আজ বুধবার , ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন

গণিতে কেন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি?

প্রকাশিতঃ ১১:৫০ অপরাহ্ণ | জুন ০৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২২১ বার

প্রিয় শিক্ষার্থী, সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির গণিত বিষয়ের দরকারি কিছু বিষয় নিচে আলোচনা করা হলো। গণিতে কেন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির মৌলিক বিষয় হচ্ছে একজন পরীক্ষার্থী শুধু পাঠ্যবইয়ের কিছু তথ্য মুখস্থ করে (না জেনে, না বুঝে) পরীক্ষার খাতায় লিখে দিল, এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা। পুরোনো পরীক্ষাপদ্ধতিতে (আগের নিয়মে) একজন শিক্ষার্থী শুধু ১০-২০টি নির্বাচিত অঙ্ক বুঝে বা না বুঝে মুখস্থ করে উত্তর লিখতে পারত। কিন্তু এখন একজন শিক্ষার্থী অঙ্ক যেটা করেছে, সেটা বুঝে করেছে কি না, তা যাচাই করে দেখা হবে। একজন শিক্ষার্থীকে যদি তার চারপাশের পরিবেশের সাপেক্ষে অঙ্কটা শিখিয়ে দেওয়া যায়, তা হলে সেই শিক্ষাটা হবে আনন্দদায়ক। শিক্ষা যদি আনন্দদায়ক হয়, তবে শিক্ষার্থীর মনেও থাকবে দীর্ঘদিন আর সহজেই সে অঙ্কটা বুঝে করতে পারবে। উদ্দীপকের আলোকে ৩টি প্রশ্ন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতিতে গণিত ও উচ্চতর গণিত বিষয়ের শিক্ষার্থীদের অন্যান্য বিষয়ের মতো উদ্দীপকের আলোকে চারটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না। গণিত ও উচ্চতর গণিত বিষয়ের ক্ষেত্রে উদ্দীপকের ওপর ভিত্তি করে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সৃজনশীল অংশের প্রতিটি প্রশ্নের নম্বর থাকবে ১০ করে। প্রশ্নটি তিনটি অংশে ভাগ থাকবে। নম্বর বরাদ্দ থাকবে— ‘ক’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ২, ‘খ’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ৪, ‘গ’ অংশে নম্বর বরাদ্দ ৪। গণিত ও উচ্চতর গণিতের এই ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ অংশ গাণিতিক সমস্যাসংক্রান্ত। প্রশ্নের ‘ক’ অংশটি সবচেয়ে সহজ। এই অংশের উত্তর দেওয়ার সময় একজন পরীক্ষার্থীকে কম সময় ব্যয় করতে হবে এবং উত্তরের জন্য চিন্তার ব্যাপকতা কম থাকবে। ‘খ’ অংশটি তুলনামূলকভাবে ‘ক’ অংশের চেয়ে কঠিন হবে। এই অংশের উত্তর দিতে গেলে একজন পরীক্ষার্থীকে ‘ক’ অংশের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে হবে এবং চিন্তার গভীরতা বেশি হবে। ‘গ’ অংশটি ‘খ’ অংশের চেয়ে তুলনামূলক কঠিন। উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে এই অংশটি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে বেশি সময় এবং চিন্তার গভীরতার দাবি রাখে। গণিত ও উচ্চতর গণিতের প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় পূর্ণ বাক্যের প্রয়োজনীয়তা কম। প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীকে গাণিতিক ধাপগুলো সমাপ্ত করতে হবে। গণিতের তিনটি ধাপ প্রথম ধাপটি ‘সহজ’, দ্বিতীয় ধাপটি ‘মধ্যম এবং শেষের ধাপটি ‘কঠিন’। প্রতিটি পরীক্ষায় গণিতের সৃজনশীল প্রশ্ন করার সময় শিক্ষার্থীদের চিন্তার গভীরতা এবং সময়ের দিকটি বিবেচনা করে তিনটি অংশে (‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ অংশ) তৈরি করা হবে। ১০ নম্বরের একটি অঙ্কে নম্বর বণ্টন হবে = ২+৪+৪। প্রথম অংশের ‘সহজ’ উত্তরটি সবাই পারবে। মধ্যম মানের শিক্ষার্থীরা ‘মধ্যম’ ধাপ পর্যন্ত পারবে এবং তৃতীয় ধাপের ‘কঠিন’ অংশ পর্যন্ত পারবে একটু মেধাবীরা। বিপুল দেবনাথ সহকারী শিক্ষক ( গণিত ) ঘোষগাঁও শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।

Shares