আজ শুক্রবার , ২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে ৫ হাজার মিটার অবৈধ বাঁধা জাল জব্দ ৫ বছর পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান কার্যক্রম শুরু জনগনের সেবক হতে চাই- অধ্যক্ষ পিকু জনগনের সেবক হতে চাই- অধ্যক্ষ পিকু হালুয়াঘাটে আশার আলো’র নির্বাচন! কাঞ্চন সভাপতি, আলী হোসেন সম্পাদক ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন ত্ব-হা: ডিবি হালুয়াঘাটে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং হালুয়াঘাটে বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত একদিনে আরও ৬০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৫৬ ময়মনসিংহে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেল টয়লেটের ট্যাংকে বাউফলে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাংবাদিক এনামুল ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মা দিবসের শুভেচ্ছা ময়মনসিংহের এিশালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় ইফতার হালুয়াঘাটে আরব আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ শত মানুষ পেল ঈদ উপহার

গণিতে কেন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি?

প্রকাশিতঃ ১১:৫০ অপরাহ্ণ | জুন ০৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৯৩ বার

প্রিয় শিক্ষার্থী, সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির গণিত বিষয়ের দরকারি কিছু বিষয় নিচে আলোচনা করা হলো। গণিতে কেন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির মৌলিক বিষয় হচ্ছে একজন পরীক্ষার্থী শুধু পাঠ্যবইয়ের কিছু তথ্য মুখস্থ করে (না জেনে, না বুঝে) পরীক্ষার খাতায় লিখে দিল, এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা। পুরোনো পরীক্ষাপদ্ধতিতে (আগের নিয়মে) একজন শিক্ষার্থী শুধু ১০-২০টি নির্বাচিত অঙ্ক বুঝে বা না বুঝে মুখস্থ করে উত্তর লিখতে পারত। কিন্তু এখন একজন শিক্ষার্থী অঙ্ক যেটা করেছে, সেটা বুঝে করেছে কি না, তা যাচাই করে দেখা হবে। একজন শিক্ষার্থীকে যদি তার চারপাশের পরিবেশের সাপেক্ষে অঙ্কটা শিখিয়ে দেওয়া যায়, তা হলে সেই শিক্ষাটা হবে আনন্দদায়ক। শিক্ষা যদি আনন্দদায়ক হয়, তবে শিক্ষার্থীর মনেও থাকবে দীর্ঘদিন আর সহজেই সে অঙ্কটা বুঝে করতে পারবে। উদ্দীপকের আলোকে ৩টি প্রশ্ন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতিতে গণিত ও উচ্চতর গণিত বিষয়ের শিক্ষার্থীদের অন্যান্য বিষয়ের মতো উদ্দীপকের আলোকে চারটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না। গণিত ও উচ্চতর গণিত বিষয়ের ক্ষেত্রে উদ্দীপকের ওপর ভিত্তি করে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সৃজনশীল অংশের প্রতিটি প্রশ্নের নম্বর থাকবে ১০ করে। প্রশ্নটি তিনটি অংশে ভাগ থাকবে। নম্বর বরাদ্দ থাকবে— ‘ক’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ২, ‘খ’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ৪, ‘গ’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ৪। গণিত ও উচ্চতর গণিতের এই ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ অংশ গাণিতিক সমস্যাসংক্রান্ত। প্রশ্নের ‘ক’ অংশটি সবচেয়ে সহজ। এই অংশের উত্তর দেওয়ার সময় একজন পরীক্ষার্থীকে কম সময় ব্যয় করতে হবে এবং উত্তরের জন্য চিন্তার ব্যাপকতা কম থাকবে। ‘খ’ অংশটি তুলনামূলকভাবে ‘ক’ অংশের চেয়ে কঠিন হবে। এই অংশের উত্তর দিতে গেলে একজন পরীক্ষার্থীকে ‘ক’ অংশের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে হবে এবং চিন্তার গভীরতা বেশি হবে। ‘গ’ অংশটি ‘খ’ অংশের চেয়ে তুলনামূলক কঠিন। উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে এই অংশটি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে বেশি সময় এবং চিন্তার গভীরতার দাবি রাখে। গণিত ও উচ্চতর গণিতের প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় পূর্ণ বাক্যের প্রয়োজনীয়তা কম। প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীকে গাণিতিক ধাপগুলো সমাপ্ত করতে হবে। গণিতের তিনটি ধাপ প্রথম ধাপটি ‘সহজ’, দ্বিতীয় ধাপটি ‘মধ্যম এবং শেষের ধাপটি ‘কঠিন’। প্রতিটি পরীক্ষায় গণিতের সৃজনশীল প্রশ্ন করার সময় শিক্ষার্থীদের চিন্তার গভীরতা এবং সময়ের দিকটি বিবেচনা করে তিনটি অংশে (‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ অংশ) তৈরি করা হবে। ১০ নম্বরের একটি অঙ্কে নম্বর বণ্টন হবে = ২+৪+৪। প্রথম অংশের ‘সহজ’ উত্তরটি সবাই পারবে। মধ্যম মানের শিক্ষার্থীরা ‘মধ্যম’ ধাপ পর্যন্ত পারবে এবং তৃতীয় ধাপের ‘কঠিন’ অংশ পর্যন্ত পারবে একটু মেধাবীরা। বিপুল দেবনাথ সহকারী শিক্ষক ( গণিত ) ঘোষগাঁও শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।

Shares