আজ মঙ্গলবার , ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

উপ নির্বাচন. ইউপি সদস্যসহ আটক ৪ হালুয়াঘাটে পৃথক স্থানে ট্রাক চাপায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুইজনের মৃত্যু গৌরিপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক-২ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে মানববন্ধন বগুড়ার শেরপুরে গ্রাম্য শালিশ বৈঠক নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ময়মনসিংহে রেজিয়া ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতিতে ছেলের মৃত্যুর বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন চেয়ারম্যান ইরাদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বরগুনায় শিশু অপহরণকারী আজিমের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বরগুনার তালতলীতে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক সোবহান গ্রেফতার অনিয়ম দূর্নীতির আখড়া রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল বিভাগীয় পে এন্ড ক‍্যাশ অফিস পর্ব-১ হালুয়াঘাটে চেয়ারম্যান ইরাদের সকল অপকর্ম ফাঁস! পুলিশের জালে আটক রিফাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা! মিন্নিসহ ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড আমতলীতে ৪’শ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার বরগুনার আমতলীতে মামলা তুলে নিতে বাদীকে বিএনপি নেতার জীবন নাশের হুমকি

খালাস পেলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিতঃ ৪:৫৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৩৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছে সে দেশের আদালত। মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক এই রায় দেন আজ। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংসের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভারতের অনুপ্রবেশের অভিযোগে ২০১৫ সালে মার্চ মাসে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মেঘালয় পুলিশ সিটি থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিচারক তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন। এই মুহূর্তে শিলং শহরেই বসবাস করছেন তিনি।

২০১৫ সালের ১০ই মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নেয়া হয়। যদিও আটকের বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাবাহিনী অস্বীকার করে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হওয়ার আগে প্রায় দুমাস আগে থেকে বাংলাদেশে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন সালাউদ্দিন আহমেদ।

২০১৫ সালের ১২ই মে ভারতের শিলং শহরের ক্যান্টনমেন্ট এলাকার গলফ মাঠ থেকে পুলিশ সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে।
অসংলগ্ন কথাবার্তা শুনে শিলং পুলিশ প্রথমে তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। তবে চিকিৎসকরা জানান তিনি মানসিক নয়, শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে শিলং সিভিল সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অসুস্থতার মধ্যেই ২০১৫ সালের ২৭ মে মামলার শুনানিতে শিলংয়ের জেলা ও দায়রা আদালতে হাজির হন সালাউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রায় তিন বছর ধরে চলে বিচারপর্ব।

উল্লেখ্য, সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখাঁজ হওয়ার সময় দলের যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে পদোন্নতি পান। সবশেষ চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

Shares