আজ সোমবার , ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাচনে মোশারফ, ফরিদ, আশুরা বিজয়ী গরীবের আশার বাতিঘর হাজী মোশারফ হালুয়াঘাটে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি পুঁততে গিয়ে মৃত্যু-১, আহত-১ জাতীয় ভাবে”স্বপ্নজয়ী মা” নির্বাচিত হলেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের অবিরণ নেছা ৬১০৮ ভোটের ব্যবধানে হামিদ বিজয়ী। শেখ রাসেল ও মনোয়ারা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ প্রবীণে প্রবীণে লড়াই এম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারকালে ২৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ একজন আটক এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার

জাপানে শিকারিদের হাতে শতাধিক অন্তঃসত্ত্বা তিমি মারা পড়ল

প্রকাশিতঃ ৪:২৯ অপরাহ্ণ | জুন ০১, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৫৪১ বার

আন্ত্ররজাতিক ডেস্কঃ

বিজ্ঞান গবেষণার নামে প্রতি বছর তিমি শিকার চলে জাপানে। এ বছর সেই শিকার চলাকালীন ১২২টি অন্তঃসত্ত্বা তিমি মারা পড়ল।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, জাপানে চার মাস ধরে চলা ওই তিমি শিকার অভিযান শেষ হয় মার্চে। অ্যান্টার্কটিকায় চার মাসে ৩৩৩টি মিঙ্ক তিমি শিকার করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল হোয়েলিং কমিশনকে (আইডব্লিউসি) পাঠানো প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ ৩৩৩টি তিমির মাঝে ১২২টিই ছিল অন্তঃসত্ত্বা। শুধু তাই নয়, অনেকগুলো তিমি ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক।

একটি প্রাণী অধিকার সংস্থা এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাপানের তিমি শিকার অভিযানকে নিন্দা জানিয়েছে হিউমেন সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার অ্যালেক্সিয়া ওয়েলবিলাভ মন্তব্য করেন, তিমি হত্যা না করেই বিজ্ঞান গবেষণা চালানো সম্ভব। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানোর কোনো দরকারই নেই।

ইন্টারন্যাশনাল হোয়েলিং কমিশনের সদস্য জাপান। সংস্থাটি ১৯৮৬ সাল থেকে তিমি হত্যার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তারপরেও নিয়মিত প্রতি বছর তিমি হত্যা অভিযান চালায় জাপান। তারা বিজ্ঞান গবেষণাকে কারণ হিসেবে দেখায়। কিন্তু সবাই জানে, আসলে বাজারে বিক্রি করার জন্যই এসব তিমি হত্যা করা হচ্ছে। শেষমেষ এদের মাংস ডিনারের টেবিলে গিয়ে পৌঁছায়।

জাপানের ফিশারিজ এজেন্সি দাবি করে, তারা জেনেশুনে অন্তঃসত্ত্বা তিমিগুলোকে হত্যা করেনি। শিকারের দায়িত্বে থাকা ইউকি মোরিতা দাবি করেন, আইসিডব্লিউয়ের সায়েন্টিফিক কমিউনিটি জাপানের এই শিকার অভিযানের ব্যাপারে জানে। তারা এই পরিমাণে তিমি হত্যা করে যা গবেষণার জন্য জরুরি অথচ তিমির জনসংখ্যার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

২০১৪ সালে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এই তিমি শিকার বন্ধের আদেশ দেয়। এক বছরের জন্য তিমি শিকার বন্ধ থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে আবার তা শুরু করে জাপান। আর এই তিমি শিকার অভিযান অব্যাহত রাখার প্রতিজ্ঞা করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

জাপানে তিমি শিকার একটি প্রাচীন প্রথা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সে দেশের দরিদ্র মানুষদের জন্য তিমির মাংসই ছিল আমিষের প্রধান উৎস। অবশ্য বর্তমান সময়ে তিমির মাংস খাওয়ার প্রবণতা কমে এসেছে।

Shares