আজ সোমবার , ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

হালুয়াঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ই মার্চ উদযাপন হালুয়াঘাটের মামুন বাফুফে’র ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে ২জন নিহত এমপি’র পক্ষে হালুয়াঘাট ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির কম্বল বিতরণ ধোবাউড়ায় ট্রাক-হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত-২, চালক ও হেলপার আটক বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত- প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ৩:৪৮ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৫, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২২৩ বার

অনলাইন ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তৎকালীন বিএনপি সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, এ হত্যাযজ্ঞে খালেদা জিয়া এবং তার সন্তান তারেক রহমান সরাসরি জড়িত। এতে কোনো সন্দেহ নেই। আওয়ামী লীগের যে কোনো সমাবেশের নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক এবং ছাত্রলীগ নেতা ও কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবক গ্রুপ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তারা সাধারণত পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ভবনের ছাদ থেকে এ দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ওই দিন তাদের সমাবেশের আশেপাশের কোনো ভবনের ছাদে থাকার অনুমতি দেয়া হয়নি। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, কারা এ হামলায় জড়িত।
মঙ্গলবার সকালে গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের স্মরণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সেদিনের ঘটনাস্থল ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের নিচে শহীদদের স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, হামলার সময় সেখানে উপস্থিত সেনা গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে ফোন করে এখানে কি হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ধমক দিয়ে সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়। যেসব পুলিশ কর্মকর্তারা একটু সাহায্য করতে চেয়েছে তাদের সরকার ও বিএনপি’র পক্ষ থেকে তিরস্কার করে সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়। হতাহতদের সাহায্যে এগিয়ে না এসে পুলিশ বরং যারা সাহায্য করতে এসেছিল তাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে খুনিদের নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের এতগুলো মানুষ হতাহত হলো কিন্তু সেটা নিয়ে সংসদে সে সময় কোনো কথা বলতে দেয়া হয়নি। কেউ কথা বলতে গেলেই মাইক বন্ধ করে দেয় আর সেটা নিয়ে নির্মম ব্যঙ্গোক্তি এবং হাসি-তামাশা-ঠাট্টা করে। কোনো শোক প্রস্তাবও আনতে দেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘এমনও অপপ্রচার চালানো হয় এমনকি সংসদেও বলা হয়েছে, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড এনে এই হামলা চালিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নেতাদের দেয়া বক্তব্যগুলো স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এর কয়দিন আগেই খালেদা জিয়া এবং বিএনপি বলেছিল হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও হতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ আগামী একশ’ বছরেও ক্ষমতায় যেতে পারবে না।’ কারণ আওয়ামী লীগকে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন করাই ছিল তাদের পূর্বপরিকল্পনা।
তিনি বলেন, ঘটনা সংঘটিত হবার পর থেকেই এর আলামত সংরক্ষণ না করে আলামত ধ্বংসের একটি প্রচেষ্টা বিএনপি-জামায়াতের ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত যে আর্জেজ গ্রেনেড সেদিন ছোড়া হয়েছিল তার মধ্যে একটি গ্রেনেড ফোটেনি সেটিও সংরক্ষণ করা হয়নি। সিটি করপোরেশন থেকে পানির গাড়ি এনে তড়িৎ ঘটনাস্থল ধোয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় এবং গ্রামের এক লোককে ধরে এনে তাকে দোষী সাজিয়ে ‘জজ মিয়া নাটক’ মঞ্চস্থ করা হয়। এর বিচার কাজ পরবর্তীতে তার সরকার শুরু করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার চলছে। আশা করি সেই বিচারের রায় বের হবে। তবে, আইভি রহমানসহ যারা মারা গেছেন তাদেরকে আর কোনো দিন ফিরে পাবো না। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’ তিনি বলেন, ‘আমার একটাই চেষ্টা যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণ যেন এ দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে জাতির পিতার স্বপের সোনার বাংলা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে পারি।’ এদিকে অস্থায়ী বেদিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। গ্রেনেড হামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সেখানে কুশল বিনিময় করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

Shares