আজ সোমবার , ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

শিরোনাম

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাচনে মোশারফ, ফরিদ, আশুরা বিজয়ী গরীবের আশার বাতিঘর হাজী মোশারফ হালুয়াঘাটে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি পুঁততে গিয়ে মৃত্যু-১, আহত-১ জাতীয় ভাবে”স্বপ্নজয়ী মা” নির্বাচিত হলেন জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের অবিরণ নেছা ৬১০৮ ভোটের ব্যবধানে হামিদ বিজয়ী। শেখ রাসেল ও মনোয়ারা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ প্রবীণে প্রবীণে লড়াই এম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারকালে ২৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ একজন আটক এমপি মাহমুদুল হক সায়েমকে সি.আই.পি শামিমের সংবর্ধনা হালুয়াঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরার পথে লাশ হল স্বামীসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালুয়াঘাটের স্থলবন্দর দিয়ে ২৭টি পণ্যের আমদানী রপ্তানীর পরিকল্পনা-এমপি সায়েম হালুয়াঘাটে ২৭ হাজার দুস্থ অসহায় পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১৩ বছর পর পদত্যাগ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হালুয়াঘাটে ফেইসবুক গ্রুপে কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা। পুরস্কার বিতরণ ‘কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণকেশীর ‘বেহিসেবি রঙ.. হিমাদ্রিশেখর সরকার হালুয়াঘাট থেকে ফুলপুর পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা নির্মাণসহ সড়ানো হচ্ছে অস্থায়ী বাস কাউন্টার

ঝালকাঠিতে সালাউদ্দিনের সাপের খামার! কৌতুহলি মানুষের ভিড়

প্রকাশিতঃ ২:২৬ অপরাহ্ণ | জুন ৩০, ২০১৮ । এই নিউজটি পড়া হয়েছেঃ ৪৫৫ বার

ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ জেলা ঝালকাঠির রাজাপুরে নিবিড় পরিচর্যায় গড়ে উঠেছে একটি বিষধর সাপের খামার। সরকার বেসরকারি উদ্যোগে সাপের বাণিজ্যিক খামার স্থাপনের জন্য ২০টি শর্ত দিয়ে ২০০৮ সালের নভেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করলেও কষ্টে উপার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করে খামার মালিক সালাউদ্দিন শুরু করতে পারছেন না বিষ উৎপাদনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। প্রতি মাসে কোটি টাকার বিষ উৎপাদনে সক্ষম ওই খামারটি বিষ উৎপাদনের জন্য নিবন্ধনের আবেদন করে এখনও অনুমোদনের অপেক্ষায়। বিস্ময়কর ওই খামারটি দেখতে কৌতূহলি মানুষ প্রতিদিন ভিড় করছেন খামারির বাড়িতে। দেখছেন বিভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ, শুনছেন সাপ নিয়ে অজানা তথ্য ও সম্ভাবনার কথা।
রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর রাজাপুর গ্রামের সালাউদ্দিন মৃধা নামের এই তরুণ তার নিজ বাড়িতেই নিবিড় পরিচর্যায় গড়ে তুলেছেন বিষধর এই সাপের খামার।

খামারের নাম দিয়েছেন ‘রাজাপুর কোবরা ভেনম’। দেশি কোবরা, শঙ্খীনি জাতের সাপ নিয়েই গড়ে তুলেছেন খামারটি। গত বছর ৫টি সাপ নিয়ে খামারের কার্যক্রম শুরু করলেও এখন প্রচুর সাপ আছে তার খামারে। সাপের বিষ রপ্তানির উদ্যোগ নেয়ার কথা সরকার ঘোষণা করার পর অনুপ্রাণিত হয়ে সালাউদ্দিন খামারটি গড়ে তোলেন। খামার থেকে প্রতি মাসে কোটি টাকার বিষ উৎপাদন করা সম্ভব বলে তরুণ উদ্যোক্তা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিষ উৎপাদনের সরকারি অনুমোদন না পাওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেতে পারছেন না তিনি। সালাউদ্দিন আরো জানান, প্রথমদিকে গ্রামবাসী তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে। সাপুড়ে, বেদে বলে ডাকতো। এমন কথাও শুনতে হয়েছে- ‘শেষ পর্যন্ত সাপের ব্যবসা করতে হলো’! সেই সঙ্গে ছিল কুসংস্কারের ভয়াল থাবা। কিন্তু এখন দেখেন সবাই তার সঙ্গে। তাই সব সময়ই খামারের নিকটে থাকে উৎসুক জনতার ভিড়। এলাকায় এখন আর কেউ সাপ মারে না। কারও বাড়িতে সাপ ধরা পড়লে তাকে খবর দেয়। তিনি গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে খামারে নিয়ে আসেন। গ্রামে কারো বাড়িতে সাপ আছে- এমন সংবাদ পেলেই ছুটে যান তিনি ও তার সঙ্গীরা। পরে সেই বাড়ির বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন খামারে। মূলত মানুষের হাত থেকে বিপন্ন সাপকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তিনি। ফলে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘সর্পপ্রেমী মানুষ’ হিসেবে। এদিকে, প্রতিদিন যারাই আসছেন সকলেই খামার দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। নানা দিক জেনে শুনে বাস্তবে দেখে সাপ নিয়ে আতংক, কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারনার অনেকটাই কেটে গেছে তাদের। তারাও দাবী জানাচ্ছেন সরকারি সহযোগিতার। খামারে আসে পাশে রোপণ করা হয়েছে সাপের খাদ্য সরবরাহের জন্য কলাগাছ। এর মাঝেই বাস করছে সাপের প্রধান খাদ্য ব্যাঙ। পোষা হচ্ছে কোয়েল পাখি। কোয়েলের ডিম সাপের খাবার হিসেবে রাখা হয়।

Shares