আজ শনিবার , ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

জনগনের সেবক হতে চাই- অধ্যক্ষ পিকু জনগনের সেবক হতে চাই- অধ্যক্ষ পিকু হালুয়াঘাটে আশার আলো’র নির্বাচন! কাঞ্চন সভাপতি, আলী হোসেন সম্পাদক ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন ত্ব-হা: ডিবি হালুয়াঘাটে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং হালুয়াঘাটে বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত একদিনে আরও ৬০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৫৬ ময়মনসিংহে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেল টয়লেটের ট্যাংকে বাউফলে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাংবাদিক এনামুল ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মা দিবসের শুভেচ্ছা ময়মনসিংহের এিশালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় ইফতার হালুয়াঘাটে আরব আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ শত মানুষ পেল ঈদ উপহার হালুয়াঘাটে রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন মর্ডান স্পোটিং ক্লাবের দোয়া ও ইফতার

চলন্ত ট্রেনে একবার দেখা প্রেমিকাকে খুঁজে পেতে ৪০০০ পোস্টার

প্রকাশিতঃ ৯:১৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩৮৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ চলন্ত ট্রেনে একবার দেখা, আর তাতেই মনের কোণে দাগ কেটেছেন এক তরুণী। কিন্তু মুখ ফুটে সে কথা বলতে পারেননি যুবক। সেই তরুণীর খোঁজে রোজ একবার ট্রেনে ওঠেন ওই যুবক, যদি একবার দেখা হয়ে যায়! এখানেই থেমে থাকেননি, নিজের ছবি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার পোস্টারও সাঁটিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ওই প্রেমিক!

দক্ষিণ কলকাতার জোকা অঞ্চলের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পোদ্দার (২৯) পেশায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পরিবেশ দফতরের কর্মী। গত ২৩ জুলাই বীরভূম জেলার তারাপীঠ থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন বিশ্বজিৎ। প্রথমে তারাপীঠ থেকে বর্ধমান লোকাল ট্রেনে ওঠেন। ট্রেনের কামরায় ঠিক উল্টো দিকের আসনে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে বসেছিলেন এক তরুণী। তরুণীটিকে এক দেখাতেই মনে ধরে বিশ্বজিতের। মেয়েটি যে খুব সুন্দরী তা নয়, তবু বারে বারেই চোখ পড়ছিল তার ওপর। তারাপীঠ থেকে বর্ধমান পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ এভাবেই আসেন বিশ্বজিৎ। এরপর বর্ধমান স্টেশনে নেমে ট্রেন পাল্টে হাওড়াগামী ট্রেন ধরেন এবং ট্রেনে উঠে নিজের আসনে বসেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ওই ট্রেনেও তার উল্টো দিকের আসনে বসে ওই তরুণীর পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই গল্পেও নতুন মোড় নেয়। বিশ্বজিৎ এবার একটু সাহস করেই ওই তরুণীর সঙ্গে আলাপ জমানোর চেষ্টা করেন। একসময় নিজের ফোন নম্বর ওই তরুণীকে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু বাবা-মা সঙ্গে থাকায় তা আর হয়ে ওঠেনি। তিনিও ওই তরুণীর ফোন নম্বর চেয়েছিলেন। কোন্নগর প্লাটফরমে নামার পর বাবা-মার নজর এড়িয়ে নম্বর বলেছিলেন কিন্তু তা ভালো করে বুঝতে পারেননি বিশ্বজিৎ। এ ঘটনার পর থেকেই ওই স্বপ্নের সুন্দরীকে আর ভুলতে পারছেন না বিশ্বজিৎ।

পোস্টারের বড় বড় অক্ষরে লেখা হয় ‘কোন্নগরের কনে’, আর নিচে বিশ্বজিতের ফোন নম্বর। এরপর তা কোন্নগর (কোন্নগর-হিন্দমোটার-উত্তরপাড়া-বালি) থেকে বালি পর্যন্ত চারটি রেলস্টেশনে সেই পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বপ্নের ওই সুন্দরীকে উদ্দেশ করে বিশ্বজিতের ওই পোস্টারে এও লেখা রয়েছে— ‘চিনতে পেরেছো তো, সেদিন দেখা হয়েছিল ট্রেনে, আই উইল বি ওয়েটিং ফর ইউ…’। যাতে ওই তরুণীও একবার দেখলেই চিনতে পারেন এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তরুণীকে খুঁজে পেতে বন্ধুদের পরামর্শে সেই ট্রেনের গল্প নিয়ে ৬ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি করেন বিশ্বজিৎ। এরপর ১৪ আগস্ট তা ইউটিউবে আপলোডও করে দেওয়া হয়।

Shares