আজ সোমবার , ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

গরীবের আশার বাতিঘর হাজী মোশারফ হালুয়াঘাটে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি পুঁততে গিয়ে মৃত্যু-১, আহত-১ জাতীয় ভাবে”স্বপ্নজয়ী মা” নির্বাচিত হলেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের অবিরণ নেছা ৬১০৮ ভোটের ব্যবধানে হামিদ বিজয়ী। শেখ রাসেল ও মনোয়ারা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ প্রবীণে প্রবীণে লড়াই এম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারকালে ২৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ একজন আটক এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে-প্রিন্স

যে তিনের সমন্বয় ঘটলে ‘ফায়ারিং’ হবে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ২:২৪ অপরাহ্ণ | জুন ১০, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৪৪৬ বার

নিউজ ডেস্কঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। তবে যেখানে অবৈধ ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র ও অবৈধ টাকা—এ তিনের সমন্বয় ঘটবে, সেখানে ‘ফায়ারিং’ হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটছে তখনই যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আক্রান্ত হচ্ছে।

‘মাদকবিরোধী অভিযান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি’ শিরোনামে ওই বৈঠকটির আয়োজক ছিল প্রমিসেস মেডিকেল লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়। এক মাসেরও কম সময়ে চলমান অভিযানে প্রায় দেড় শ মানুষ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। মাদকবিরোধী এই কঠোর অভিযানের পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত আছে। তবে টেকনাফে যুবলীগের নেতা একরামুল হকের নিহত হওয়ার ঘটনা অভিযানকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। আজকের গোলটেবিল বৈঠকেও ঘুরেফিরে এসেছে একরামুল ও ‘বন্দুকযুদ্ধের’ যথার্থতা প্রসঙ্গ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য দাবি করেছেন, দেশের পাঁচটি গোয়েন্দা সংস্থা আলাদা আলাদা করে তালিকা করেছে। সব তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের কাছে নিরাপত্তা বাহিনী যাচ্ছে। অভিযানে হত্যার বিষয়ে যত আলোচনা হচ্ছে অন্যান্য কর্মকাণ্ড সে তুলনায় তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিরোধী দলকে কোণঠাসা করা, কারও কণ্ঠরোধ করা এই অভিযানের লক্ষ্য নয় এবং অভিযানে অপরাধীদের কেউ বাদ যাবে না বলে দাবি করেন আসাদুজ্জামান খান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শুধু হত্যার কথা বলছেন। একবারও কিন্তু বলছেন না কত মানুষকে আমরা গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছি। আমাদের কারাগারের ৩৫ হাজার বন্দী রাখার ব্যবস্থা আছে। এই মুহূর্তে সেখানে আছেন ৮৬ হাজার ৩৪৯ জন। এর ভেতরে ৩৯ শতাংশই মাদকসংশ্লিষ্ট মামলায়। মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ চলছে। স্বাধীনতার সময় আপনারা কি কে ভালো পাকিস্তানি, কে খারাপ? কে ভালো দালাল কে মন্দ, সেটা বিবেচনা করে গুলি ছুড়েছিলেন?’

একরামুল প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আইন সবার জন্য সমান। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কারও অপরাধ প্রমাণিত হয়, তিনি ছাড় পাবেন না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন সাংসদ কারাগারে আছেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই উদাহরণ টেনে জানান যেই অপরাধী হোক না কেন, তার বিচার হবে।

এদিকে গোলটেবিল বৈঠকে জাতীয় পার্টির সাংসদ কাজী ফিরোজ রশিদ বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের আদালতে তোলার দরকার নেই। তাদের গুলি করে দেওয়া হোক। বিএনপির সাবেক সাংসদ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান অভিযানের পক্ষে কথা বলেছেন।

আখতারুজ্জামান বলেন, যারা মাদক ব্যবসায়ী তারা আর মানুষ থাকে না। অমানুষ হয়ে যায়। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সাংসদ সরদার সাখওায়াৎ হোসেন বকুল বলেছেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন সাংসদ বদিকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না, কারণ তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। একরামুল নিহত হওয়ার পর অনেকগুলো দিন কেটে গেছে। যদি সুনির্দিষ্ট তালিকার ভিত্তিতে অভিযান হয়ে থাকে তাহলে একরামুলের ভূমিকা কী ছিল, সেটা পরিষ্কার করা হোক।’

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক এম ইমদাদুল হক বলেছেন, অপরাধীকে পক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া উচিত। সে সুযোগ না দিয়ে হত্যা করা হলে অমানুষ মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অন্যদের আর কোনো তফাৎ থাকে না।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী কোনো অবস্থাতেই আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

Shares