আজ সোমবার , ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮ ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

হালুয়াঘাটে ঘর নেই, ছাত্র নেই তবুও প্রতিষ্ঠান! অভিযোগ দায়ের

প্রকাশিতঃ ৩:২৭ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৮, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৫৩৫ বার

ওমর ফারুক সুমনঃ হালুয়াঘাট উপজেলার ৯নং ধারা ইউনিয়নের নাম সর্বস্ব বীরগুছিনা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভুঁয়া ছাত্র সাজিয়ে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণ দেখানোর অভিযোগ এনে হালুয়াঘাট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে ফের অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ আসাদুল্লাহ আসাদ নামে এক সচেতন যুবক। পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করতে যান হালুয়াঘাট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিইও) মোঃ মোশারফ হোসেন। এই বিষয়ে মোশারফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সরেজমিনে মাদ্রাসাটি দদন্ত করতে গিয়েছিলাম। মূলত এই নামে কোন মাদ্রাসার কার্যক্রম নেই। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের নামে যদি কেউ বিল ভাতাদি উত্তোলন করে থাকে তা অবৈধ পন্থায় উত্তোলন করতে পারে। আমি যতদূর শুনেছি বীর গুছিনার নামে বিল উত্তোলন স্থগিত রয়েছে। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বীরগুছিনা গ্রামে এই নামে একসময় একটি প্রতিষ্ঠান চালু ছিলো। পরে সরকার তাদেরকে বিল না দেয়ায় কার্যক্রম স্থগিত করে যে যার মতো বিভিন্ন কাজে লেগে যায়।পরে এখানে একটি কওমী মাদ্রাসা চালু হয়। বর্তমানে কওমী মাদ্রাসায় চালু রয়েছে। এরপর যখন শুনা যাচ্ছে সরকার বিল ভাতাদি দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তখন প্রধান শিক্ষক দাবীদার বিল্লাল হোসেন দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। বিভিন্ন কৌশলে জালিয়াতির আশ্রয় নিতেও দেখা যায় তাকে। কখনো অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র এনে বীরগুছিনার নামে ছাত্র দেখায়। কখনো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্যে ছাত্রের তালিকা জমা দেয়। আবার ব্যাংক থেকে বিলও উত্তোলন করে। অভিযোগকারী আসাদুল্লাহ আসাদ বলেন, বীরগুছিনা স্বতন্ত্র এবতেদায়ীর নামে কোন জায়গা নেই। প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন একটি ভুঁয়া দলিল সাজিয়ে বীরগুছিনা নামে প্রতিষ্ঠানের দাবী করে আসছে। আমি মামলা দায়ের করলে জাল দলিল তা প্রমানিত হয়েছে।###

Shares