আজ বুধবার , ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে নবান্নকে ঘিরে পিঠা পুলির উৎসব! কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন

চলন্ত ট্রেনে একবার দেখা প্রেমিকাকে খুঁজে পেতে ৪০০০ পোস্টার

প্রকাশিতঃ ৯:১৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৫৭ বার

অনলাইন ডেস্কঃ চলন্ত ট্রেনে একবার দেখা, আর তাতেই মনের কোণে দাগ কেটেছেন এক তরুণী। কিন্তু মুখ ফুটে সে কথা বলতে পারেননি যুবক। সেই তরুণীর খোঁজে রোজ একবার ট্রেনে ওঠেন ওই যুবক, যদি একবার দেখা হয়ে যায়! এখানেই থেমে থাকেননি, নিজের ছবি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার পোস্টারও সাঁটিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ওই প্রেমিক!

দক্ষিণ কলকাতার জোকা অঞ্চলের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পোদ্দার (২৯) পেশায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পরিবেশ দফতরের কর্মী। গত ২৩ জুলাই বীরভূম জেলার তারাপীঠ থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন বিশ্বজিৎ। প্রথমে তারাপীঠ থেকে বর্ধমান লোকাল ট্রেনে ওঠেন। ট্রেনের কামরায় ঠিক উল্টো দিকের আসনে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে বসেছিলেন এক তরুণী। তরুণীটিকে এক দেখাতেই মনে ধরে বিশ্বজিতের। মেয়েটি যে খুব সুন্দরী তা নয়, তবু বারে বারেই চোখ পড়ছিল তার ওপর। তারাপীঠ থেকে বর্ধমান পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ এভাবেই আসেন বিশ্বজিৎ। এরপর বর্ধমান স্টেশনে নেমে ট্রেন পাল্টে হাওড়াগামী ট্রেন ধরেন এবং ট্রেনে উঠে নিজের আসনে বসেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ওই ট্রেনেও তার উল্টো দিকের আসনে বসে ওই তরুণীর পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই গল্পেও নতুন মোড় নেয়। বিশ্বজিৎ এবার একটু সাহস করেই ওই তরুণীর সঙ্গে আলাপ জমানোর চেষ্টা করেন। একসময় নিজের ফোন নম্বর ওই তরুণীকে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু বাবা-মা সঙ্গে থাকায় তা আর হয়ে ওঠেনি। তিনিও ওই তরুণীর ফোন নম্বর চেয়েছিলেন। কোন্নগর প্লাটফরমে নামার পর বাবা-মার নজর এড়িয়ে নম্বর বলেছিলেন কিন্তু তা ভালো করে বুঝতে পারেননি বিশ্বজিৎ। এ ঘটনার পর থেকেই ওই স্বপ্নের সুন্দরীকে আর ভুলতে পারছেন না বিশ্বজিৎ।

পোস্টারের বড় বড় অক্ষরে লেখা হয় ‘কোন্নগরের কনে’, আর নিচে বিশ্বজিতের ফোন নম্বর। এরপর তা কোন্নগর (কোন্নগর-হিন্দমোটার-উত্তরপাড়া-বালি) থেকে বালি পর্যন্ত চারটি রেলস্টেশনে সেই পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বপ্নের ওই সুন্দরীকে উদ্দেশ করে বিশ্বজিতের ওই পোস্টারে এও লেখা রয়েছে— ‘চিনতে পেরেছো তো, সেদিন দেখা হয়েছিল ট্রেনে, আই উইল বি ওয়েটিং ফর ইউ…’। যাতে ওই তরুণীও একবার দেখলেই চিনতে পারেন এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তরুণীকে খুঁজে পেতে বন্ধুদের পরামর্শে সেই ট্রেনের গল্প নিয়ে ৬ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি করেন বিশ্বজিৎ। এরপর ১৪ আগস্ট তা ইউটিউবে আপলোডও করে দেওয়া হয়।

Shares