আজ শুক্রবার , ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হালুয়াঘাটে ঐতিহাসিক তেলিখালী যুদ্ধ দিবস উদযাপন বাউফলে যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পলিত নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক

ধর্ষণের আগে ৬৭ রকমের মাদক খাওয়াতেন

প্রকাশিতঃ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৩১৮ বার

ডেস্ক রিপোর্টঃ শুধু চৌত্রিশ জন নাবালিকা নয়, ‘হান্টারওয়ালে আঙ্কল’ –এর ফাঁদে পড়েছিলেন আরও অনেক মহিলা। মুজফফরপুর ধর্ষণকাণ্ডে উঠে এল ব্রজেশ ঠাকুরের নাম, যাকে হোমের মেয়েরা চিনত ‘হান্টারওয়ালে আঙ্কল’ নামে। হোমে এই ব্রজেশ ঘুরে বেড়াত চাবুক হাতে। ভয়ে কাঁপত মেয়েরা।

সমাজের উপরতলাতে অবাধ গতিবিধি ছিল ব্রজেশের। তিনটি সংবাদপত্রের মালিক ব্রজেশের বিরুদ্ধে উঠেছে সীমাহীন নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের আগে জোর করে মাদক খাওয়ানো হত নাবালিকাদের। এ রকম ৬৭ রকমের মাদক মিলেছে হোম থেকে। ছুরি দিয়ে রক্তাক্ত করে দেওয়া হত নাবালিকাদের।

আগেই সামনে এসেছিল সেবা সংকল্প সমিতির হোমের কথা। মুজফফরপুরের এই হোমে শিশুকন্যা ও কিশোরীদের ওপর ভয়াবহ অত্যাচারের খবরে স্তব্ধ হয়েছিল সারা দেশ। দিনের দিন দিন, রাতের পর রাত, নাবালিকাদের ওপর চলত নিরন্তর যৌন হেনস্থা, ধর্ষণ। ওযুধ খাইয়ে তাঁদের বেহুঁশ করে দেওয়া হত। কারও বয়সই আঠারোর বেশি নয়, আর ধর্ষণ করা হত নিয়মিত। ৪২ জন নাবালিকার মধ্যে ৩৪ জনের মেডিক্যাল রিপোর্টেই যৌন অত্যাচারের প্রমাণ মিলেছে। অভিযোগে সবাই জানিয়েছে হোমটির চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার রবি কুমার রোশন আর ব্রজেশ ঠাকুরের নাম। দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ।

এবার সামনে এল আরও একটি হোমের কথা। মুজফফরপুরের যৌনপল্লীর কাছে চতুর্ভূজ স্থান নামে আরও একটি হোম চালাত এই ব্রজেশ ঠাকুর। জুন মাসে এখান থেকেও নিখোঁজ হয়েছেন ১১ মহিলা ও ৪ নাবালিকা। মহিলাদের ‘সেবা’ করার জন্যই এই হোমটি খুলেছিল ব্রজেশ। আর সেবার নামে সবাইকেই যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হত। হোম হিসেবে তৈরি করা চতুর্ভূজ স্থান হয়ে উঠেছিল যৌনপল্লী। পুলিশে দায়ের করা অভিযোগে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ মহিলাদের বয়স কুড়ি থেকে পঞ্চাশের মধ্যে। এই হোমটি চালাতে বিহার সরকারের সমাজকল্যাণ দফতরের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্যও পেয়েছিল ব্রজেশ। হোমে তৈরি করা হয়েছিল অস্থায়ী অপারেশন থিয়েটার। ধর্ষণের পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভপাতও করানো হত এখানেই।

বিহারের হোমের এই নারকীয় চিত্র ও তার পিছনে থাকা প্রভাবশালী ব্রজেশ ঠাকুরের কথা প্রথম সামনে আসে টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের একটি রিপোর্টে। অত্যাচারিত মেয়েদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরাই প্রথম রিপোর্টটি সামনে আনেন। সমাজের ওপরতলার মানুষ ব্রজেশের স্বচ্ছন্দ চলাফেরা ছিল রাজনৈতিক জগতের উচ্চ মহলে। নাম জড়ায় বিহারের শাসকদলের একাধিক নেতারও। এরপরই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকুমার। গ্রেফতার করা হয় দশজনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিটও জমা দেওয়া হয়েছে।

Shares