আজ মঙ্গলবার , ৯ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ই মার্চ উদযাপন হালুয়াঘাটের মামুন বাফুফে’র ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান

টয়লেট, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই বিশ্বের অর্ধেক স্কুলে

প্রকাশিতঃ ২:৩০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৮, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৪১ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপেয় পানি, টয়লেট ও ভদ্রোচিত হাত-মুখ ধোয়ার ব্যবস্থা নেই বিশ্বের অর্ধেক স্কুলে। এর ফলে স্কুলগামী প্রায় ৯০ কোটি শিশু-কিশোরই মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীরা। এমনকি পড়াশোনার পাঠ চুকাতে বাধ্য হচ্ছে তাদের অনেকেই।

ভয়াবহ এসব তথ্য উঠে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের যৌথ এক গবেষণা রিপোর্টে। স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের সুপেয় পানি পান ও টয়লেট সুবিধা নিয়ে গবেষণাটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সোমবার (২৭ আগস্ট) রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়।

রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্রাথমিক স্কুল ও মাধ্যমিক স্কুলেই নিরাপদ ও সুপেয়ে পানির ব্যবস্থা নেই। ২০ শতাংশ স্কুলে আদৌ কোনো নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নেই। ফলে ৫৭ কোটি শিশু-কিশোর স্বাস্থ্যগতভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সুবিধা পায় না প্রায় ৬২ কোটি ছাত্রছাত্রী। এছাড়া প্রায় ৯০ কোটি শিক্ষার্থী টয়লেট ব্যবহারের পর সঠিকভাবে হাত ধোয়ার সুবিধা তথা সাবান পায় না। স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের অভাবে স্কুলে যেতে চায় না ছাত্রছাত্রীরা। এসব কারণে বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে স্কুলে যাওয়ার হার কমে যাচ্ছে।

গবেষণার ফল ও পরিসংখ্যানের মাধ্যমে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও হুশিয়ারি দিয়েছেন গবেষকরা। গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও সমন্বয়ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ড. রিক জনসন বলেন, এসব মৌলিক সুবিধা ছাড়া ভালো মানের শেখার পরিবেশ অসম্ভব। স্কুলে যদি টয়লেট না থাকে, শিশুরা সেখানে না-ও যেতে পারে। তারপরও যখন তারা স্কুলে যাচ্ছে, তা একরকম বাধ্য হয়েই যাচ্ছে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যেক শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও সবার জন্য স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন বিশ্বনেতারা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের রিপোর্ট মতে, সেসব প্রতিশ্রুতি খাতা আর কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সূত্র-খবর টেলিগ্রাফ।

Shares