আজ বৃহস্পতিবার , ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭

হালুয়াঘাটের ইউএনও’র হস্তক্ষেপে ৫ দুঃখী পেল ভাতার কার্ড

প্রকাশিতঃ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৫, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩১৬ বার

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) থেকেঃ
গত ১৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক মানবজমিনে; দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন, বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপেপারে “বয়স নব্বই পার হলেও হালুয়াঘাটে ১২ টি পরিবারের ভাগ্যে জুটেনি কার্ড” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন সেই অসহায় ৫ জনের জন্যে বয়স্ক ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করেন। যাদের বয়স ৯০ পার হয়েছে অনেক আগেই। এই পাঁচজন হলেন, ৩নং কৈচাপুর ইউনিয়নের দর্শারপাড় গ্রামের নুরজাহান বিবি, ৯নং ধারা ইউনিয়নের হাইছু সেক, ২নং জুগলী ইউনিয়নের রনকুঠরা গুচ্ছ গ্রামের সূর্যবানু, আব্দুল মজিদ ও আবেদ আলী।
যারা নিতান্তই গরীব ও অসহায়। কারও বয়স একশ ছুঁই ছুঁই হলেও তাদের ভাগ্যে জুটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড! হাইসু সেক (৯৬), ৯২ বছর বয়সেও অভাবের তাড়নায় ঠেঁলাগাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। নুরজাহান বিবি (৯৬), দর্শারপাড় বাজার সংলগ্ন। কোন ছেলে সন্তান জীবিত নেই। দুই সন্তান ছিলো, তারা অসুখে মারা যায়। সে অসুস্থ্য হয়ে ঘরে পড়ে আছে। আব্দুল মজিদ (৯২), ঠিকানাঃ রনকুঠরা গুচ্ছ গ্রামে, পেশায় ভিক্ষুক। রনকুঠরা গুচ্ছ গ্রামের সূর্যবানু (৯৮), বয়স ৯৮ বছর হলেও সাহায্যে এগিয়ে আসেনি কেউ। কোন পুত্র সন্তান নেই সূর্যবানুর। কানে শুনতে পায়না। জীবন চলে অনেক কষ্টে। অপরদিকে আবেদ আলী (৮২), তিনিও রনকুঠরা গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়লেও এতদিন ভাতা হয়নি আবাদ আলীর। অবশেষে নির্বাহী অফিসারের সরাসরি তত্বাবধানে এই পাঁচজনের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করায় এরা খুবই খুশি হয়েছেন বলে জানা যায়। মরার আগে বয়স্ক ভাতার কার্ডের শেষ ইচ্ছেটুকু ছিল এই অসহায় মানুষগুলির। ইউএনও জাকির হোসেন বলেন, আপাতত ৫ জনের কার্ড হয়েছে। বাকীদেরকেও দেয়া হবে।

Shares