আজ বুধবার , ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে নবান্নকে ঘিরে পিঠা পুলির উৎসব! কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন

হালুয়াঘাটে ঘর নেই, ছাত্র নেই তবুও প্রতিষ্ঠান! অভিযোগ দায়ের

প্রকাশিতঃ ৩:২৭ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৮, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৫১৫ বার

ওমর ফারুক সুমনঃ হালুয়াঘাট উপজেলার ৯নং ধারা ইউনিয়নের নাম সর্বস্ব বীরগুছিনা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভুঁয়া ছাত্র সাজিয়ে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণ দেখানোর অভিযোগ এনে হালুয়াঘাট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে ফের অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ আসাদুল্লাহ আসাদ নামে এক সচেতন যুবক। পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করতে যান হালুয়াঘাট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিইও) মোঃ মোশারফ হোসেন। এই বিষয়ে মোশারফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সরেজমিনে মাদ্রাসাটি দদন্ত করতে গিয়েছিলাম। মূলত এই নামে কোন মাদ্রাসার কার্যক্রম নেই। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের নামে যদি কেউ বিল ভাতাদি উত্তোলন করে থাকে তা অবৈধ পন্থায় উত্তোলন করতে পারে। আমি যতদূর শুনেছি বীর গুছিনার নামে বিল উত্তোলন স্থগিত রয়েছে। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বীরগুছিনা গ্রামে এই নামে একসময় একটি প্রতিষ্ঠান চালু ছিলো। পরে সরকার তাদেরকে বিল না দেয়ায় কার্যক্রম স্থগিত করে যে যার মতো বিভিন্ন কাজে লেগে যায়।পরে এখানে একটি কওমী মাদ্রাসা চালু হয়। বর্তমানে কওমী মাদ্রাসায় চালু রয়েছে। এরপর যখন শুনা যাচ্ছে সরকার বিল ভাতাদি দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তখন প্রধান শিক্ষক দাবীদার বিল্লাল হোসেন দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। বিভিন্ন কৌশলে জালিয়াতির আশ্রয় নিতেও দেখা যায় তাকে। কখনো অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র এনে বীরগুছিনার নামে ছাত্র দেখায়। কখনো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্যে ছাত্রের তালিকা জমা দেয়। আবার ব্যাংক থেকে বিলও উত্তোলন করে। অভিযোগকারী আসাদুল্লাহ আসাদ বলেন, বীরগুছিনা স্বতন্ত্র এবতেদায়ীর নামে কোন জায়গা নেই। প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন একটি ভুঁয়া দলিল সাজিয়ে বীরগুছিনা নামে প্রতিষ্ঠানের দাবী করে আসছে। আমি মামলা দায়ের করলে জাল দলিল তা প্রমানিত হয়েছে।###

Shares