আজ বুধবার , ২৬শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

বিচারপতি টি.এইচ.খান আর নেই হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটের যুবককে পিটিয়ে হত্যা হালুয়াঘাটে দুই গারো তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৫ বাউফলে নৌকার মাঝি হলেন বর্তমান মেয়র জুয়েল কেন্দুয়ায় মৃত ব্যক্তি ভেঙ্গেছে নৌকা প্রার্থীর বাড়ীঘর ওসি শাহিনুজ্জামান’র শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হালুয়াঘাটে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে শশুরকে জবাই জামাতার! রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হালুয়াঘাটে ঐতিহাসিক তেলিখালী যুদ্ধ দিবস উদযাপন বাউফলে যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পলিত নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

জীবনে ঔষধ লাগেনি! এখনো লবন দিয়া দাঁত মাজি!

প্রকাশিতঃ ৯:১৩ অপরাহ্ণ | জুলাই ১০, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৬৮ বার

রাসীম মোল্লাহঃ জীবনে ঔষধ লাগেনি! এখনো লবন দিয়া দাঁত মাজি। ১১৪ ও ১১০ বছর বয়সের-আছালত ও শের আলী নামে দুই প্রবীণ বৃদ্ধা। শেক আছালতের বাড়ী  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার খানেপুর গ্রামে। তবে পৃথিবীর আলো দেখেছেন দোহার উপজেলার কাঠালী ঘাটায়। অল্প বয়সে পিতা-মাতা হারান তিনি। তাই চলে আসেন বোনের বাড়ি নবাবগঞ্জে। ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও দারিদ্রতার কারণে পড়ালেখা করতে পারেনি আছালাত। প্রায় পুরো জীবনই অন্যের বাড়িতে রাখাল থেকেছেন। এভাবেই জীবন সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন তিনি। এক ছেলে ও চার মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী তার জন্ম ১৯০৪ সালের ১০ অক্টোবর। সে অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ১১৩ বছর ৯ মাস ২০ দিন। এখনো তিনি দিব্যি চলাফেরা করতে পারেন। নিয়মিত বাড়ির কাছে বাজারে গিয়ে আড্ডা দেন। গত কয়েক বছর আগেও কোদাল দিয়ে জমি চাষ করছেন। তবে এখন কাজ কাম না করলেও সুস্থ্য আছেন। নিয়মিত লবন দিয়ে দাঁত মাঝেন । এখনো প্রায় সবগুলি দাঁত রয়েছে তাঁর । এই বয়সেও কোন ওষুধ খেতে হয় না। চুল দাড়ি অনেকটাই কাঁচা আছে।

অপরদিকে, শের আলী মিয়া হাওলাদার। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামে । জাতীয় পরিচয়পত্র মোতাবেক তার বয়স ১১০ বছর। এখনো নিজে ওজু করে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন তিনি। জীবনে কোনো অসুখ বিসুখ তাকে স্পর্শ করেনি। জীবন সয়াহ্নে এসেও তিনি এক প্রাণবন্ত মানুষ। ভোর সকালে ফজরের নামাজ পড়েই শের আলী মিয়া খেতে চান। সকালে তিনি চিড়ে ও আম খান। এরপর চা খাওয়ার অভ্যাস তার নিয়মিত। দুপুরে যতসামান্য ভাত খান। রাতে ভাতের সাথে দুধ আর মিষ্টি দিতেই হবে। দুধ না দিলে ভাত খান না। রাত জেগে ইবাদত করার অভ্যাস রয়েছে শের আলী মিয়ার। এই বয়সেও কোন ওষুধ খেতে হয় না। চুল দাড়ি অনেকটাই কাঁচা আছে।

Shares