আজ বৃহস্পতিবার , ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মেয়রের আহব্বান বাউফলে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত বাউফলে প্রায়তঃ শিক্ষকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত আত্মহত্যার পরও সূদের টাকার জন্য ফোন! ত্রিশালে সড়ক দূরঘটনায় একজন নিহত চার জন আহত ত্রিশালে যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আমতলীতে মাদ্রাসা মাঠে ধান চাষ বরগুনায় ১০ দোকান পুড়ে ছাই হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চান পরিবার আইপিএলে ,নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শাহ্ আহসান হাবীব বাবুর জন্ম দিন পালন বরগুনায় সেরা সম্পাদককে সংবর্ধনা বরগুনা বেতাগীর আলোচিত বজলু হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আটক ত্রিশালে শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সড়ক উদ্বোধন ত্রিশালে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জহিরের পুরো পরিবারই ইয়াবা বেচে

প্রকাশিতঃ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৬, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ১৭০ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: আলম নামের এক মিয়ানমারের নাগরিক কক্সবাজার ও টেকনাফে ইয়াবার চালান নিয়ে আসা ও আর্থিক লেনদেনের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করেন। আর তিনি নিয়মিত আসা যাওয়ার কারণে টেকনাফ এলাকায় তাঁর নাম ‘বার্মাইয়া আলম’।

টেকনাফের অন্যতম তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জহির আহমেদ ওরফে মৌলভী জহিরসহ ছয়জনকে আটকের পর তাঁদের কাছ বেরিয়ে আসে বার্মাইয়া আলমের নাম। তাদের রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড থেকে দুই লাখ সাত হাজার ইয়াবা ও সাড়ে ১৬ লাখ টাকাসহ আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান।

মুফতি মাহমুদ খান জানান, সকালে র‍্যাব ২-এর একটি আভিযানিক দল বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে অভিযান চালায়। সেখানের দুটি বাসায় রক্ষিত অবস্থায় দুই লাখ সাত হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য সাত কোটি ২৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ সময় নগদ ১৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়।

এ সময় আটক করা হয় ফয়সাল আহমেদ (৩১), মিরাজ উদ্দিন নিশান (২১), তৌফিকুল ইসলাম ওরফে সানি (২১) ও সঞ্জয় হালদারকে (২০)। পরে জিজ্ঞাসাবাদের তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এফিফ্যান্ট রোডের আরেকটি বাসা থেকে এই চক্রের মূল ব্যক্তি জহির আহম্মেদ ওরফে মৌলভী জহির (৬০), মমিনুল আলম মোমিনকে (৩০) আটক করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তা মুফতি মাহমুদ খান জানান, মৌলভী জহির প্রায় ১৫ বছর আগে থেকে টেকনাফে সিএনএফ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করেন। আর সেই সুবাদে তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। জহিরের স্ত্রী, কন্যা, জামাতা থেকে শুরু করে পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলেও জানান তিনি।

জিজ্ঞাবাদে জহির আহমেদ র‍্যাবকে জানিয়েছেন, এ ধরনের বড় বড় ইয়াবার চালান তিনি ও তার লোকজন বার্মাইয়া আলমের কাছ থেকেই সংগ্রহ করতেন। এরপর তাঁর জামাতা আবদুল আমিন, নুরুল আমিন ও আটক মোমিন টেকনাফ এবং কক্সবাজার হয়ে ঢাকায় নিয়ে আসতেন। এ ক্ষেত্রে তারা বিলাসবহুল বাস ও কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করতেন।

র‍্যাব পরিচালক জানান, বার্মাইয়া আলম মিয়ানমারের নাগরিক হলেও টেকনাফে তার বাড়ি রয়েছে। তিনি ওই এলাকায় বহু বছর আগে থেকেই আসা-যাওয়া করেন। বার্মাইয়া আলমের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অচিরেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান মুফতি মাহমুদ।

Shares