আজ বুধবার , ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবীতে আজ মানববন্ধন হালুয়াঘাটের শিমুলকুচি গ্রামে কামাল’র কুলখানি অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হালুয়াঘাটের ট্রলি উল্টে দুই বন্দর শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৬ মাছ ধরার জালে ঢিল ছোড়ায় খুন হন শিশু শিক্ষার্থী সুমন হালুয়াঘাটে ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে খুন এমপি’র কাছে নালিশ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়েছে চেয়ারম্যান হালুয়াঘাটে প্রতারিত শত শত কৃষক বাউফলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বাউফল উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা বাউফলে ইউএনও’র বিদায়ী সংবর্ধনা নালিতাবাড়ীতে জেলা শিক্ষা অফিসারের বিদ্যালয় পরিদর্শন বাউফলে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাউফলে ছেলের বিচার চেয়ে বাবা মায়ের সাংবাদিক সম্মেলন

পাচার হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে উদ্ধার তিন বাংলাদেশি নারী

প্রকাশিতঃ ১১:০৫ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৩, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ২৫০ বার

সীমান্তবার্তা ডেস্ক :পাচার হওয়ার আগেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার করা হয়েছে বাংলাদেশি ৩ নারী। গতকাল সোমবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশের এই তিন নারীকে কাজ পাইয়ে দেবার কথা বলে সীমান্ত পার করে ভারতের এক দালালের হাতে তুলে দেয়া হয়। তবে নারী তিনজনকে নিয়ে উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটায় আসার পর সেই দালাল হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। এরপরেই সেই তিন নারীকে ইতস্তত ঘুরতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত তিন নারীর হলেন  নার্গিস কাজী (২০), সোনিয়া খাতুন (২১) এবং রেশমা বেগম (২৭)। তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের এক ব্যক্তি ভারতে কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চোরাইপথে তাদের ভারতে নিয়ে যান। পশ্চিমবঙ্গে নেয়ার পর ওই ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির হাতে তাদের তুলে দেন। এরপর এই এলাকায় আসার পর ওই ব্যক্তি হঠাৎই উধাও হয়ে যান। গতকালই তিন জনকে  আদালতে তোলা হলে তাদের হোমে পাঠানো হয়। বাংলাদেশ থেকে দরিদ্র পরিবারের নারীদের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে নিয়ে যাবার জন্য একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ আরো জানিয়েছে, এই সব নারীদের ভারতের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়া হয়। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মতে, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কিশোরী ও নারী পাচার হয়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

Shares