আজ বৃহস্পতিবার , ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি হালুয়াঘাটে ঝরে পড়া শিশুরা পাবে শিক্ষার সুযোগ। আসছে শিক্ষক নিয়োগও হালুয়াঘাটে স্বামীর আত্নহত্যা দেখে স্ত্রীও বিষ খায়! দুজনেরই মৃত্যু হালুয়াঘাটে স্বামী-স্ত্রীর আত্নহত্যা রাহেলা হযরত মডেল স্কুলে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি কংশ টিভির পরিবার ও গণমাধ্যম কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে বিজয়ী মধুপুর একাদশ স্পোটিং ক্লাব ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশালের মোস্তাফিজুর রহমান হালুয়াঘাটে পিকনিকের বাস উল্টে আহত-৮ ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করোনাঃ হালুয়াঘাটে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু, ১৩৬ জনের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হালুয়াঘাটে করোনার প্রথম টিকা নিলেন ইউ.এন.ও রেজাউল করিম বাউফলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

রাজধানীতে কোরবানির গোশতের হাট! কেজি ২৪০ টাকা !

প্রকাশিতঃ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২২, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৯৯ বার

অনলাইন ডেস্কঃ এ বছর গরু কেনা থেকে শুরু করে হাসিল পরিশোধ এবং কসাইয়ের মজুরি দেয়ার পর কোরবানির গোশতের মূল্য দাঁড়িয়েছে কেজি প্রতি প্রায় আটশ থেকে নয়শ টাকা। অথচ সেই গোশতই এখন হাত ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকা দরে।

ঈদুল আজহার কোরবানি শেষে রাজধানী জুড়ে চোখে পড়ছে মাংসের হাট। শহরের অলিতে-গলিতে অস্থায়ী এ বাজারে খুব কম দামে গোশত বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর লিংক রোড, সূত্রাপুর, ধোলাই খাল, খিলগাঁও, রামপুরা, মিরপুরের মূল সড়ক ও অলিগলিতে এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। মূলত সকাল থেকে ভিক্ষুক এবং গরীব-দুস্থ মানুষেরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে যে গোশত সংগ্রহ করেছেন সেটাই তারা এসব স্থানে বিক্রি করছেন। নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এ মাংস ক্রয় করতে দেখা গেছে। এছাড়া যারা কোরবানি দিতে পারেননি তারা সামর্থ্যমতো কমদামে বিক্রি হওয়া এসব গোশত কিনে ঘরে ফিরছেন।

এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছেন কিছু অসাধু মৌসুমী ব্যবসায়ীও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠাঁটারিবাজারের এক হালিম ব্যবসায়ী বলেন, দোকান থেকে গোশত কিনতে গেলে কেজি প্রতি কমপক্ষে ৪৮০-৫০০ টাকা লাগে। তাই এ সময় কমদামে কিছু গোশত সংগ্রহ করে রাখছি।

ঠিক একই কথা বললেন গেন্ডারিয়ার এক কাবাব ব্যবসায়ী। তিনি কাবাবের গোশত হিসেবে এগুলো সংগ্রহ করে রাখছেন।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব গোশতের দাম উঠানামা করছে। অর্থাৎ হাড়ের পরিমাণের ওপর নির্ভর করছে এসব গোশতের মূল্য। তাই কোথাও দুইশ’ টাকা কোথাও আড়াইশ’ টাকা। শিশুদেরও কোরবানির গোশত বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সূত্রাপুর লোহারপুলের সামনে এরকম এক গোশত বিক্রেতা বলেন, এসব গোশত রান্না করে খাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। তার চেয়ে বরং ৩/৪ কেজি মাংস বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায় সেটা দিয়ে চার দিন সংসার চালানো যায়।

এদিকে, এসব গোশত মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যাওয়ায় গোশতের মান প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে বিভিন্ন রকমের গোশত একত্রিত করে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। অথচ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা হয়নি এসব গোশত।

খুব সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে গরীব-দুস্থ ও শিশুরা এসব গোশত বিভিন্ন বাসা থেকে সংগ্রহ করে একত্র করেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও এগুলো সংরক্ষণে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই এসব গোশত খাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। পুষ্টিবিদদের বক্তব্য, এসব গোশতে বিভিন্ন ধরনের জীবানু ও ব্যকটেরিয়া আক্রমণ করে। তাই এটা এড়িয়ে চলা উচিত।

Shares