আজ রবিবার , ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন

শিশু ধর্ষণ :: ওরাও কি মানুষ ?

প্রকাশিতঃ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ | জুন ০১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৭৬ বার

সীমান্তবার্তা ডেস্কঃ অসভ্য যুগে যে কুকীর্তির স্বাক্ষী হতে হয়নি ধরাবাসীকে তেমন কুকীর্তি এই সভ্য যুগে অহরহ ঘটছে। যে শিশুটি বুঝতেই শিখলো না মানুষের জৈবিক চাহিদা বলে কোন তাড়না আছে, তেমন শিশুদেরকে ধর্ষণের চিত্র দেশের আনাচে-কানাচে প্রকাশ পাচ্ছে নিয়ত। শুধু কি শিশুদের ধর্ষণ ? ধর্ষণ বলতে যা বোঝায় তা কোন দৃষ্টিকোনে এদের ওপর ঘটানো যায়। ওহে মানুষ ! তোমরা পশুর পাশবিকতাকেও হার মানালে তবে ? ধর্ষণের পর খুন করে দেহটি গুম করে রাখা হচ্ছে। কাউকে বিশ্বাস করার আর উপায় থাকছে না। মানবিকতার, মন্ষ্যুত্বের, বিবেকবোধের এমন অধঃপতনের স্বাক্ষী বোধহয় কোন সভ্যতাই হয়নি, যেমনটা হচ্ছে বিকৃত বর্তমান সমাজ-সভ্যতা। ধর্ষণ করা যায়নি বলে, দু’ক্লাসে পড়ুয়া ফুটফুটে শিশুটিকে গলাটিপে হত্যা করতে একবারও বুক কাঁপেনি মানুষাকৃতির পিশাচের। মানুষের এমন অধোঃগতি যে কেন ঘটলো, তার উত্তর কে দেবে ? মাত্র পাঁচ-ছয় বছরের শিশুটি যখন শিক্ষক, চাচা-মামা কিংবা অন্য কারো দ্বারা ধর্ষিতা হওয়ার সংবাদ শুনি তখন লজ্জায়-ঘৃণায় চিৎকার করতে কাঁদতে ইচ্ছে করে। এই কি মানুষ ? সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব এরাই ? কোন পশুর রক্ত এদের শরীরে প্রবাহিত হলে এরা এমন কুকীর্তি করতে পারে-তার উত্তর কি কারো জানা আছে ? শুধু মেয়ে শিশু নয় বরং জানোয়ারের দল ছেলেদের বলৎকার করতেও পিছপা হচ্ছে না। কোন সভ্যতার তরীতে চড়েছি আমরা ? গন্তব্য কোথায় আমাদের ? মানুষে আর পশুতে একাকার হওয়ার দিন কি তবে সমাগত ?
ধর্ষকের একমাত্র শাস্তির বিধান হোক মৃত্যুদন্ড। সমাজ পরিচালকরা ভাবুন, সমাজের শৃঙ্খলা রোধ করতে বোধহয় এর বিকল্প নাই। যারা দেবশিশুদের ধর্ষণ-হত্যা করতে দ্বিদ্বা করে না, তাদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে কেন ? এসব নপুংসকদের প্রকাশ্যে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে দেয়া হোক। মানুষ শিক্ষা গ্রহন করুক। ভীতির সঞ্চার হোক। মাত্র দু’তিন ক্লাসে পড়ুয়া শিশুরাও যাদের লালায়িত দৃষ্টি থেকে রক্ষা পায়না তাদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নাই, থাকা উচিত নয়। ওদের শরীরে মানুষের নয় বরং জানোয়ার রক্ত বইছে। ওদের বাঁচতে দিলে, বংশবৃদ্ধির সুযোগ দিলে মানব সমাজে কেবল অমানুষ-পশুতুল্য জীবের বিস্তার ঘটবে। কাজেই লাঘাম টেনে দেয়ার এটাই উত্তম সময়।
শুধু শিশু নয় বরং যে কোন বয়সের নারীকেই পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে হবে। ধর্ষকের পরিচয় সে কেবলই ধর্ষক। সে কোন মানুষের সন্তান নয়, পিতা নয়, পুত্র নয়, নয় ভাইও। ধর্ষণ রোধে ধর্ষকদের ব্যাপারে রাষ্ট্র যদি কঠোরতা না দেখায় তবে সমাজে ক্ষতের গভীরতা বাড়তেই থাকবে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে লড়তে হবে কঠোরভাবে। কোন ধর্ষক যেন প্রভাব-প্রতিপত্তি প্রদর্শনপূর্বক ছাড় পেয়ে না যায়। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তার স্বার্থে আজ যদি সবাই সোচ্চার না হই, তবে ধর্ষকের জন্ম হবে পরিবারে পরিবারে। ধর্ষিতা হতে থাকবে আমাদেরই আপনজন। সচেতনতা, সুশিক্ষা এবং শাসন দিয়েই গড়ে তুলি আমাদের আগামী প্রজন্ম।

Shares