আজ শনিবার , ৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে আরব আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ শত মানুষ পেল ঈদ উপহার হালুয়াঘাটে রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন মর্ডান স্পোটিং ক্লাবের দোয়া ও ইফতার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা কায়েসের ঈদ উপহার সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন আজ শফিকুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ত্রিশাল ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ হালুয়াঘাটে কৃষকের ধান কাটলেন এমপি হালুয়াঘাটে কর্মহীন মানুষের মাঝে রুবেলে’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ! করোনাঃ মৃত্যুর মিছিলে ১৫৪ চিকিৎসক বাউফলে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মাঝে বিনামূল্যে স্যালাইন বিতরণ বাউফলে টাকা চুরি’র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে কুপিয়ে জখম মৃত্যুপুরী ভারত শ্মশানে জায়গা না থাকায় গণচিতা ভারতে লুকানো হচ্ছে কোভিডে মৃতের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে মৃত্যু ও শনাক্ত সংখ্যা

যশোহরে মেয়েকে যৌনপল্লীতে বিক্রি করায় বাবার কারাদন্ড

প্রকাশিতঃ ৫:১৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৩১ বার

অনলাইন ডেস্কঃ নিজ মেয়েকে পাচার করে যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে বাবার সাত বছরের সশ্রম কারাদ- ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক অমিত কুমার দে এ আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম শরিফুল ইসলাম (৪৩)। তিনি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার মো. বাবুর ছেলে। শরিফুল বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক আছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়া উপজেলার ফুল মিয়ার মেয়ে সুফিয়া বেগমের সঙ্গে আসামি শরিফুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। মেয়ের জন্মের এক বছর পর তাদের মধ্যে তালাক হয়ে যায়। এরপর থেকে সুফিয়া খাতুন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।
এর মধ্যে ১৫ বছর পেরিয়ে যায়।
গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি শরিফুল মেয়েকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নিজের কাছে নিয়ে যান। পরে আর ফেরত দেননি। অনেক খোঁজখবর করে মেয়ে ও শরিফুলকে কোথাও খুঁজে পাননি সুফিয়া। আট মাস পর বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (বিএনডব্লিউএলএ) সহযোগিতায় ওই মেয়েকে ফরিদপুরের একটি যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার করা হয়। শরিফুল নিজের মেয়েকে গত বছরের ২২ মার্চ ওই যৌনপল্লীতে নিয়ে বিক্রি করে দেন। এ বিষয়ে শরিফুলকে আসামি করে মেয়ের নানা ফুল মিয়া বাঘারপাড়া থানায় মানব পাচার আইনে একটি মামলা করেন।

জানতে চাইলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ইদ্রিস আলী বলেন, বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নানাবাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে যান শরিফুল। পরে তাকে ফরিদপুরের একটি যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেন। এরপর বিএনডব্লিউএলএ’র সহযোগিতায় পুলিশ ওই মেয়েটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় শরিফুলকে আদালত সাত বছরের সশ্রম কারাদ- ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ-ের আদেশ দেন। শরিফুল কারাগারে আটক। মেয়েটি বিএনডাব্লিউএলএ’র আশ্রয়ে রয়েছে।

বিএনডব্লিউএলএর যশোরের সমন্বয়কারী নাসিমা খাতুন বলেন, অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর আমাদের শেল্টার হোমে রেখে তাকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। দেড় বছর ধরে মেয়েটি আমাদের আশ্রয়ে রয়েছে।

Shares