আজ বৃহস্পতিবার , ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে কাল্বের ১১তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে দুই মাদক কারবারী আটক- বাউফলে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ফ্রান্সে মহানবী(সঃ) এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বাউফলে মানববন্ধন ব্যারিস্টার রফিক উল হকের মৃত্যুতে ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় পুজা পরিদর্শনে এমরান সালেহ প্রিন্স বরিশাল বিভাগের সেরা সম্পাদক হিসেবে সম্মাননা পেলেন দৈনিক দ্বীপাঞ্চল সম্পাদক ইউটিউবে ঝড় তুললেন ৭ বছরের “জারা” ৯ বৎসর পেরিয়েও হচ্ছেনা হালুয়াঘাটের দুই ইউপি’র নির্বাচন ত্রিশালে এটিএম সিআরএম বুথ এর শুভ উদ্বোধন – উপ নির্বাচন. ইউপি সদস্যসহ আটক ৪ হালুয়াঘাটে পৃথক স্থানে ট্রাক চাপায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুইজনের মৃত্যু গৌরিপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক-২ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে মানববন্ধন

একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চক্রান্ত চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ৬:০৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৮০ বার

অনলাইন ডেস্কঃ একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, আমাদের একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আছে। তাদের চক্রান্ত অনবরত চলছে। তারা জানে, তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ আছে। তাই একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গেই হাত মেলায়, খুনি-ঘাতকদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগে থাকে। আজ সকালে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরে গণভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে গভীর চক্রান্ত করে আমাদের আসতে দেয়নি এবং ১৯৯১ সালে এই চক্রান্ত আমার দলের ভিতরেও ছিল বাইরেও ছিল। দলের ভিতর চক্রান্তটা কোথায়? যাই হোক, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক আমি যেন কিছু না হতে পারি।
ওটা করতে গিয়ে এমন এমন প্রার্থীদের বেছে নেয়া হল যারা জিতে আসতে পারেনি। আর যাদের আমরা মনোনয়ন দেই নাই। দিলে যারা জিততো তাদের তারা লুফে নিতো, এরকম বহু ঘটনা ও অভিজ্ঞতা আমি বলছি এবং বহু আছে।

১৯৭৫ এর ঘাতকের দল, ৭১’র পরাজিত শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে শক্তি চক্রান্ত করে ১৫ই আগস্ট ঘটালো এদেশে। যে শক্তি বারবার আঘাত হেনেছে। শুধু ২১ আগস্ট না, ’৮৮ সালে ২৪শে জানুয়ারি বা ৮১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশে পা দেয়ার পর থেকেই একের পর এক যে ঘটনাগুলি ঘটেছে, তার পেছনে তারা রয়েছে।

এতো ষড়যন্ত্র ও হত্যাচেষ্টার পরও নিজের বেঁচে যাওয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহর ইচ্ছা ছিল বোধহয় সেজন্য বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু ওই রকম বারবার মৃত্যুকে মুখোমুখি নিয়ে চলা, এটা অনেকেই চলতেও পারে না। সে সাহসও পায় না। সেভাবে করতেও পারে না। তারপর আবার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হয়েছে। কারণ আমাদের দেশে একটা শ্রেণি; ৭১ সালে যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে জড়িত, তারা তো রয়ে গেছে। তাদের বংশধর তো রয়ে গেছে। তাদের চক্রান্ত তো অনবরত চলছে এবং তারা করেই যাচ্ছে। সেখান থেকে একটা শ্রেণি গড়ে উঠেছে, তারা জানেই যে তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। তারা জানে যে তারা দল করতে পারে না। তারা মাঠে যেতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ তাদের। এই ক্ষমতার লোভে একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গেই তারা হাত মেলায়, খুনিদের সাথে ঘাতকের সঙ্গে হাত মেলায় এবং তারা কিন্তু সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। সেটা আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে বলে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।

Shares