান বেশী নেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ নালিতাবাড়ীতে মাংস বিক্রেতাদের জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত নালিতাবাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বসতঘর পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি “মুক্তিযুদ্ধে হালুয়াঘাট” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রকল্পের পাওনা টাকা দাবী: ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে হামলার অভিযোগ “মুক্তিযুদ্ধে হালুয়াঘাট” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীর মাদক ব‍্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব হালুয়াঘাটে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত শেরপুরে স্বামী পরিত্যক্তা তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেফতার এক নালিতাবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নালিতাবাড়ীতে র‍্যাবের হাতে বিদেশী মদসহ যূবক গ্রেফতার তিনানী বাজার থেকে সয়াবিন তেল জব্ধ,লাখ টাকা জরিমানা নালিতাবাড়ী প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক নালিতাবাড়ীতে গতি রোধ করে গরু ব্যবসায়ীর উপর বিজিবি’র গুলি, আহত তিন

খালাস পেলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিতঃ ৪:৫৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩২৬ বার

অনলাইন ডেস্কঃ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছে সে দেশের আদালত। মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক এই রায় দেন আজ। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংসের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভারতের অনুপ্রবেশের অভিযোগে ২০১৫ সালে মার্চ মাসে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মেঘালয় পুলিশ সিটি থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিচারক তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন। এই মুহূর্তে শিলং শহরেই বসবাস করছেন তিনি।

২০১৫ সালের ১০ই মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নেয়া হয়। যদিও আটকের বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাবাহিনী অস্বীকার করে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হওয়ার আগে প্রায় দুমাস আগে থেকে বাংলাদেশে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন সালাউদ্দিন আহমেদ।

২০১৫ সালের ১২ই মে ভারতের শিলং শহরের ক্যান্টনমেন্ট এলাকার গলফ মাঠ থেকে পুলিশ সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে।
অসংলগ্ন কথাবার্তা শুনে শিলং পুলিশ প্রথমে তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। তবে চিকিৎসকরা জানান তিনি মানসিক নয়, শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে শিলং সিভিল সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অসুস্থতার মধ্যেই ২০১৫ সালের ২৭ মে মামলার শুনানিতে শিলংয়ের জেলা ও দায়রা আদালতে হাজির হন সালাউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রায় তিন বছর ধরে চলে বিচারপর্ব।

উল্লেখ্য, সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখাঁজ হওয়ার সময় দলের যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে পদোন্নতি পান। সবশেষ চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

Shares