আজ বুধবার , ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন বাউফলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ শুরু হালুয়াঘাটে বজ্রপাতে মৃত্যু! বাবার লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু ‘নুসাইবা’ হালুয়াঘাটে নির্মাণের বছরেই বক্স কালভার্ট ধ্বস! বাউফলে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত ভিক্ষের টাকা গণনা করছিলো ভিক্ষুক। ইমাম বাসের চাপায় মৃত্যু ঐ ভিক্ষুকের শোক দিবসে হালুয়াঘাটে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ বাউফলে সফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত করোনা টেস্ট করাতে অনিহা হালুয়াঘাটে করোনায় আক্তান্ত হয়ে ৯৬ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু। মোট মৃত্যু-৭

একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চক্রান্ত চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ৬:০৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৩৮ বার

অনলাইন ডেস্কঃ একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, আমাদের একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আছে। তাদের চক্রান্ত অনবরত চলছে। তারা জানে, তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ আছে। তাই একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গেই হাত মেলায়, খুনি-ঘাতকদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগে থাকে। আজ সকালে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরে গণভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে গভীর চক্রান্ত করে আমাদের আসতে দেয়নি এবং ১৯৯১ সালে এই চক্রান্ত আমার দলের ভিতরেও ছিল বাইরেও ছিল। দলের ভিতর চক্রান্তটা কোথায়? যাই হোক, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক আমি যেন কিছু না হতে পারি।
ওটা করতে গিয়ে এমন এমন প্রার্থীদের বেছে নেয়া হল যারা জিতে আসতে পারেনি। আর যাদের আমরা মনোনয়ন দেই নাই। দিলে যারা জিততো তাদের তারা লুফে নিতো, এরকম বহু ঘটনা ও অভিজ্ঞতা আমি বলছি এবং বহু আছে।

১৯৭৫ এর ঘাতকের দল, ৭১’র পরাজিত শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে শক্তি চক্রান্ত করে ১৫ই আগস্ট ঘটালো এদেশে। যে শক্তি বারবার আঘাত হেনেছে। শুধু ২১ আগস্ট না, ’৮৮ সালে ২৪শে জানুয়ারি বা ৮১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশে পা দেয়ার পর থেকেই একের পর এক যে ঘটনাগুলি ঘটেছে, তার পেছনে তারা রয়েছে।

এতো ষড়যন্ত্র ও হত্যাচেষ্টার পরও নিজের বেঁচে যাওয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহর ইচ্ছা ছিল বোধহয় সেজন্য বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু ওই রকম বারবার মৃত্যুকে মুখোমুখি নিয়ে চলা, এটা অনেকেই চলতেও পারে না। সে সাহসও পায় না। সেভাবে করতেও পারে না। তারপর আবার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হয়েছে। কারণ আমাদের দেশে একটা শ্রেণি; ৭১ সালে যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে জড়িত, তারা তো রয়ে গেছে। তাদের বংশধর তো রয়ে গেছে। তাদের চক্রান্ত তো অনবরত চলছে এবং তারা করেই যাচ্ছে। সেখান থেকে একটা শ্রেণি গড়ে উঠেছে, তারা জানেই যে তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। তারা জানে যে তারা দল করতে পারে না। তারা মাঠে যেতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ তাদের। এই ক্ষমতার লোভে একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গেই তারা হাত মেলায়, খুনিদের সাথে ঘাতকের সঙ্গে হাত মেলায় এবং তারা কিন্তু সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। সেটা আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে বলে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।

Shares